নবীগঞ্জে কৃষক সমসু মিয়াকে নির্মমভাবে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করে বাদী বিপাকে বাদীর পরিবর!
নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের রাইয়াপুর গ্রামের একটি খাল বেসরকারিভাবে লিজ নিয়ে কৃষক সমসু মিয়াকে নির্মমভাবে হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছেন বাদী পরিবার!
অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামীরা ও তাদের লোকজন কর্তৃক বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। এ ঘটনায় গত (১৯ মে) ২০২৬ ইং তারিখে আহত সমসু মিয়ার ভাই ও মামলার বাদী নজির মিয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন৷ তিনি উক্ত সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গত ১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সন্ধ্যারাতে মামলার বাদী রাইয়াপুর গ্রামের নজির মিয়ার বড় ভাই ৫ সন্তানের জনক কৃষক সমসু মিয়াকে গ্রামের একটি খাল লিজ গ্রহন নিয়ে বিরোধের জেরধরে একই গ্রামের মৃত আলতা মিয়ার পুত্র জুবেদ মিয়া, মৃত ইন্তাজ মিয়ার পুত্র আব্দুল মালিক, কনা দরজির পুত্র ইমদাদুল মিয়া সহ তাদের লোকজন অমানুষিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন একপর্যায়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সমসু মিয়াকে রাস্তার পাশে ফেলে যায়৷ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এ হামলার ঘটনায় আসামীগণের বিরুদ্ধে গত ১ জানুয়ারী ২০২৬ইংরেজী তারিখে। নবীগঞ্জ থানার ২নং একটি দায়ের করা হয়। মামলার ধারা ১৪৩/ ৩৪১/আ৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৫/ ৩২৬/ ৩০৭/৩৭৯/ ১১৪/ ৫০৬/ ৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ দায়ের করেন৷ উক্ত মামলায় আসামীগণ হাজতবাস শেষে জামিনে এসে বাদীর পরিবারের লোকজনকে মামলা তুলে আনার জন্য নানান ভাবে চাপ-সৃষ্টি করিতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে ২০২৬ ইং তারিখ বিকাল অনুমান সাড়ে ৫টায় আসামীদের বাড়ির সামনে বাদী নজির মিয়ার দেখা হলে আসামীগণ ও একই গ্রামের আতাউর রহমান হুমকি দিয়ে বলেন, দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে হবে এটা আপোষের মাধ্যমে মিমাংশা করে দেব। আর যদি মামলা না তুললে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাদী ও তার পরিবারকে দেখে নেয়ার সরাসরি হুমকি দেন প্রভাবশালীরা৷ এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে বাদী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার চেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ করা হয়৷ এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল ২১ মে দুপুরে নবীগঞ্জ থানার
এ এস,আই সেলিম আহমেদ তার সঙ্গীয় পোর্স নিয়ে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে তদন্তকালে দারোগার সামনেই বাদী সহ তার অসুস্থ পঙ্গু ভাই সমছু মিয়াকে হামলার চেষ্টা করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন।
মামলার আসামী আব্দুল মালিক সহ তার লোকজন প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে ধাওয়া করে। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে সামসু মিয়া ৯৯৯ এ কল দিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে উপস্থিত নবীগঞ্জ থানার এএসআই সেলিম আহমেদের প্রচেষ্টায়
অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান বলে সামসু মিয়া জানান৷ যিনি এই আসামীগণ কর্তৃক নির্মম হামলার কারণে দীর্ঘ ৩ মাস ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখনো শঙ্কা মুক্ত হননি তিনি।
এ ব্যাপারে এ এস আই সেলিম আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তে গেলে কিছু হট্টগোল হয়ই। তবে, বড় ধরনের কিছু ঘটেনি বলেও জানান তিনি৷
অপরদিকে অভিযুক্ত আব্দুল মালিকের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বাকি অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বাদীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন৷ এ নিয়ে গ্রামে আবারো টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে৷ উক্ত ঘটনায় প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন অসহায় পরিবার লোকজন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
নবীগঞ্জে কৃষক সমসু মিয়াকে নির্মমভাবে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করে বাদী বিপাকে বাদীর পরিবর!
নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের রাইয়াপুর গ্রামের একটি খাল বেসরকারিভাবে লিজ নিয়ে কৃষক সমসু মিয়াকে নির্মমভাবে হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছেন বাদী পরিবার!
অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামীরা ও তাদের লোকজন কর্তৃক বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। এ ঘটনায় গত (১৯ মে) ২০২৬ ইং তারিখে আহত সমসু মিয়ার ভাই ও মামলার বাদী নজির মিয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন৷ তিনি উক্ত সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গত ১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সন্ধ্যারাতে মামলার বাদী রাইয়াপুর গ্রামের নজির মিয়ার বড় ভাই ৫ সন্তানের জনক কৃষক সমসু মিয়াকে গ্রামের একটি খাল লিজ গ্রহন নিয়ে বিরোধের জেরধরে একই গ্রামের মৃত আলতা মিয়ার পুত্র জুবেদ মিয়া, মৃত ইন্তাজ মিয়ার পুত্র আব্দুল মালিক, কনা দরজির পুত্র ইমদাদুল মিয়া সহ তাদের লোকজন অমানুষিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন একপর্যায়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সমসু মিয়াকে রাস্তার পাশে ফেলে যায়৷ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এ হামলার ঘটনায় আসামীগণের বিরুদ্ধে গত ১ জানুয়ারী ২০২৬ইংরেজী তারিখে। নবীগঞ্জ থানার ২নং একটি দায়ের করা হয়। মামলার ধারা ১৪৩/ ৩৪১/আ৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৫/ ৩২৬/ ৩০৭/৩৭৯/ ১১৪/ ৫০৬/ ৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ দায়ের করেন৷ উক্ত মামলায় আসামীগণ হাজতবাস শেষে জামিনে এসে বাদীর পরিবারের লোকজনকে মামলা তুলে আনার জন্য নানান ভাবে চাপ-সৃষ্টি করিতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে ২০২৬ ইং তারিখ বিকাল অনুমান সাড়ে ৫টায় আসামীদের বাড়ির সামনে বাদী নজির মিয়ার দেখা হলে আসামীগণ ও একই গ্রামের আতাউর রহমান হুমকি দিয়ে বলেন, দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে হবে এটা আপোষের মাধ্যমে মিমাংশা করে দেব। আর যদি মামলা না তুললে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাদী ও তার পরিবারকে দেখে নেয়ার সরাসরি হুমকি দেন প্রভাবশালীরা৷ এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে বাদী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার চেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ করা হয়৷ এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল ২১ মে দুপুরে নবীগঞ্জ থানার
এ এস,আই সেলিম আহমেদ তার সঙ্গীয় পোর্স নিয়ে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে তদন্তকালে দারোগার সামনেই বাদী সহ তার অসুস্থ পঙ্গু ভাই সমছু মিয়াকে হামলার চেষ্টা করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন।
মামলার আসামী আব্দুল মালিক সহ তার লোকজন প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে ধাওয়া করে। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে সামসু মিয়া ৯৯৯ এ কল দিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে উপস্থিত নবীগঞ্জ থানার এএসআই সেলিম আহমেদের প্রচেষ্টায়
অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান বলে সামসু মিয়া জানান৷ যিনি এই আসামীগণ কর্তৃক নির্মম হামলার কারণে দীর্ঘ ৩ মাস ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখনো শঙ্কা মুক্ত হননি তিনি।
এ ব্যাপারে এ এস আই সেলিম আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তে গেলে কিছু হট্টগোল হয়ই। তবে, বড় ধরনের কিছু ঘটেনি বলেও জানান তিনি৷
অপরদিকে অভিযুক্ত আব্দুল মালিকের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বাকি অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বাদীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন৷ এ নিয়ে গ্রামে আবারো টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে৷ উক্ত ঘটনায় প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন অসহায় পরিবার লোকজন।

আপনার মতামত লিখুন