দীর্ঘ ৭ বছর পরে হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ!
এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ আশ্চর্য হলেও ঘটনা সত্য। দীর্ঘ ৭ বছর পরে অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিম ১৭ বছর বয়সী টগবগিয় তরুনী আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ।
থানাসূত্র ও মামলার তদন্তকারীর মাধ্যমে জানা গেছে, অপহরণ ও হত্যার মামলাটি গত ৭ বছর আগে ভোলাহাট থানায় মামলাটি করেন, উদ্ধারকৃত আয়েশা খাতুনের মা আদুরী বেগম। দীর্ঘ ৭ বছর পরে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ও বিশেষ ধরণের অভিযান চালিয়ে ঐ মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মোঃ কামাল উদ্দিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৩ মে ২০২৬ তারিখে রাজশাহী আলুপট্টি হতে ভোলাহাটে আসা বিআরটিসিতে ভিকটিম আয়েশাকে তদন্ত অফিসারের সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে ভোলাহাট বিআরটিসি কাউন্টার থেকে উদ্ধার করেন।
মামলার তদন্তকারী এসআই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মৃত বলে জানা অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিমকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করে আমি ও এলাকাবাসীসহ বিশেষ করে আয়েশার মা ও বাবা…মেয়েকে পেয়ে খুশি। এরপর মামলার কাগজপত্রাদীর কাজ শেষে বাদী মা আদুরী বেগম ও তার পরিবারের হাতে আয়েশাকে তুলে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ভোলাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক এর অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জানান, অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশাকে দীর্ঘ ৭ বছর পরে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি অত্যন্ত খুশি। সে সাথে আমি এ থানায় জয়েন্ট করেছি মাত্র কয়েকমাস। আমার জয়েন্টের পরে জ্বালানী তেলের চোরাচালানের সাড়ে ৮ হাজার লিটার তেলসহ একটি "লড়ি" ও ৬টি ভুটভুটি ও ভ্যান জব্দ করে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সামনে ঈদুল আজহা'কে সামনে রেখে গত রোববার (০৩ মে ২০২৬) থানায় সকল নাইটকোচ কাউন্টার মালিকগণকে ডেকে তাদের প্রতি সুনির্দিষ্ট মতামত বিনিময় ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে পবিত্র ঈদুল আজহায় এলাকার মানুষ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে তাদের ঈদ আনন্দ-বিনোদন করতে সমস্যায় পড়তে না হয়।
আয়েশার ঘটনার বিবরণে তিনি জানান, গত ৩১ মে ২০১৯ ইং তারিখে দুপুরের দিকে ভিকটিম মোছাঃ আয়েশা খাতুন (১৭) পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, মাতা- মোসাঃ আদুরী বেগম সাং-খালেআলমপুর, থানা ভোলাহাট, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সে বাবার বাড়ী হতে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে ভিকটিমকে না পাওয়ায় পরবর্তীতে ভিকটিমের মাতা আদরী বেগম বিজ্ঞ আদালতে একটি অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। সি আর মামলা নং ৯৫/২০২৩, ধারা-৩৬৪/৩০২/১০৯ পেনাল কোড। উক্ত মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের পর পুনরায় সি আর মামলা নম্বর ১৯৯/২০২৪(ভোলা) যা ভোলাহাট থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন তদন্তের পর ০৩ মে ২০২৬ ইং রাত প্রায় সোয়া ৮ টায় ভোলাহাট ঢাকা বাস স্ট্যান্ডে বিআরটিসি কাউন্টার সামনে থেকে উক্ত ভিকটিম আয়েশাকে উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে বলে ওসি জানান।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
দীর্ঘ ৭ বছর পরে হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ!
এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ আশ্চর্য হলেও ঘটনা সত্য। দীর্ঘ ৭ বছর পরে অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিম ১৭ বছর বয়সী টগবগিয় তরুনী আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ।
থানাসূত্র ও মামলার তদন্তকারীর মাধ্যমে জানা গেছে, অপহরণ ও হত্যার মামলাটি গত ৭ বছর আগে ভোলাহাট থানায় মামলাটি করেন, উদ্ধারকৃত আয়েশা খাতুনের মা আদুরী বেগম। দীর্ঘ ৭ বছর পরে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ও বিশেষ ধরণের অভিযান চালিয়ে ঐ মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মোঃ কামাল উদ্দিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৩ মে ২০২৬ তারিখে রাজশাহী আলুপট্টি হতে ভোলাহাটে আসা বিআরটিসিতে ভিকটিম আয়েশাকে তদন্ত অফিসারের সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে ভোলাহাট বিআরটিসি কাউন্টার থেকে উদ্ধার করেন।
মামলার তদন্তকারী এসআই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মৃত বলে জানা অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিমকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করে আমি ও এলাকাবাসীসহ বিশেষ করে আয়েশার মা ও বাবা…মেয়েকে পেয়ে খুশি। এরপর মামলার কাগজপত্রাদীর কাজ শেষে বাদী মা আদুরী বেগম ও তার পরিবারের হাতে আয়েশাকে তুলে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ভোলাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক এর অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জানান, অপহরণ ও হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশাকে দীর্ঘ ৭ বছর পরে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি অত্যন্ত খুশি। সে সাথে আমি এ থানায় জয়েন্ট করেছি মাত্র কয়েকমাস। আমার জয়েন্টের পরে জ্বালানী তেলের চোরাচালানের সাড়ে ৮ হাজার লিটার তেলসহ একটি "লড়ি" ও ৬টি ভুটভুটি ও ভ্যান জব্দ করে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সামনে ঈদুল আজহা'কে সামনে রেখে গত রোববার (০৩ মে ২০২৬) থানায় সকল নাইটকোচ কাউন্টার মালিকগণকে ডেকে তাদের প্রতি সুনির্দিষ্ট মতামত বিনিময় ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে পবিত্র ঈদুল আজহায় এলাকার মানুষ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে তাদের ঈদ আনন্দ-বিনোদন করতে সমস্যায় পড়তে না হয়।
আয়েশার ঘটনার বিবরণে তিনি জানান, গত ৩১ মে ২০১৯ ইং তারিখে দুপুরের দিকে ভিকটিম মোছাঃ আয়েশা খাতুন (১৭) পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, মাতা- মোসাঃ আদুরী বেগম সাং-খালেআলমপুর, থানা ভোলাহাট, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সে বাবার বাড়ী হতে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে ভিকটিমকে না পাওয়ায় পরবর্তীতে ভিকটিমের মাতা আদরী বেগম বিজ্ঞ আদালতে একটি অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। সি আর মামলা নং ৯৫/২০২৩, ধারা-৩৬৪/৩০২/১০৯ পেনাল কোড। উক্ত মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের পর পুনরায় সি আর মামলা নম্বর ১৯৯/২০২৪(ভোলা) যা ভোলাহাট থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন তদন্তের পর ০৩ মে ২০২৬ ইং রাত প্রায় সোয়া ৮ টায় ভোলাহাট ঢাকা বাস স্ট্যান্ডে বিআরটিসি কাউন্টার সামনে থেকে উক্ত ভিকটিম আয়েশাকে উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে বলে ওসি জানান।

আপনার মতামত লিখুন