কিশোরীকে লাগাতার চার বছর ধর্ষণ! দুইবার গর্ভপাত
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ভাটিবাড়েরা এলাকায় এক শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘ চার বছর যাবৎ লাগাতার ধর্ষণ ও দুইবার গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মিলন মিয়ার ছেলে মোঃ মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে।
ধর্ষিতা কিশোরী জানান, মামুন মিয়া আমার প্রতিবেশী চাচা ভাই, সে প্রতিনিয়ত আমাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিলো, আমার বয়স যখন ১০ বছর তখন থেকে সে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, আমি বাঁধা দিলে মামুন বলে, তোমার সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে, আমরা স্বামী স্ত্রী, পরবতীর্তে আমার পেটে দুই দুই বার সন্তান আসে, প্রথম বার দুইটি ট্যাবলেট খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছে, পরবতীর্তে আরেকটি সন্তান গর্ভে আসলে দু’টি ট্যাবলেট খাইয়ে আবারও সন্তান নষ্ট করে, পরে বিষয়টি আমার পরিবারকে জানাই, বর্তমানে সে এক মাস যাবৎ আমাদের বাড়িতে আর আসে না, দু’টি সন্তান নষ্ট করার সময় আমাকে ট্যাবলেট এনে দেয় মামুনের মা, এ সময় মামুনের মা আমাকে বলে বিষয়টি কেউ যেনো জানতে না পারে।
ভূক্তভোগীর মা জানান, মামুন আমার প্রতিবেশী ভাসুরের ছেলে, তাকে আমি সন্তানের মত দেখি, ছোট বেলা থেকেই আমাদের বাড়িতে তার যাতায়াত, আমাদের আড়াঁলে আমার শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে এমন সর্বনাশ করবে তা আমি কখনোই কল্পনাই করিনী, আমি বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি, আমার বিশ্বাস প্রশাসনের কাছে আমি ন্যায় বিচার পাবো, স্থানীয়রা প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনাটি খুবই নেক্কারজনক, একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরীর এমন সর্বনাশী কাজ এটা মেনে নেওয়া যায় না, আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান - লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
কিশোরীকে লাগাতার চার বছর ধর্ষণ! দুইবার গর্ভপাত
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ভাটিবাড়েরা এলাকায় এক শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘ চার বছর যাবৎ লাগাতার ধর্ষণ ও দুইবার গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মিলন মিয়ার ছেলে মোঃ মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে।
ধর্ষিতা কিশোরী জানান, মামুন মিয়া আমার প্রতিবেশী চাচা ভাই, সে প্রতিনিয়ত আমাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিলো, আমার বয়স যখন ১০ বছর তখন থেকে সে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, আমি বাঁধা দিলে মামুন বলে, তোমার সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে, আমরা স্বামী স্ত্রী, পরবতীর্তে আমার পেটে দুই দুই বার সন্তান আসে, প্রথম বার দুইটি ট্যাবলেট খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছে, পরবতীর্তে আরেকটি সন্তান গর্ভে আসলে দু’টি ট্যাবলেট খাইয়ে আবারও সন্তান নষ্ট করে, পরে বিষয়টি আমার পরিবারকে জানাই, বর্তমানে সে এক মাস যাবৎ আমাদের বাড়িতে আর আসে না, দু’টি সন্তান নষ্ট করার সময় আমাকে ট্যাবলেট এনে দেয় মামুনের মা, এ সময় মামুনের মা আমাকে বলে বিষয়টি কেউ যেনো জানতে না পারে।
ভূক্তভোগীর মা জানান, মামুন আমার প্রতিবেশী ভাসুরের ছেলে, তাকে আমি সন্তানের মত দেখি, ছোট বেলা থেকেই আমাদের বাড়িতে তার যাতায়াত, আমাদের আড়াঁলে আমার শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে এমন সর্বনাশ করবে তা আমি কখনোই কল্পনাই করিনী, আমি বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি, আমার বিশ্বাস প্রশাসনের কাছে আমি ন্যায় বিচার পাবো, স্থানীয়রা প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনাটি খুবই নেক্কারজনক, একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিশোরীর এমন সর্বনাশী কাজ এটা মেনে নেওয়া যায় না, আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান - লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন