একাধিক মামলার আসামি অনিতা রানীকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কুষ্টিয়া-রাজশাহী জুড়ে মাদক সিন্ডিকেটের একক নিয়ন্ত্রণ;
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ধর্মপাড়া ও ভেড়ামারা এলাকার বাসিন্দা অনিতা রানী সরকারকে ঘিরে মাদক ব্যবসার বিস্তার এবং আন্তঃজেলা মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অনুসন্ধানে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, রাজশাহীর গোদাগাড়ী প্রেমতলী গ্রামের খোকন মাহাজন, করিম মাহাজন, সহ এলাকার কয়েকজন মাদক কারবারির কাছ থেকে নিয়মিত হেরোইন সংগ্রহ করে কুষ্টিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা এবং রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় পাইকারি ও খুচরা সরবরাহের সঙ্গে অনিতা রানী সরকারের সম্পৃক্ততা।
অভিযোগে আরও জানাগেছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ভাগজোত-তালতলা এলাকার রাজু ওরফে জিয়ার মাধ্যমে সীমান্তপথে গাঁজা, ফেনসিডিল এবং অস্ত্র সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে সরবরাহের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে মাদক সম্রাজ্ঞী অনিতা রানী সরকার। রেলপথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের অভিযোগ-অনিতা রানীর নিজের বক্তব্য হিসেবে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে ভেড়ামারা-পাকশী রেলপথ ও রেলওয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে ট্রেনযোগে মাদক পরিবহনের করে। এ ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, ট্রেনের স্টাফ, টিটিই, খাবার সরবরাহকারী এবং রেলওয়ে পুলিশের কিছু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই এসব কারবার সুচারুভাবে করে থাকে।তবে অনিতা রানীর কাছ থেকে কৌশলে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কোনো রেল কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগে অনুসন্ধানী টীম কাজ চলমান রেখেছে। একাধিক মাদক মামলার তথ্য-অনুসন্ধানে অনিতা রানী সরকারের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত মামলাগুলোর তথ্য পাওয়া গেছে-১৭ আগস্ট ২০২৩, গোদাগাড়ী থানায় হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা, মামলা নম্বর জিআর-৪২৩ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯ এপ্রিল ২০২৩: কুষ্টিয়া সদর থানায় মামলা; মামলা নম্বর ৪৩ তথ্য পাওয়া গেছে। ৫ নভেম্বর ২০২৩: ভেড়ামারা থানায় মামলা; মামলা নম্বর ১০ তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান অনুযায়ী, এসব মামলায় গ্রেপ্তারের পর সে কিছু সময় কারাভোগ করে জামিনে মুক্ত পায়।পরবর্তীতে বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক প্রসার গড়ে তোলে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ। আরও অভিযোগ রয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন অনিতা রানী।
এমনকি বর্তমানে ডিবি হেডকোয়ার্টার মিন্ট রোডে কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ।তদন্তের দাবি স্থানীয়দের অভিযোগ, অনিতা রানী সরকারের মাদক ও অস্ত্রের এই নেটওয়ার্কের কারণে কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজবাড়ী ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের ঝুঁকি বাড়ছে। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে উপরোক্ত বিষয়ে অনিতা রানী সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেনি।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
একাধিক মামলার আসামি অনিতা রানীকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কুষ্টিয়া-রাজশাহী জুড়ে মাদক সিন্ডিকেটের একক নিয়ন্ত্রণ;
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ধর্মপাড়া ও ভেড়ামারা এলাকার বাসিন্দা অনিতা রানী সরকারকে ঘিরে মাদক ব্যবসার বিস্তার এবং আন্তঃজেলা মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অনুসন্ধানে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, রাজশাহীর গোদাগাড়ী প্রেমতলী গ্রামের খোকন মাহাজন, করিম মাহাজন, সহ এলাকার কয়েকজন মাদক কারবারির কাছ থেকে নিয়মিত হেরোইন সংগ্রহ করে কুষ্টিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা এবং রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় পাইকারি ও খুচরা সরবরাহের সঙ্গে অনিতা রানী সরকারের সম্পৃক্ততা।
অভিযোগে আরও জানাগেছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ভাগজোত-তালতলা এলাকার রাজু ওরফে জিয়ার মাধ্যমে সীমান্তপথে গাঁজা, ফেনসিডিল এবং অস্ত্র সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে সরবরাহের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে মাদক সম্রাজ্ঞী অনিতা রানী সরকার। রেলপথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের অভিযোগ-অনিতা রানীর নিজের বক্তব্য হিসেবে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে ভেড়ামারা-পাকশী রেলপথ ও রেলওয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে ট্রেনযোগে মাদক পরিবহনের করে। এ ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, ট্রেনের স্টাফ, টিটিই, খাবার সরবরাহকারী এবং রেলওয়ে পুলিশের কিছু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই এসব কারবার সুচারুভাবে করে থাকে।তবে অনিতা রানীর কাছ থেকে কৌশলে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কোনো রেল কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগে অনুসন্ধানী টীম কাজ চলমান রেখেছে। একাধিক মাদক মামলার তথ্য-অনুসন্ধানে অনিতা রানী সরকারের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত মামলাগুলোর তথ্য পাওয়া গেছে-১৭ আগস্ট ২০২৩, গোদাগাড়ী থানায় হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা, মামলা নম্বর জিআর-৪২৩ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯ এপ্রিল ২০২৩: কুষ্টিয়া সদর থানায় মামলা; মামলা নম্বর ৪৩ তথ্য পাওয়া গেছে। ৫ নভেম্বর ২০২৩: ভেড়ামারা থানায় মামলা; মামলা নম্বর ১০ তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান অনুযায়ী, এসব মামলায় গ্রেপ্তারের পর সে কিছু সময় কারাভোগ করে জামিনে মুক্ত পায়।পরবর্তীতে বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক প্রসার গড়ে তোলে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ। আরও অভিযোগ রয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন অনিতা রানী।
এমনকি বর্তমানে ডিবি হেডকোয়ার্টার মিন্ট রোডে কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ।তদন্তের দাবি স্থানীয়দের অভিযোগ, অনিতা রানী সরকারের মাদক ও অস্ত্রের এই নেটওয়ার্কের কারণে কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজবাড়ী ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের ঝুঁকি বাড়ছে। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে উপরোক্ত বিষয়ে অনিতা রানী সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেনি।

আপনার মতামত লিখুন