পঞ্চগড়ে শিশু-কিশোরদের নিয়ে জমজমাট ক্রীড়া উৎসব
পঞ্চগড় ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ‘আমাদের সংস্কৃতি মা, মাটি, প্রকৃতি’ স্লোগানকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ খেলাধুলা, ফুটবল প্রতিযোগিতা, সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার গলেহাহাট ফাযিল মাদ্রাসা মাঠে দুই পর্বে এ ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করে পঞ্চগড় বিদ্রোহী শিশু-কিশোর থিয়েটার।
সকাল ১১টায় উৎসবের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করেন কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফায়েল প্রধান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলার আদর্শিক ও গুণী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মহিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক দেলওয়ার হোসেন।
প্রথম পর্বে গ্রামীণ ক্রীড়ার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ‘বডি ব্যালান্স’, ‘মাইন্ড সেটআপ’ ও ‘অ্যাটেনশন’সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোররা অংশ নেয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় অনূর্ধ্ব-১২ শিশু-কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ।
ফাইনাল খেলায় ফুলপাড়া তরুণ স্পোর্টিং ক্লাব ২–০ গোলে চছপাড়া ফুটবল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
বিকেল ৩টায় শুরু হয় শিশু-কিশোর অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল। খেলা শুরুর আগে একসময়কার অনূর্ধ্ব-১৫ দলের খেলোয়াড় মো. আব্দুস সালাম ওরফে ব্যারিস্টারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান বাবু।
উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে গলেহা একাডেমি ও টুনিরহাট লাল তরুণ ফুটবল একাডেমির খেলা ১–১ গোলে সমতায় শেষ হয়। পরে টাইব্রেকারে ৩–১ গোলে গলেহা একাডেমিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় টুনিরহাট লাল তরুণ ফুটবল একাডেমি।
উৎসবের দুই পর্বেই সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি ও নাট্যকার মো. আব্দুর রহিম। এ সময় গলেহাহাট ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবার রহমান বিএসসি, সমাজসেবী মাসুদ রানাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য এবং বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার চর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড়ে শিশু-কিশোরদের নিয়ে জমজমাট ক্রীড়া উৎসব
পঞ্চগড় ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ‘আমাদের সংস্কৃতি মা, মাটি, প্রকৃতি’ স্লোগানকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ খেলাধুলা, ফুটবল প্রতিযোগিতা, সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার গলেহাহাট ফাযিল মাদ্রাসা মাঠে দুই পর্বে এ ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করে পঞ্চগড় বিদ্রোহী শিশু-কিশোর থিয়েটার।
সকাল ১১টায় উৎসবের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করেন কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফায়েল প্রধান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলার আদর্শিক ও গুণী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মহিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক দেলওয়ার হোসেন।
প্রথম পর্বে গ্রামীণ ক্রীড়ার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ‘বডি ব্যালান্স’, ‘মাইন্ড সেটআপ’ ও ‘অ্যাটেনশন’সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোররা অংশ নেয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় অনূর্ধ্ব-১২ শিশু-কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ।
ফাইনাল খেলায় ফুলপাড়া তরুণ স্পোর্টিং ক্লাব ২–০ গোলে চছপাড়া ফুটবল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
বিকেল ৩টায় শুরু হয় শিশু-কিশোর অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল। খেলা শুরুর আগে একসময়কার অনূর্ধ্ব-১৫ দলের খেলোয়াড় মো. আব্দুস সালাম ওরফে ব্যারিস্টারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান বাবু।
উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে গলেহা একাডেমি ও টুনিরহাট লাল তরুণ ফুটবল একাডেমির খেলা ১–১ গোলে সমতায় শেষ হয়। পরে টাইব্রেকারে ৩–১ গোলে গলেহা একাডেমিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় টুনিরহাট লাল তরুণ ফুটবল একাডেমি।
উৎসবের দুই পর্বেই সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি ও নাট্যকার মো. আব্দুর রহিম। এ সময় গলেহাহাট ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবার রহমান বিএসসি, সমাজসেবী মাসুদ রানাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য এবং বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার চর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

আপনার মতামত লিখুন