কুড়িগ্রাম চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন-আতঙ্কে এলাকাবাসী
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি= ২৫ সেপ্টেম্বর ২৬ ইং৷ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ধসে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে তীব্র স্রোতে নদী আছড়ে পড়ছে। বড় বড় ফাটল তৈরি হওয়ায় যেকোনো সময় আরও অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, রাতেই বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে নদীতে চলে যায়। এখন আমাদের বাড়িঘর নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।
খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকার ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ তীর সংরক্ষণের জন্য একটি ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে এই ভাঙন সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রাম চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন-আতঙ্কে এলাকাবাসী
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি= ২৫ সেপ্টেম্বর ২৬ ইং৷ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ধসে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে তীব্র স্রোতে নদী আছড়ে পড়ছে। বড় বড় ফাটল তৈরি হওয়ায় যেকোনো সময় আরও অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেন, রাতেই বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে নদীতে চলে যায়। এখন আমাদের বাড়িঘর নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।
খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকার ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ তীর সংরক্ষণের জন্য একটি ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে এই ভাঙন সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।

আপনার মতামত লিখুন