তাড়াশে ২০ দিনে প্রায় ১৮ গরু চুরি, গ্রামবাসীর রাতজাগা পাহারা
মোঃআলামিন হোসেন তাড়াশ উপজেলা সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় গত ২০ দিনে বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ১৮টি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে থানায়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের গবাদিপশুর মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। চুরি ঠেকাতে কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা নিজেদের উদ্যোগে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি ও গোয়ালঘর থেকে রাতের আঁধারে গরু চুরির একাধিক ঘটনা ঘটেছে। চুরির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তবে সব ঘটনার সঙ্গে একই চক্র জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গরু চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন। রাতের বিভিন্ন সময়ে দল বেঁধে গ্রামের প্রবেশপথ, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন তারা। অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহজনক যানবাহন দেখলে সতর্ক হচ্ছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একের পর এক চুরির ঘটনায় গ্রামাঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, রাতে পুলিশের টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হলে চুরি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
স্থানীয়দের কেউ কেউ চুরির ঘটনাগুলোর পেছনে স্থানীয়ভাবে কেউ জড়িত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দায়ী করা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এদিকে তাড়াশ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গরু চুরির ঘটনায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। চুরির সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এসব ঘটনা ঘটছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা চলছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তাড়াশে ২০ দিনে প্রায় ১৮ গরু চুরি, গ্রামবাসীর রাতজাগা পাহারা
মোঃআলামিন হোসেন তাড়াশ উপজেলা সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় গত ২০ দিনে বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ১৮টি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে থানায়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের গবাদিপশুর মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। চুরি ঠেকাতে কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা নিজেদের উদ্যোগে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি ও গোয়ালঘর থেকে রাতের আঁধারে গরু চুরির একাধিক ঘটনা ঘটেছে। চুরির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তবে সব ঘটনার সঙ্গে একই চক্র জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গরু চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন। রাতের বিভিন্ন সময়ে দল বেঁধে গ্রামের প্রবেশপথ, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন তারা। অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহজনক যানবাহন দেখলে সতর্ক হচ্ছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একের পর এক চুরির ঘটনায় গ্রামাঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, রাতে পুলিশের টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হলে চুরি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
স্থানীয়দের কেউ কেউ চুরির ঘটনাগুলোর পেছনে স্থানীয়ভাবে কেউ জড়িত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দায়ী করা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এদিকে তাড়াশ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গরু চুরির ঘটনায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। চুরির সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এসব ঘটনা ঘটছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন