মানিকগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মোঃ সুরুজ মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ।
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি। মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরুয়া ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়ার বিরুদ্ধে গত ১০ই মার্চ জাতীয় দৈনিক প্রত্রিকা ও অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় সরকারি টয়লেট ও রাস্তা প্রকল্পের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার এবং ইউপি সদস্যের নিকট থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন বলে সরজমিনে তদন্তসাপেক্ষে জানাজায়। এ বিষয়ে আরুয়া ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়া বলেন,
একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
উক্ত সংবাদের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদে উল্লেখিত আরুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ সোহেলা কর্তৃক ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্ত বক্তব্য এবং হালিমা বেগম নামে এক নারীর অভিযোগ—সবই সম্পূর্ণ অসত্য, মনগড়া ও বাস্তবতার সাথে কোনো মিল নেই। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এ ধরনের কোনো ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায়, সম্মানহানির দায়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্যরা বলেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদে যে অভিযোগগুলো উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তারা জানান, স্থানীয়ভাবে এমন কোনো ঘটনা তাদের জানা নেই এবং বিষয়টি সম্পূর্ণ মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন। ইউপি সদস্যরা আরও বলেন, একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের যাচাই-বাছাইবিহীন সংবাদ প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এতে সামাজিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তারা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
মানিকগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মোঃ সুরুজ মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ।
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি। মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরুয়া ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়ার বিরুদ্ধে গত ১০ই মার্চ জাতীয় দৈনিক প্রত্রিকা ও অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় সরকারি টয়লেট ও রাস্তা প্রকল্পের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার এবং ইউপি সদস্যের নিকট থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন বলে সরজমিনে তদন্তসাপেক্ষে জানাজায়। এ বিষয়ে আরুয়া ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়া বলেন,
একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
উক্ত সংবাদের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদে উল্লেখিত আরুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ সোহেলা কর্তৃক ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্ত বক্তব্য এবং হালিমা বেগম নামে এক নারীর অভিযোগ—সবই সম্পূর্ণ অসত্য, মনগড়া ও বাস্তবতার সাথে কোনো মিল নেই। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এ ধরনের কোনো ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায়, সম্মানহানির দায়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্যরা বলেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদে যে অভিযোগগুলো উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তারা জানান, স্থানীয়ভাবে এমন কোনো ঘটনা তাদের জানা নেই এবং বিষয়টি সম্পূর্ণ মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন। ইউপি সদস্যরা আরও বলেন, একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের যাচাই-বাছাইবিহীন সংবাদ প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এতে সামাজিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তারা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন