মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুরে মেঘনায় নৌ ডাকাত এক আতঙ্কের নাম শামিম ওরফে কাইল্লা শামীম।
বিশেষ প্রতিনিধি : ফারুক দেওয়ান। মুন্সিগঞ্জ ও চাঁদপুর মেঘনায় চলাচল করা বাল্কহেড থেকে বিট (টাকা) তোলার মধ্য দিয়ে তার উত্থান হলেও এখন এই নদীপথে প্রতিটি অপকর্মের সঙ্গে শামীম ওরফে কাইল্লা শামিম গং এর নাম জড়িত। হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে ১ ডজন মামলা থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারে নেই পুলিশের কোনো তৎপরতা। ফলে, মেঘনা এলাকায় নদী ও স্থলভাগে মূর্তিমান আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম এর বিরুদ্ধে এতে অতিষ্ঠ মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর
বাসী। গত কয় দিন আগে ও চর কিশোরগঞ্জ ভাসমান তেলের ডিপু থেকে সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাত শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম গং সহ একটি স্পিড বোর্ড এসে তেলের ডিপু থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হুমকি দিয়ে অর্থ লুটে নিয়ে চলে যায়।
১।শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম পিতা: জনু মিয়া ২.আবুল বাসার, পিতা গেস্যু বেপারী, কালিরচর বাড়ি ৩.মাসুদ শিকদার পিতা গনি শিকদার বাড়ি দেওয়ানকান্দি। ৪.ফারুক স্পিডবোটের ড্রাইভার কাঠালবাড়ি পিতা রব খা। ৫.আওল আওলাদ মিজি পিতা বজমীজি বাংলাবাজার। ৬.মন্নান পিতা আনসু গোলদার বাংলাবাজার মহেশপুর। ৭.আওলাদ মিজী পিতা বধু মিজি বাংলাবাজার।
উল্লেখ্য উপরের ডাকাত সরদারের গং সহ মুন্সিগঞ্জ চাঁদপুর মেঘনায় চলাচলরত অতিষ্ট চলাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। কালিরচরসহ আশপাশের কয়েকটি চরে। বকচর থেকে কালিরচর পর্যন্ত , কালিরচর থেকে নাসিরাচর ও মোহনপুর শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম আর ষাটনল থেকে বেলতলী পর্যন্ত অবৈধ কর্মকাণ্ড তদারকি করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক মুরগী চোর থেকে শুরু করে ডাকাতসহ কয়েকটি ছোট-বড় ডাকাত গ্রুপের হয়ে কাজ করত। শামীম ও তার সহযোগী সহ নিজেরাই তৈরি করে একটি সশস্ত্র ডাকাত দল, যার নাম হয় কালা ডাকাত । চাঁদাবাজি, ডাকাতির করে নির্বিঘ্নে ঘরে চলে যায় ।
ডাকাত শামীম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। চরাঞ্চল দুর্গম হওয়ার সুযোগে এসব এলাকা এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একজন জানান, অস্ত্র ঠেকিয়ে রাতের বেলা নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু বলগেট থেকে টাকা আদায় করে শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম ও তার বাহিনী। কেউ তাদের বাধা দিলে গুলি করে স্পিডবোট দিয়ে স্থলভাগে নিরাপদে চলে যায়। প্রতিদিন নদীপথে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে গিয়ে ইজারাকৃত বালুমহালের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তাদের ড্রেজার।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ তছলিম উদ্দিন বলেন, শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম একজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার। তার বিরুদ্ধে গজারিয়া, ষাটনল, মতলব উত্তর, চাঁদপুর ও লৌহজংয়ে ১২টি মামলা রয়েছে। চরাঞ্চলের ওই জায়গাগুলো দুর্গম হওয়ার তাকে গ্রেপ্তার করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা যে কোনো উপায়ে তাকে গ্রেপ্তার করব।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুরে মেঘনায় নৌ ডাকাত এক আতঙ্কের নাম শামিম ওরফে কাইল্লা শামীম।
বিশেষ প্রতিনিধি : ফারুক দেওয়ান। মুন্সিগঞ্জ ও চাঁদপুর মেঘনায় চলাচল করা বাল্কহেড থেকে বিট (টাকা) তোলার মধ্য দিয়ে তার উত্থান হলেও এখন এই নদীপথে প্রতিটি অপকর্মের সঙ্গে শামীম ওরফে কাইল্লা শামিম গং এর নাম জড়িত। হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে ১ ডজন মামলা থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারে নেই পুলিশের কোনো তৎপরতা। ফলে, মেঘনা এলাকায় নদী ও স্থলভাগে মূর্তিমান আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম এর বিরুদ্ধে এতে অতিষ্ঠ মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর
বাসী। গত কয় দিন আগে ও চর কিশোরগঞ্জ ভাসমান তেলের ডিপু থেকে সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাত শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম গং সহ একটি স্পিড বোর্ড এসে তেলের ডিপু থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হুমকি দিয়ে অর্থ লুটে নিয়ে চলে যায়।
১।শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম পিতা: জনু মিয়া ২.আবুল বাসার, পিতা গেস্যু বেপারী, কালিরচর বাড়ি ৩.মাসুদ শিকদার পিতা গনি শিকদার বাড়ি দেওয়ানকান্দি। ৪.ফারুক স্পিডবোটের ড্রাইভার কাঠালবাড়ি পিতা রব খা। ৫.আওল আওলাদ মিজি পিতা বজমীজি বাংলাবাজার। ৬.মন্নান পিতা আনসু গোলদার বাংলাবাজার মহেশপুর। ৭.আওলাদ মিজী পিতা বধু মিজি বাংলাবাজার।
উল্লেখ্য উপরের ডাকাত সরদারের গং সহ মুন্সিগঞ্জ চাঁদপুর মেঘনায় চলাচলরত অতিষ্ট চলাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। কালিরচরসহ আশপাশের কয়েকটি চরে। বকচর থেকে কালিরচর পর্যন্ত , কালিরচর থেকে নাসিরাচর ও মোহনপুর শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম আর ষাটনল থেকে বেলতলী পর্যন্ত অবৈধ কর্মকাণ্ড তদারকি করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক মুরগী চোর থেকে শুরু করে ডাকাতসহ কয়েকটি ছোট-বড় ডাকাত গ্রুপের হয়ে কাজ করত। শামীম ও তার সহযোগী সহ নিজেরাই তৈরি করে একটি সশস্ত্র ডাকাত দল, যার নাম হয় কালা ডাকাত । চাঁদাবাজি, ডাকাতির করে নির্বিঘ্নে ঘরে চলে যায় ।
ডাকাত শামীম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। চরাঞ্চল দুর্গম হওয়ার সুযোগে এসব এলাকা এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একজন জানান, অস্ত্র ঠেকিয়ে রাতের বেলা নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু বলগেট থেকে টাকা আদায় করে শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম ও তার বাহিনী। কেউ তাদের বাধা দিলে গুলি করে স্পিডবোট দিয়ে স্থলভাগে নিরাপদে চলে যায়। প্রতিদিন নদীপথে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে গিয়ে ইজারাকৃত বালুমহালের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তাদের ড্রেজার।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ তছলিম উদ্দিন বলেন, শামীম ওরফে কাইল্লা শামীম একজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার। তার বিরুদ্ধে গজারিয়া, ষাটনল, মতলব উত্তর, চাঁদপুর ও লৌহজংয়ে ১২টি মামলা রয়েছে। চরাঞ্চলের ওই জায়গাগুলো দুর্গম হওয়ার তাকে গ্রেপ্তার করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা যে কোনো উপায়ে তাকে গ্রেপ্তার করব।

আপনার মতামত লিখুন