ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

দোয়ারাবাজারে ফেক আইডির তাণ্ডব অপপ্রচারে বিপন্ন জনজীবন, দিশেহারা ভুক্তভোগীরা

দোয়ারাবাজারে ফেক আইডির তাণ্ডব অপপ্রচারে বিপন্ন জনজীবন, দিশেহারা ভুক্তভোগীরা

দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তরে ১০ টাকায় পন্য  পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগের স্পিড পোস্ট সেবা।

দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তরে ১০ টাকায় পন্য পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগের স্পিড পোস্ট সেবা।

অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা

অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা

নওগাঁয় হঠাৎ চালের বাজারে আগুন

নওগাঁয় হঠাৎ চালের বাজারে আগুন

কালিয়াকৈরে মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) ফেলে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ: অভিযুক্ত 'লিটার কাসেম'-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কালিয়াকৈরে মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) ফেলে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ: অভিযুক্ত 'লিটার কাসেম'-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

নড়াইলে ‎জুলাইযোদ্ধাদের হত্যার হুমকিদাতার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের মিছিল

নড়াইলে ‎জুলাইযোদ্ধাদের হত্যার হুমকিদাতার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের মিছিল

কালিয়াকৈরে চাঁদা না পেয়ে আলম সিকদারসহ তাঁর পরিবারকে মারধর ও ৫ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ

কালিয়াকৈরে চাঁদা না পেয়ে আলম সিকদারসহ তাঁর পরিবারকে মারধর ও ৫ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ

পশ্চিম বর্ধমান থেকে স্পেশাল ট্রাক ফোর্স- এস টি এফ- মহম্মদের সন্দেহভাজন  সদস্যকে গ্রেফতার করলো।।

পশ্চিম বর্ধমান থেকে স্পেশাল ট্রাক ফোর্স- এস টি এফ- মহম্মদের সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করলো।।

আক্কেলপুরে ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

জয়পুরহাট সংবাদদাতা:মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বুকে ব্যাথা নিয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন জোসনা আরা নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তবে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

মৃত জোসনা আরা (৬৫) পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী এবং মিঠাপুর বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, জোসনা আরা জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসার সময়ে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। পরে সেখানে দায়িত্বরত একজন সহকারী জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা  মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন দেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হয়। এসময় তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজন এসে দ্রুত স্যালাইন, ইনজেকশন দেওয়া শুরু করে। এর কিছু পরেই জোসনা আরা মৃত্যু বরণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন ডা. সুমাইয়া তৃষা। তিনি দুপুরের খাবারের জন্য বাহিরে অবস্থান করছিলেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ওই রোগীকে দেখেন।নিহতের মেয়ের জামাই হোসেন আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বাশুড়ি বুকে ব্যথা নিয়ে আক্কেলপুর হাসপাতালে এসেছিলেন। তখন তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলছিলেন। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সময়মতো না আসায় চিকিৎসা না পেয়ে তিনি মারা যান। চিকিৎসক হাসপাতালে না থাকার ভিডিও আমার কাছে আছে। কোথাও অভিযোগ করে আমার রোগী ফেরত আসবে না, আমি আল্লার কাছে এই বিচার দিয়ে গেলাম।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সুমাইয়া তৃষা বলেন, দুপুরের খাবারের জন্য আমি বাহিরে ছিলাম। জরুরি বিভাগের স্যাকমোর (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) ফোন পেয়ে দ্রুত এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। সেই সময় জরুরী বিভাগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ নিজেই দায়িত্বে ছিলেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, জরুরী বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে হইচই করছিল বলে হাসপাতাল থেকে খবর পাই। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, আমি নিজে গিয়ে রোগীটিকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। এ নিহতের স্বজনরা লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন মুঠুফোনে বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


আক্কেলপুরে ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আক্কেলপুরে  ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

জয়পুরহাট সংবাদদাতা:মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বুকে ব্যাথা নিয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন জোসনা আরা নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তবে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

মৃত জোসনা আরা (৬৫) পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী এবং মিঠাপুর বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, জোসনা আরা জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসার সময়ে হাসপাতালে কোন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। পরে সেখানে দায়িত্বরত একজন সহকারী জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা  মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন দেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হয়। এসময় তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজন এসে দ্রুত স্যালাইন, ইনজেকশন দেওয়া শুরু করে। এর কিছু পরেই জোসনা আরা মৃত্যু বরণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন ডা. সুমাইয়া তৃষা। তিনি দুপুরের খাবারের জন্য বাহিরে অবস্থান করছিলেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ওই রোগীকে দেখেন।নিহতের মেয়ের জামাই হোসেন আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বাশুড়ি বুকে ব্যথা নিয়ে আক্কেলপুর হাসপাতালে এসেছিলেন। তখন তিনি স্পষ্টভাবে কথা বলছিলেন। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সময়মতো না আসায় চিকিৎসা না পেয়ে তিনি মারা যান। চিকিৎসক হাসপাতালে না থাকার ভিডিও আমার কাছে আছে। কোথাও অভিযোগ করে আমার রোগী ফেরত আসবে না, আমি আল্লার কাছে এই বিচার দিয়ে গেলাম।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সুমাইয়া তৃষা বলেন, দুপুরের খাবারের জন্য আমি বাহিরে ছিলাম। জরুরি বিভাগের স্যাকমোর (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) ফোন পেয়ে দ্রুত এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাই। সেই সময় জরুরী বিভাগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ নিজেই দায়িত্বে ছিলেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, জরুরী বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে হইচই করছিল বলে হাসপাতাল থেকে খবর পাই। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, আমি নিজে গিয়ে রোগীটিকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। এ নিহতের স্বজনরা লিখিত অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন মুঠুফোনে বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ