ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে , মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চাইলেন।

বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে , মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চাইলেন।

প্রেসক্লাব মোল্লাহাটের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

প্রেসক্লাব মোল্লাহাটের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

রাউজান প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জুয়েল বড়ুয়ার ওপর সন্ত্রাসী হামলা

রাউজান প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জুয়েল বড়ুয়ার ওপর সন্ত্রাসী হামলা

পটিয়ার এমপির পক্ষে উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু'র ত্রাণ বিতরন

পটিয়ার এমপির পক্ষে উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু'র ত্রাণ বিতরন

রাউজানে বিভিন্ন ইউনিয়ন এর পানিবন্দী মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা যুবদল

রাউজানে বিভিন্ন ইউনিয়ন এর পানিবন্দী মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা যুবদল

ধুনটে সুলতান হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে হাজী পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ধুনটে সুলতান হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে হাজী পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহের ভালুকায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কুমিরের খামার পরিদর্শন

ময়মনসিংহের ভালুকায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কুমিরের খামার পরিদর্শন

বিজয়নগরে ডাকাতির পর সরাইলে উদ্ধার ৩১ গরুবোঝাই ট্রাক, জিম্মি হেলপার উদ্ধার

বিজয়নগরে ডাকাতির পর সরাইলে উদ্ধার ৩১ গরুবোঝাই ট্রাক, জিম্মি হেলপার উদ্ধার

আক্কেলপুরে ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

জয়পুরহাট সংবাদদাতা:মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বুকে ব্যাথা নিয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন জোসনা আরা নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তবে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

মৃত জোসনা আরা (৬৫) পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী এবং মিঠাপুর বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, জোসনা আরা জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসার সময়ে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। পরে সেখানে দায়িত্বরত একজন সহকারী জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা  মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন দেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হয়। এসময় তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজন এসে দ্রুত স্যালাইন, ইনজেকশন দেওয়া শুরু করে। এর কিছু পরেই জোসনা আরা মৃত্যু বরণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন ডা. সুমাইয়া তৃষা। তিনি দুপুরের খাবারের জন্য বাহিরে অবস্থান করছিলেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ওই রোগীকে দেখেন।নিহতের মেয়ের জামাই হোসেন আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বাশুড়ি বুকে ব্যথা নিয়ে আক্কেলপুর হাসপাতালে এসেছিলেন। তখন তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলছিলেন। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সময়মতো না আসায় চিকিৎসা না পেয়ে তিনি মারা যান। চিকিৎসক হাসপাতালে না থাকার ভিডিও আমার কাছে আছে। কোথাও অভিযোগ করে আমার রোগী ফেরত আসবে না, আমি আল্লার কাছে এই বিচার দিয়ে গেলাম।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সুমাইয়া তৃষা বলেন, দুপুরের খাবারের জন্য আমি বাহিরে ছিলাম। জরুরি বিভাগের স্যাকমোর (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) ফোন পেয়ে দ্রুত এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। সেই সময় জরুরী বিভাগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ নিজেই দায়িত্বে ছিলেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, জরুরী বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে হইচই করছিল বলে হাসপাতাল থেকে খবর পাই। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, আমি নিজে গিয়ে রোগীটিকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। এ নিহতের স্বজনরা লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন মুঠুফোনে বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


আক্কেলপুরে ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

জয়পুরহাট সংবাদদাতা:মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বুকে ব্যাথা নিয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন জোসনা আরা নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তবে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

মৃত জোসনা আরা (৬৫) পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী এবং মিঠাপুর বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, জোসনা আরা জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসার সময়ে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। পরে সেখানে দায়িত্বরত একজন সহকারী জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা  মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন দেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হয়। এসময় তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজন এসে দ্রুত স্যালাইন, ইনজেকশন দেওয়া শুরু করে। এর কিছু পরেই জোসনা আরা মৃত্যু বরণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন ডা. সুমাইয়া তৃষা। তিনি দুপুরের খাবারের জন্য বাহিরে অবস্থান করছিলেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ওই রোগীকে দেখেন।নিহতের মেয়ের জামাই হোসেন আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বাশুড়ি বুকে ব্যথা নিয়ে আক্কেলপুর হাসপাতালে এসেছিলেন। তখন তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলছিলেন। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সময়মতো না আসায় চিকিৎসা না পেয়ে তিনি মারা যান। চিকিৎসক হাসপাতালে না থাকার ভিডিও আমার কাছে আছে। কোথাও অভিযোগ করে আমার রোগী ফেরত আসবে না, আমি আল্লার কাছে এই বিচার দিয়ে গেলাম।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সুমাইয়া তৃষা বলেন, দুপুরের খাবারের জন্য আমি বাহিরে ছিলাম। জরুরি বিভাগের স্যাকমোর (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) ফোন পেয়ে দ্রুত এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। সেই সময় জরুরী বিভাগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ নিজেই দায়িত্বে ছিলেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, জরুরী বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে হইচই করছিল বলে হাসপাতাল থেকে খবর পাই। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, আমি নিজে গিয়ে রোগীটিকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। এ নিহতের স্বজনরা লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন মুঠুফোনে বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ