মদনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরে ঘুমের ওষুধ সেবন, হাসপাতালে নারীর মৃত্যু
মোঃ রাসেল আহমেদ,মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে ঘুমের ওষুধ সেবনের পর রুনা রানী তালুকদার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) ভোররাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত রুনা রানী তালুকদার উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের চত্রমপুর গ্রামের জীবন চন্দ্র তালুকদারের মেয়ে। তিনি বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী ছিলেন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়েরের পর থেকে রুনা রানী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত ২০ আগস্ট স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরদিন ভোরে তিনি ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে প্রথমে তাড়াইল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কিশোরগঞ্জে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২২ আগস্ট) ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই অসীম তালুকদার বলেন, “রুনা রানী ঘুমের ওষুধ সেবন করার পর আমরা প্রথমে তাঁকে তাড়াইল হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে কিশোরগঞ্জে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ আগস্ট ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়।”
আদালতে করা মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে অসীম তালুকদার বলেন, “আমরা এর আগেই আদালতে মামলা করেছি।”
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
মদনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরে ঘুমের ওষুধ সেবন, হাসপাতালে নারীর মৃত্যু
মোঃ রাসেল আহমেদ,মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে ঘুমের ওষুধ সেবনের পর রুনা রানী তালুকদার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) ভোররাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত রুনা রানী তালুকদার উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের চত্রমপুর গ্রামের জীবন চন্দ্র তালুকদারের মেয়ে। তিনি বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী ছিলেন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়েরের পর থেকে রুনা রানী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত ২০ আগস্ট স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরদিন ভোরে তিনি ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে প্রথমে তাড়াইল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কিশোরগঞ্জে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২২ আগস্ট) ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই অসীম তালুকদার বলেন, “রুনা রানী ঘুমের ওষুধ সেবন করার পর আমরা প্রথমে তাঁকে তাড়াইল হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে কিশোরগঞ্জে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ আগস্ট ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়।”
আদালতে করা মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে অসীম তালুকদার বলেন, “আমরা এর আগেই আদালতে মামলা করেছি।”
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন