গাইবান্ধায় সংস্কৃতির বন্ধনে নতুন প্রজন্ম: এনএফটি মডেল স্কুলে পান্তা-ইলিশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন:গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। এই দিনটি কেবল একটি বর্ষবরণের অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও শেকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযুক্ত হওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ। এমন প্রেক্ষাপটে গাইবান্ধা জেলার দারিয়াপুর বটতলায় অবস্থিত এনএফটি মডেল স্কুলের আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
পান্তা ভাত, ভর্তা ও ইলিশ মাছের সমাহারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে গ্রামীণ জীবনধারা ও বাঙালির সরলতা-নির্ভর খাদ্য ঐতিহ্যের একটি জীবন্ত চিত্র।
রঙিন বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃতিচর্চার ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ ফিরোজ কবীরের উপস্থিতি ও তত্ত্বাবধানে এমন একটি সুপরিকল্পিত আয়োজন প্রমাণ করে, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের চর্চাও এর অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বিশেষ করে খাবারের মান ও আয়োজনের প্রশংসা প্রমাণ করে যে, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ থাকলে স্বল্প পরিসরেও মানসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব।
বর্তমান সময়ে যখন আধুনিকতার চাপে অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তখন এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাইবান্ধার এনএফটি মডেল স্কুলের এই আয়োজন অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।
সব মিলিয়ে, পহেলা বৈশাখের এই আয়োজন কেবল একটি উৎসব উদযাপন নয়; এটি ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার এক প্রশংসনীয় প্রয়াস।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধায় সংস্কৃতির বন্ধনে নতুন প্রজন্ম: এনএফটি মডেল স্কুলে পান্তা-ইলিশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন:গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। এই দিনটি কেবল একটি বর্ষবরণের অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও শেকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযুক্ত হওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ। এমন প্রেক্ষাপটে গাইবান্ধা জেলার দারিয়াপুর বটতলায় অবস্থিত এনএফটি মডেল স্কুলের আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
পান্তা ভাত, ভর্তা ও ইলিশ মাছের সমাহারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে গ্রামীণ জীবনধারা ও বাঙালির সরলতা-নির্ভর খাদ্য ঐতিহ্যের একটি জীবন্ত চিত্র।
রঙিন বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃতিচর্চার ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোঃ ফিরোজ কবীরের উপস্থিতি ও তত্ত্বাবধানে এমন একটি সুপরিকল্পিত আয়োজন প্রমাণ করে, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের চর্চাও এর অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বিশেষ করে খাবারের মান ও আয়োজনের প্রশংসা প্রমাণ করে যে, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ থাকলে স্বল্প পরিসরেও মানসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব।
বর্তমান সময়ে যখন আধুনিকতার চাপে অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তখন এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাইবান্ধার এনএফটি মডেল স্কুলের এই আয়োজন অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।
সব মিলিয়ে, পহেলা বৈশাখের এই আয়োজন কেবল একটি উৎসব উদযাপন নয়; এটি ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার এক প্রশংসনীয় প্রয়াস।

আপনার মতামত লিখুন