জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জমিতে বিষ প্রয়োগে বাধা দেওয়ায় আলম মিয়া (৪৫) নামের এক কৃষককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই আনিছ ও স্ত্রী শিফা গুরুতর আহত হন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পোগলদিঘা ইউনিয়নের মালিপাড়া মহাসড়ক সংলগ্ন হারুনের চায়ের দোকানের সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলম মিয়া বাদী হয়ে বুধবার রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- খোকা মিয়া (৫০), হোসেন আলী (৪৫), আল আমিন (৩৫), গাজী মিয়া (৫০), নুর নবী (২৫), উজ্জল এবংমিয়া (৫০), সজীব মিয়া (১৯) এবং জমেলা বেগম (৭০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদী আলম মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীরা তা মানেনি। ঘটনার দিন সকালে আলম মিয়া স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় দেখতে পান যে, তাদের আবাদী জমিতে অভিযুক্তরা বিষ প্রয়োগ করছে। এতে তিনি প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে খোকা মিয়ার হুকুমে অন্যরা আলম মিয়াকে পিটিয়ে জখম করেন এবং খোকা মিয়া তার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান।
আলমকে মারধরের খবর পেয়ে তার ভাই আনিছ মিয়া ও স্ত্রী শিফা আক্তার এগিয়ে আসলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলায় তারা রক্তাক্ত জখম হন। এছাড়া আলমের স্ত্রীর শ্লীলতাহানি এবং গলায় থাকা ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা খুন ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক আলম মিয়া ও তার ভাই আনিছ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তার স্ত্রী সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
আহত আলম মিয়ার পিতা চাঁন মিয়া জানান, তার ফুফুদের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। তিনি এর সঠিক বিচার দাবি করেছেন।
সরিষাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জমিতে বিষ প্রয়োগে বাধা দেওয়ায় আলম মিয়া (৪৫) নামের এক কৃষককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই আনিছ ও স্ত্রী শিফা গুরুতর আহত হন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পোগলদিঘা ইউনিয়নের মালিপাড়া মহাসড়ক সংলগ্ন হারুনের চায়ের দোকানের সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলম মিয়া বাদী হয়ে বুধবার রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- খোকা মিয়া (৫০), হোসেন আলী (৪৫), আল আমিন (৩৫), গাজী মিয়া (৫০), নুর নবী (২৫), উজ্জল এবংমিয়া (৫০), সজীব মিয়া (১৯) এবং জমেলা বেগম (৭০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদী আলম মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীরা তা মানেনি। ঘটনার দিন সকালে আলম মিয়া স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় দেখতে পান যে, তাদের আবাদী জমিতে অভিযুক্তরা বিষ প্রয়োগ করছে। এতে তিনি প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে খোকা মিয়ার হুকুমে অন্যরা আলম মিয়াকে পিটিয়ে জখম করেন এবং খোকা মিয়া তার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান।
আলমকে মারধরের খবর পেয়ে তার ভাই আনিছ মিয়া ও স্ত্রী শিফা আক্তার এগিয়ে আসলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলায় তারা রক্তাক্ত জখম হন। এছাড়া আলমের স্ত্রীর শ্লীলতাহানি এবং গলায় থাকা ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা খুন ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক আলম মিয়া ও তার ভাই আনিছ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তার স্ত্রী সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
আহত আলম মিয়ার পিতা চাঁন মিয়া জানান, তার ফুফুদের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। তিনি এর সঠিক বিচার দাবি করেছেন।
সরিষাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন