ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন আক্কাস আলী, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি

দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন আক্কাস আলী, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি

বাকৃবির অফিসার পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি মাহবুবুর রশীদ গোলাপ  ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন  নির্বাচিত

বাকৃবির অফিসার পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি মাহবুবুর রশীদ গোলাপ ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন নির্বাচিত

পীরগাছায় নির্ধারিত অটো, রিকশা ও ভ্যান স্ট্যান্ডের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে শ্রমিক সাধারণ সভা

পীরগাছায় নির্ধারিত অটো, রিকশা ও ভ্যান স্ট্যান্ডের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে শ্রমিক সাধারণ সভা

বারহাট্টায় অতিরিক্ত মূল্যে  সার বিক্রি, দুই জনকে জরিমানা করায় হয়

বারহাট্টায় অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি, দুই জনকে জরিমানা করায় হয়

বেড়া পৌরসভায় ডিজিটাল গণতন্ত্র উদ্যোগের আওতায় পরিষেবা পর্যালোচনা সংলাপ

বেড়া পৌরসভায় ডিজিটাল গণতন্ত্র উদ্যোগের আওতায় পরিষেবা পর্যালোচনা সংলাপ

পীরগাছায় যানজট নিরসনে নতুন অটোরিকশা স্ট্যান্ডের উদ্বোধন

পীরগাছায় যানজট নিরসনে নতুন অটোরিকশা স্ট্যান্ডের উদ্বোধন

গোসাইনপুরে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

গোসাইনপুরে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

হরিরামপুরে ১১ বছরের কন্যা শিশুকে ইভটিজিং করায় এক  যুবক আটক।

হরিরামপুরে ১১ বছরের কন্যা শিশুকে ইভটিজিং করায় এক যুবক আটক।

দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন।

দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন।

দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন।     

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:-  চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি লিঃ অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও চিনি বিভাগে লোকসান করলেও অন্য ৫ বিভাগে লাভ করেছে। ফলে সরকারি কোষাগার ১৫৩ কোটি টাকা ভ্যাট ও আয়কর জমা দিয়েছে।

আজ ২১শে আগষ্ট শুক্রবার মিল সূত্রে জানা গেছে  দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি লিঃ  ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চিনি বিভাগে লোকসান করলেও ৬ বিভাগ মিলে  অর্জন করেছে ১৬৫ কোটি ২৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা মুনাফা, যা কেরুজ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বকালের সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন। 

 একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় চিনি কারখানার লোকসানও এবার কিছুটা কমেছে। সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরুজ কমপ্লেক্স সরকারের রাজস্ব খাতে প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা ভ্যাট ও আয়কর জমা দিয়েছে। এর পাশাপাশি চিনি কারখানার ৬০ কোটি ১৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা লোকসান পুষিয়েও প্রতিষ্ঠানটির নিট আয় হয়েছে ১৬৫ কোটি ২৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য যে এবার কেরুজ কমপ্লেক্সের ছয়টি বিভাগের মধ্যে পাঁচটিই  মুনাফা অর্জন করেছে। সবচেয়ে বেশি মুনাফা এসেছে ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ বিভাগে ফরেন লিকার উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৮৬২ ক্রেস। এবং বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ক্রেস। 

একই সময়ে বোতলজাত বাংলা মদ উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮১০ কেস এবং বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮ কেস। সব মিলিয়ে ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে মুনাফা অর্জন হয়েছে ২২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা। 

অন্যদিকে নয়টি খামারে ৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, আকন্দবাড়িয়া পরীক্ষামূলক খামারে ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা, আকন্দবাড়িয়া বায়োফার্টিলাইজার বা জৈব সার কারখানায় এক কোটি ৪৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং ডিস্টিলারি ফার্মাসিউটিক্যাল বিভাগে ৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকা মুনাফা অর্জিত হয়েছে।

 এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কেরুজ কমপ্লেক্সের মোট মুনাফা হয়েছিল ১২৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা। সে বছর চিনি কারখানায় লোকসান হয়েছিল ৬২ কোটি ১৮ লাখ ২২ হাজার ৪৫১ টাকা। একই অর্থবছরে ডিস্টিলারি বিভাগে মুনাফা ছিল ১৯০ কোটি ৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৪ টাকা। নয়টি বাণিজ্যিক খামারে ৩৮ লাখ ৯ হাজার ৭১২ টাকা, আকন্দবাড়িয়া পরীক্ষামূলক খামারে ৩২ লাখ ৮৮ হাজার ৬২৫ টাকা, বায়োফার্টিলাইজারে ৭৮ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং ডিস্টিলারি ফার্মাসিউটিক্যালে ৫ লাখ ২০ হাজার ৪৭৬ টাকা মুনাফা হয়েছিলো। 

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কেরুজ কমপ্লেক্সের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪০ টাকা।  ২০২৫-২৬ মাড়াই মৌসুমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫ হাজার ৫৬২ একর জমিতে আখ চাষ করা হয়। 

এর মধ্যে কৃষকের জমি ছিল ৩ হাজার ৯৩৫ একর এবং কেরুজের নিজস্ব জমি ১ হাজার ৬২৫ একর। লক্ষ্য ছিল ৬৯ মাড়াই দিবসে ৭৬ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই এবং ৪ হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন। দৈনিক গড় মাড়াই হার নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন এবং চিনি আহরণের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। 

তবে পুরোনো চিনিকলেই মাড়াই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নির্ধারিত ৬৯ দিনের পরিবর্তে মাত্র ৫৯ দিন মাড়াই চলে। এ সময়ে আখ মাড়াই হয়েছে ৬৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন কম। চিনি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় যা প্রায় ৮৫০ মেট্রিক টন কম। তবে চিনি আহরণের হার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না। 

মৌসুমে এ হার ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। দৈনিক গড় আখ মাড়াই হয়েছে ১ হাজার ৪২ মেট্রিক টন, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন।

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন।     

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:-  চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি লিঃ অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও চিনি বিভাগে লোকসান করলেও অন্য ৫ বিভাগে লাভ করেছে। ফলে সরকারি কোষাগার ১৫৩ কোটি টাকা ভ্যাট ও আয়কর জমা দিয়েছে।

আজ ২১শে আগষ্ট শুক্রবার মিল সূত্রে জানা গেছে  দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি লিঃ  ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চিনি বিভাগে লোকসান করলেও ৬ বিভাগ মিলে  অর্জন করেছে ১৬৫ কোটি ২৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা মুনাফা, যা কেরুজ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বকালের সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন। 

 একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় চিনি কারখানার লোকসানও এবার কিছুটা কমেছে। সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরুজ কমপ্লেক্স সরকারের রাজস্ব খাতে প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা ভ্যাট ও আয়কর জমা দিয়েছে। এর পাশাপাশি চিনি কারখানার ৬০ কোটি ১৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা লোকসান পুষিয়েও প্রতিষ্ঠানটির নিট আয় হয়েছে ১৬৫ কোটি ২৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য যে এবার কেরুজ কমপ্লেক্সের ছয়টি বিভাগের মধ্যে পাঁচটিই  মুনাফা অর্জন করেছে। সবচেয়ে বেশি মুনাফা এসেছে ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ বিভাগে ফরেন লিকার উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৮৬২ ক্রেস। এবং বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ক্রেস। 

একই সময়ে বোতলজাত বাংলা মদ উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮১০ কেস এবং বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮ কেস। সব মিলিয়ে ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে মুনাফা অর্জন হয়েছে ২২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা। 

অন্যদিকে নয়টি খামারে ৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, আকন্দবাড়িয়া পরীক্ষামূলক খামারে ৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা, আকন্দবাড়িয়া বায়োফার্টিলাইজার বা জৈব সার কারখানায় এক কোটি ৪৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং ডিস্টিলারি ফার্মাসিউটিক্যাল বিভাগে ৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকা মুনাফা অর্জিত হয়েছে।

 এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কেরুজ কমপ্লেক্সের মোট মুনাফা হয়েছিল ১২৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা। সে বছর চিনি কারখানায় লোকসান হয়েছিল ৬২ কোটি ১৮ লাখ ২২ হাজার ৪৫১ টাকা। একই অর্থবছরে ডিস্টিলারি বিভাগে মুনাফা ছিল ১৯০ কোটি ৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৪ টাকা। নয়টি বাণিজ্যিক খামারে ৩৮ লাখ ৯ হাজার ৭১২ টাকা, আকন্দবাড়িয়া পরীক্ষামূলক খামারে ৩২ লাখ ৮৮ হাজার ৬২৫ টাকা, বায়োফার্টিলাইজারে ৭৮ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং ডিস্টিলারি ফার্মাসিউটিক্যালে ৫ লাখ ২০ হাজার ৪৭৬ টাকা মুনাফা হয়েছিলো। 

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কেরুজ কমপ্লেক্সের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪০ টাকা।  ২০২৫-২৬ মাড়াই মৌসুমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫ হাজার ৫৬২ একর জমিতে আখ চাষ করা হয়। 

এর মধ্যে কৃষকের জমি ছিল ৩ হাজার ৯৩৫ একর এবং কেরুজের নিজস্ব জমি ১ হাজার ৬২৫ একর। লক্ষ্য ছিল ৬৯ মাড়াই দিবসে ৭৬ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই এবং ৪ হাজার ২৫৬ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন। দৈনিক গড় মাড়াই হার নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন এবং চিনি আহরণের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। 

তবে পুরোনো চিনিকলেই মাড়াই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নির্ধারিত ৬৯ দিনের পরিবর্তে মাত্র ৫৯ দিন মাড়াই চলে। এ সময়ে আখ মাড়াই হয়েছে ৬৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন কম। চিনি উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় যা প্রায় ৮৫০ মেট্রিক টন কম। তবে চিনি আহরণের হার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না। 

মৌসুমে এ হার ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। দৈনিক গড় আখ মাড়াই হয়েছে ১ হাজার ৪২ মেট্রিক টন, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ