ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

নিউ আলিপুর থানা ও কেন্দ্র বাহিনী সহ - স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্লাটে তল্লাশি।।

নিউ আলিপুর থানা ও কেন্দ্র বাহিনী সহ - স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্লাটে তল্লাশি।।

নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী মহেশখাল দখল করে দোকানঘর নির্মান

নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী মহেশখাল দখল করে দোকানঘর নির্মান

মহানন্দা ব্যাটেলিয়ন ৫৯ বিজিবির মাদকও চোরাচালান  বিরোধী অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ

মহানন্দা ব্যাটেলিয়ন ৫৯ বিজিবির মাদকও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ব্যবসার নামে বিনিয়োগের প্রলোভন, ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা

ব্যবসার নামে বিনিয়োগের প্রলোভন, ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা

নবীগঞ্জের এক প্রতারক ওসমানী নগরে গিয়ে ডিপটিউবয়েল দেয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পলায়ন! থানায় অভিযান দায়ের

নবীগঞ্জের এক প্রতারক ওসমানী নগরে গিয়ে ডিপটিউবয়েল দেয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পলায়ন! থানায় অভিযান দায়ের

ভোলায় বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর ​সভাপতি হাসান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক মামুন ও বাতেন

ভোলায় বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর ​সভাপতি হাসান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক মামুন ও বাতেন

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক। এ সময় তিনি সাংবাদিকের সাথে ‘অসৌজন্যমূলক’ আচরণ করেন। সোমবার (৮ জুন) ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, আগামীর সময় ও টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন ওই কর্মকর্তা। যার অডিও রেকর্ড এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।   

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাংবাদিক তামজিদ হাসান তুরাগ বলেন, সরকারিভাবে ধান সংগ্রহে নানা অনিয়ম নিয়ে কৃষকদের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে অনুসন্ধানে কৃষক ভোগান্তির বেশ কিছু সত্যতাও পাওয়া গেছে। এ নিয়ে কথা বলতে সোমবার দুপুরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে যাই। সেখানে তাকে না পেয়ে ফোন করি। ধান সংগ্রহ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাই বলতেই চটে যান। নিজেকে তিনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থাকা কর্মচারী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেন।’

তামজিদ বলেন, আমি তাকে বলি যে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, আমি সে বিষয়ে কথা বলতে চাই। এই কথা বলতেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আমাকে বলেন, “ আমার সাথে আলাপ করার কী আছে?  আমি কী আপনার চাকরি করি, না আপনি আমার চাকরি করেন! আপনার বিষয় থাকলে আপনারটা আপনি দেখবেন। এগুলা নিয়ে বিরক্ত করবেন না আমাকে।” এই বলে তিনি আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।’

‘ কৃষকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে খাদ্য বিভাগ নিয়মিত অনিয়ম আর প্রতারণা করে যাচ্ছে। কিন্তু এ নিয়ে তারা কোনও জবাব দিতে রাজি নন। যেন মগের মুল্লুক! একজন সরকারি কর্মচারী যদি সাংবাদিকের সাথে এমন আচরণ করার ধৃষ্টতা দেখান তাহলে কৃষকদের সাথে তার আচরণ কেমন তা সহজেই বোঝা যায়।’ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আচরণ নিয়ে যোগ করেন সাংবাদিক তামজিদ।

বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুড়িগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব ও এটিএন নিউজের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন লিটন। তিনি বলেন, ‘ একজন সরকারী কর্মচারীর এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অসদাচরণ করছেন। একজন গণমাধ্যমকর্মী প্রশ্ন করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়। জবাব দেওয়া না দেওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির এখতিয়ার। কিন্তু তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্থ হতে থাকবে।’

জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক বলেন, কাজের ব্যস্ততায় সারাদিন একই মুড থাকে না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতি ট্যাকেল দিতে হয়। আমার কথা হয়তো রূঢ় মনে হতে পারে। কিন্তু আমি খারাপ আচরণ করি নাই। এটা নিয়ে আপনারা মন খারাপ কইরেন না। উনি যে অভিযোগের কথা বলছে আমি পরে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছি। ’



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬


ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক। এ সময় তিনি সাংবাদিকের সাথে ‘অসৌজন্যমূলক’ আচরণ করেন। সোমবার (৮ জুন) ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, আগামীর সময় ও টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন ওই কর্মকর্তা। যার অডিও রেকর্ড এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।   

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাংবাদিক তামজিদ হাসান তুরাগ বলেন, সরকারিভাবে ধান সংগ্রহে নানা অনিয়ম নিয়ে কৃষকদের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে অনুসন্ধানে কৃষক ভোগান্তির বেশ কিছু সত্যতাও পাওয়া গেছে। এ নিয়ে কথা বলতে সোমবার দুপুরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে যাই। সেখানে তাকে না পেয়ে ফোন করি। ধান সংগ্রহ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাই বলতেই চটে যান। নিজেকে তিনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থাকা কর্মচারী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেন।’

তামজিদ বলেন, আমি তাকে বলি যে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, আমি সে বিষয়ে কথা বলতে চাই। এই কথা বলতেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আমাকে বলেন, “ আমার সাথে আলাপ করার কী আছে?  আমি কী আপনার চাকরি করি, না আপনি আমার চাকরি করেন! আপনার বিষয় থাকলে আপনারটা আপনি দেখবেন। এগুলা নিয়ে বিরক্ত করবেন না আমাকে।” এই বলে তিনি আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।’

‘ কৃষকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে খাদ্য বিভাগ নিয়মিত অনিয়ম আর প্রতারণা করে যাচ্ছে। কিন্তু এ নিয়ে তারা কোনও জবাব দিতে রাজি নন। যেন মগের মুল্লুক! একজন সরকারি কর্মচারী যদি সাংবাদিকের সাথে এমন আচরণ করার ধৃষ্টতা দেখান তাহলে কৃষকদের সাথে তার আচরণ কেমন তা সহজেই বোঝা যায়।’ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আচরণ নিয়ে যোগ করেন সাংবাদিক তামজিদ।

বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুড়িগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব ও এটিএন নিউজের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন লিটন। তিনি বলেন, ‘ একজন সরকারী কর্মচারীর এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অসদাচরণ করছেন। একজন গণমাধ্যমকর্মী প্রশ্ন করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়। জবাব দেওয়া না দেওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির এখতিয়ার। কিন্তু তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্থ হতে থাকবে।’

জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক বলেন, কাজের ব্যস্ততায় সারাদিন একই মুড থাকে না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতি ট্যাকেল দিতে হয়। আমার কথা হয়তো রূঢ় মনে হতে পারে। কিন্তু আমি খারাপ আচরণ করি নাই। এটা নিয়ে আপনারা মন খারাপ কইরেন না। উনি যে অভিযোগের কথা বলছে আমি পরে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছি। ’




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ