একটির পর একটি বিতর্ক: মণিরামপুরে তিন স্কুলে অশ্লীল নৃত্যের ভিডিও ভাইরাল!
আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর): যশোরের মণিরামপুরে মহান স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনে "পাপী পাপী" ডিজে গানের অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী, ২০২৬ইং সালের মাধ্যমিক পর্যায়ের আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের বেহায়াপনা অঙ্গভঙ্গীতে "কুতকুতি মাইয়া" গানের তালে কুরুচিপূর্ণ দেহ দুলিয়ে বেশামাল নাচের ৩টি আলাদা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্য ভাইরাল হয়েছে। যা রিতিমতো জেলার গন্ডি পেরিয়ে দেশ ছাড়িয় অনলাইনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ ৩ টি ভিডিও ফেইসবুক আইডি হতে বিভিন্ন সাংবাদ মাধমে ভিডিও নিউজ হিসাবে প্রচার প্রচারনায় দেশব্যাপী আলোচিত এ ঘঠনায় উপজেলা ব্যাপী বয়ে চলেছে সমালোচনার ঝড়। পোস্ট শেয়ারের লাইক কমেন্টসে উপজেলাব্যাপী ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের ব্যাক্তিবর্গ।
মণিরামপুর উপজেলার মধুপুর-বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়,শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বালিয়াডাংগা খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আলোচিত ভাইরাল হওয়া আলাদা আলাদা ৩টি ভিডিওতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নবিদ্ধ অসামাজিক কার্যকলাপের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের একই রকম দায়সারা বক্তব্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে গোটা শিক্ষা ব্যাবস্থা। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর তথ্য মোতাবেক,মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ই উদযাপনে উপজেলার মধুপুর-বাহাদুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ৩১শে মার্চ দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের পর সন্ধার পরপরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অভিযোগ উঠেছে ঐ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাইরে থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল বিভিন্ন নৃত্য শিল্পীদের। উপস্থিত অভিভাবক,শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সামনে আগত নৃত্য শিল্পীরা মঞ্চে অর্ধ নগ্ন শরীরে "পাপী পাপী "ডিজে গানে নৃত্য পরিবেশন করলে স্থানীয় সুধীমহল আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারপরও অশ্লীল নৃত্য বন্ধ না হলে স্থানীয় সচেতন মহল থানা পুলিশকে অবগত করলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সে অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে যায়। তবে ঐ অনুষ্ঠানের কয়েকটি ভিডিও স্থানীয়রা সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিলে মুহূর্তে সে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে নানা রকম সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঐ নগ্ন ভিডিও শেয়ার করে সৃথানীয় সচেতন মহলের কয়েকজন এর সঠিক ব্যবস্থার দাবী জানান। এ ঘঠনা জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মোঃ মহাসিন হোসেন দাবী করেন,তিনি কিছুই জানেন না।কোন পত্রিকায় এ প্রতিবেদক কর্মরত সে বিষয়ে তিনি একাধিক বার জিঙ্গাসা করে বলেন,এর আয়োজন কারা করেছে সে বিষয়ে আপনারা এসে তদারকি করে যান।
এ দিকে উপজেলার শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আসন্ন ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে কুতকুতি মাইয়া শিরোনামের ডিজে গানে ছেলে-মেয়েদের টানাটানির বেহয়াপনার কয়েকটি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় আরেক সমালোনার জন্ম দিয়েছে। এ সমস্ত ভিডিও ইতিমধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী সহ স্থানীয়রা স্ব স্ব ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করে সেখানেই ঐ প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষার্থে দায়িত্বশীল শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার সঠিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। এ ঘঠনায় অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল কাদের দায় এড়িয়ে জানান, আমরা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম না। যা হয়েছে এটা স্বাভাবিক বলে তিনি দাবী করেন। অথচ,বিগত দিনে শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক মোঃ এনামুল হকের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগ থাকলেও সে সময় একই ভাবে প্রধান শিক্ষক দায় এড়িয়ে সে সময়ও বিষয়টি স্বাভিক দেখতে বলেছিলেন।
স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে এহেন অসামাজিক কার্যকলাপকে অসুস্থ্য শিক্ষা ব্যবস্থা বলে আক্ষায়িত করে দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
বিতর্কে জড়িয়েছে উপজেলার বালিয়াডাংগা-খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অভিযোগ উঠেছে,আসন্ন এসএসসি বিদায়ী শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলের পরপরই মঞ্চে শুরু হয় অসভ্য উন্মাদন। যে উন্মাদনায় শিক্ষার্থীদের ডিজে গানে উচ্ছৃঙ্খলতা শিক্ষা ব্যবস্থার চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে,একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হিন্দি ডিজে গানে মঞ্চ কাপিয়ে তুলছে।
বেহায়াপনা চরম আকার ধারন করে ঐ সমস্ত যুবকেরা মঞ্চের ব্যানারে পা দিয়ে সজোরে লাথি দিয়ে ব্যানার সহ নিচে পড়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্চে! পরপরই আরেক দল মেয়েরা খোলা মঞ্চে বিভিন্ন ভঙ্গিতে নাচানাচি করছে। এ বিষয়ে অন্য ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মতো অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ তুহিন হোসেন জানালেন,আমি এসব কিছুই জানিনা। আমি ১০ মিঃ এর জন্য বাইরে গেছিলাম এসে দেখি বাইরের কয়েকজন যুবক এসে সব তচনচ করে ফেলেছে।
উপজেলায় কয়েক দিনের ব্যবধানে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও সমাজ বিরোধী এহেন কর্মকান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষা ব্যাবস্থা দিন গেলেই অধপতনের দিকে পতিত হচ্ছে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল।
সার্বিক বিষয়ে কথা হলে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
একটির পর একটি বিতর্ক: মণিরামপুরে তিন স্কুলে অশ্লীল নৃত্যের ভিডিও ভাইরাল!
আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর): যশোরের মণিরামপুরে মহান স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনে "পাপী পাপী" ডিজে গানের অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী, ২০২৬ইং সালের মাধ্যমিক পর্যায়ের আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের বেহায়াপনা অঙ্গভঙ্গীতে "কুতকুতি মাইয়া" গানের তালে কুরুচিপূর্ণ দেহ দুলিয়ে বেশামাল নাচের ৩টি আলাদা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্য ভাইরাল হয়েছে। যা রিতিমতো জেলার গন্ডি পেরিয়ে দেশ ছাড়িয় অনলাইনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ ৩ টি ভিডিও ফেইসবুক আইডি হতে বিভিন্ন সাংবাদ মাধমে ভিডিও নিউজ হিসাবে প্রচার প্রচারনায় দেশব্যাপী আলোচিত এ ঘঠনায় উপজেলা ব্যাপী বয়ে চলেছে সমালোচনার ঝড়। পোস্ট শেয়ারের লাইক কমেন্টসে উপজেলাব্যাপী ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের ব্যাক্তিবর্গ।
মণিরামপুর উপজেলার মধুপুর-বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়,শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বালিয়াডাংগা খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আলোচিত ভাইরাল হওয়া আলাদা আলাদা ৩টি ভিডিওতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নবিদ্ধ অসামাজিক কার্যকলাপের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের একই রকম দায়সারা বক্তব্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে গোটা শিক্ষা ব্যাবস্থা। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর তথ্য মোতাবেক,মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ই উদযাপনে উপজেলার মধুপুর-বাহাদুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ৩১শে মার্চ দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের পর সন্ধার পরপরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অভিযোগ উঠেছে ঐ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাইরে থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল বিভিন্ন নৃত্য শিল্পীদের। উপস্থিত অভিভাবক,শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সামনে আগত নৃত্য শিল্পীরা মঞ্চে অর্ধ নগ্ন শরীরে "পাপী পাপী "ডিজে গানে নৃত্য পরিবেশন করলে স্থানীয় সুধীমহল আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারপরও অশ্লীল নৃত্য বন্ধ না হলে স্থানীয় সচেতন মহল থানা পুলিশকে অবগত করলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সে অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে যায়। তবে ঐ অনুষ্ঠানের কয়েকটি ভিডিও স্থানীয়রা সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিলে মুহূর্তে সে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে নানা রকম সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঐ নগ্ন ভিডিও শেয়ার করে সৃথানীয় সচেতন মহলের কয়েকজন এর সঠিক ব্যবস্থার দাবী জানান। এ ঘঠনা জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মোঃ মহাসিন হোসেন দাবী করেন,তিনি কিছুই জানেন না।কোন পত্রিকায় এ প্রতিবেদক কর্মরত সে বিষয়ে তিনি একাধিক বার জিঙ্গাসা করে বলেন,এর আয়োজন কারা করেছে সে বিষয়ে আপনারা এসে তদারকি করে যান।
এ দিকে উপজেলার শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আসন্ন ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে কুতকুতি মাইয়া শিরোনামের ডিজে গানে ছেলে-মেয়েদের টানাটানির বেহয়াপনার কয়েকটি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় আরেক সমালোনার জন্ম দিয়েছে। এ সমস্ত ভিডিও ইতিমধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী সহ স্থানীয়রা স্ব স্ব ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করে সেখানেই ঐ প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষার্থে দায়িত্বশীল শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার সঠিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। এ ঘঠনায় অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল কাদের দায় এড়িয়ে জানান, আমরা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম না। যা হয়েছে এটা স্বাভাবিক বলে তিনি দাবী করেন। অথচ,বিগত দিনে শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক মোঃ এনামুল হকের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগ থাকলেও সে সময় একই ভাবে প্রধান শিক্ষক দায় এড়িয়ে সে সময়ও বিষয়টি স্বাভিক দেখতে বলেছিলেন।
স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে এহেন অসামাজিক কার্যকলাপকে অসুস্থ্য শিক্ষা ব্যবস্থা বলে আক্ষায়িত করে দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
বিতর্কে জড়িয়েছে উপজেলার বালিয়াডাংগা-খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অভিযোগ উঠেছে,আসন্ন এসএসসি বিদায়ী শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলের পরপরই মঞ্চে শুরু হয় অসভ্য উন্মাদন। যে উন্মাদনায় শিক্ষার্থীদের ডিজে গানে উচ্ছৃঙ্খলতা শিক্ষা ব্যবস্থার চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে,একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হিন্দি ডিজে গানে মঞ্চ কাপিয়ে তুলছে।
বেহায়াপনা চরম আকার ধারন করে ঐ সমস্ত যুবকেরা মঞ্চের ব্যানারে পা দিয়ে সজোরে লাথি দিয়ে ব্যানার সহ নিচে পড়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্চে! পরপরই আরেক দল মেয়েরা খোলা মঞ্চে বিভিন্ন ভঙ্গিতে নাচানাচি করছে। এ বিষয়ে অন্য ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মতো অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ তুহিন হোসেন জানালেন,আমি এসব কিছুই জানিনা। আমি ১০ মিঃ এর জন্য বাইরে গেছিলাম এসে দেখি বাইরের কয়েকজন যুবক এসে সব তচনচ করে ফেলেছে।
উপজেলায় কয়েক দিনের ব্যবধানে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও সমাজ বিরোধী এহেন কর্মকান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষা ব্যাবস্থা দিন গেলেই অধপতনের দিকে পতিত হচ্ছে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল।
সার্বিক বিষয়ে কথা হলে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন