ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে লিচুর বাম্পার ফলন
তানভীর ভুইয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন বাগানে গাছে গাছে ঝুলছে সুস্বাদু ও রসালো লিচু। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ বছর লিচুর উৎপাদন নিয়ে বেশ আশাবাদী চাষিরা।
উপজেলার পাহাড়পুর, বিষ্ণুপুর, পত্তন ও সিংগারবিল ইউনিয়নে মোট ৬৪০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ৭৮০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
এ অঞ্চলে উৎপাদিত জনপ্রিয় লিচুর জাতের মধ্যে রয়েছে মুম্বাই, পাটনাই, চায়না-২ ও চায়না-৩। এসব লিচুর স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
বিজয়নগরে বাণিজ্যিকভাবে লিচুর চাষ শুরু হয় প্রায় দেড়যুগ আগে। ওই সময়েই শৌখিন কিছু মানুষ বাড়ির আঙিনায় লিচুর চাষ শুরু করেন। অন্য ফল-ফসলের তুলনায় বেশি লাভ হওয়ায় চাষিরা তখন ঝুঁকতে থাকেন লিচু চাষের দিকে। তৈরি হতে থাকে লিচুর বাগান। বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশ থেকে শুরু করে মাঠে ময়দানে ছড়িয়ে পড়ে লিচুর চাষ।
লিচু চাষিরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। বাজারদর ভালো থাকলে লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন তারা।
বিজয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জিয়াউল ইসলাম জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার লিচুর উৎপাদন বেড়েছে। কৃষকদের সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে লিচুর বাম্পার ফলন
তানভীর ভুইয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন বাগানে গাছে গাছে ঝুলছে সুস্বাদু ও রসালো লিচু। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ বছর লিচুর উৎপাদন নিয়ে বেশ আশাবাদী চাষিরা।
উপজেলার পাহাড়পুর, বিষ্ণুপুর, পত্তন ও সিংগারবিল ইউনিয়নে মোট ৬৪০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ৭৮০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
এ অঞ্চলে উৎপাদিত জনপ্রিয় লিচুর জাতের মধ্যে রয়েছে মুম্বাই, পাটনাই, চায়না-২ ও চায়না-৩। এসব লিচুর স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
বিজয়নগরে বাণিজ্যিকভাবে লিচুর চাষ শুরু হয় প্রায় দেড়যুগ আগে। ওই সময়েই শৌখিন কিছু মানুষ বাড়ির আঙিনায় লিচুর চাষ শুরু করেন। অন্য ফল-ফসলের তুলনায় বেশি লাভ হওয়ায় চাষিরা তখন ঝুঁকতে থাকেন লিচু চাষের দিকে। তৈরি হতে থাকে লিচুর বাগান। বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশ থেকে শুরু করে মাঠে ময়দানে ছড়িয়ে পড়ে লিচুর চাষ।
লিচু চাষিরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। বাজারদর ভালো থাকলে লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন তারা।
বিজয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জিয়াউল ইসলাম জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার লিচুর উৎপাদন বেড়েছে। কৃষকদের সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন