মামলা তুলে না নেওয়ায় ইসলামি যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধি:- নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করায় ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বুলবুলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সালেহনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদ হাসান বুলবুল ওই এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুলবুলের রিকশার গ্যারেজে ‘সিফাত বাহিনী’ লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় সিফাতকে প্রধান আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেন বুলবুল। মামলা দায়েরের পর থেকেই সেটি প্রত্যাহারের জন্য সিফাত ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে দাবি স্বজনদের।
স্বজনদের ভাষ্য, এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে একা পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ সময় বুলবুলের সঙ্গে সিফাত ও তার সহযোগীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলবুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে মামলা প্রত্যাহারের চাপকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে কি না এবং হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত—এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী বক্তব্যের পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য জানা যাবে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
মামলা তুলে না নেওয়ায় ইসলামি যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধি:- নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না করায় ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বুলবুলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সালেহনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদ হাসান বুলবুল ওই এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুলবুলের রিকশার গ্যারেজে ‘সিফাত বাহিনী’ লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় সিফাতকে প্রধান আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেন বুলবুল। মামলা দায়েরের পর থেকেই সেটি প্রত্যাহারের জন্য সিফাত ও তার সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে দাবি স্বজনদের।
স্বজনদের ভাষ্য, এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে একা পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ সময় বুলবুলের সঙ্গে সিফাত ও তার সহযোগীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলবুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে মামলা প্রত্যাহারের চাপকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে কি না এবং হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত—এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী বক্তব্যের পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন