যে দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, সে দেশে সরকার থাকার কী দরকার?
মোঃ খাত্তাব হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষ রাষ্ট্র গঠন করেছে নিজেদের নিরাপত্তা, অধিকার ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার জন্য। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নাগরিকের জানমাল রক্ষা করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু যখন মানুষ নিজ দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—“যে দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, সে দেশে সরকার থাকার কী দরকার?”
বর্তমান সময়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তাহীনতার চিত্র উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। হত্যা, ছিনতাই, ধর্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা, কিশোর গ্যাং, মাদক ও নানা ধরনের সহিংসতার ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। অনেক সময় দেখা যায়, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার বা যথাযথ সহায়তা পান না। এতে মানুষের রাষ্ট্র ও প্রশাসনের প্রতি আস্থা কমে যায়।
নাগরিকরা কর দেয়, আইন মেনে চলে এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করে এই আশায় যে সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু যখন মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরে আসার নিশ্চয়তা পায় না, তখন হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে নারী, শিশু ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকলে তা পুরো সমাজের জন্য অশনি সংকেত হয়ে দাঁড়ায়।
তবে শুধু সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। সমাজের প্রতিটি মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা, দ্রুত বিচার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং সামাজিক সচেতনতা—সবকিছু একসাথে কাজ করলেই প্রকৃত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা একটাই—মানুষ যেন ভয় নয়, নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচতে পারে। কারণ একটি রাষ্ট্রের শক্তি শুধু উন্নয়ন বা বড় বড় প্রকল্পে নয়; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনের মধ্যেই প্রকৃত সফলতা নিহিত।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
যে দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, সে দেশে সরকার থাকার কী দরকার?
মোঃ খাত্তাব হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষ রাষ্ট্র গঠন করেছে নিজেদের নিরাপত্তা, অধিকার ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার জন্য। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নাগরিকের জানমাল রক্ষা করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু যখন মানুষ নিজ দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—“যে দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, সে দেশে সরকার থাকার কী দরকার?”
বর্তমান সময়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তাহীনতার চিত্র উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। হত্যা, ছিনতাই, ধর্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা, কিশোর গ্যাং, মাদক ও নানা ধরনের সহিংসতার ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। অনেক সময় দেখা যায়, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার বা যথাযথ সহায়তা পান না। এতে মানুষের রাষ্ট্র ও প্রশাসনের প্রতি আস্থা কমে যায়।
নাগরিকরা কর দেয়, আইন মেনে চলে এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করে এই আশায় যে সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু যখন মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরে আসার নিশ্চয়তা পায় না, তখন হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে নারী, শিশু ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকলে তা পুরো সমাজের জন্য অশনি সংকেত হয়ে দাঁড়ায়।
তবে শুধু সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। সমাজের প্রতিটি মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা, দ্রুত বিচার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং সামাজিক সচেতনতা—সবকিছু একসাথে কাজ করলেই প্রকৃত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা একটাই—মানুষ যেন ভয় নয়, নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচতে পারে। কারণ একটি রাষ্ট্রের শক্তি শুধু উন্নয়ন বা বড় বড় প্রকল্পে নয়; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনের মধ্যেই প্রকৃত সফলতা নিহিত।

আপনার মতামত লিখুন