ব্যবসার নামে বিনিয়োগের প্রলোভন, ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা
ব্যবসায় মোটা অঙ্কের লাভের প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মজনু মিয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমলি বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (বিজয়নগর) আদালতে দায়ের করা মামলায় কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার উত্তর সালুয়া গ্রামের সাবিনা আক্তার, সেলিম মিয়া, গনি মিয়া, ইকবাল মিয়া ও হোসাইন মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, বাদী মজনু মিয়া একজন সহজ-সরল ও শান্তিপ্রিয় ব্যক্তি। আসামিরা নিজেদের ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং কাগজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে অল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুনাফা পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস দেন।
একপর্যায়ে তাদের কথায় বিশ্বাস করে বাদী ব্যবসার মূলধন হিসেবে ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে আরও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। এভাবে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আসামিদের হাতে তুলে দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা গ্রহণের পর আসামিরা ব্যবসার লাভ তো দূরের কথা, মূলধনও ফেরত দেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর বাদী টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা টালবাহানা করেন এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।
পরে নিজেকে প্রতারণার শিকার মনে করে বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন। বাদী মজনু মিয়া বলেন, “আসামিরা নিজেদের ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে কাগজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে ভালো লাভ হবে বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে ধাপে ধাপে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিই। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর তারা ব্যবসার কোনো হিসাব দেয়নি, লাভও দেয়নি এবং আমার মূলধনও ফেরত দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত চাইলেও নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করায় আমি প্রতারিত বোধ করি। নিরুপায় হয়ে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে মামলা করেছি।”
বিবাদী পক্ষের একজন বলেন, বিষয়টি সমাধান করার জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে ফয়সালা করার কথা বলেছি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দীন বলেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ব্যবসার নামে বিনিয়োগের প্রলোভন, ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা
ব্যবসায় মোটা অঙ্কের লাভের প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মজনু মিয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমলি বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (বিজয়নগর) আদালতে দায়ের করা মামলায় কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার উত্তর সালুয়া গ্রামের সাবিনা আক্তার, সেলিম মিয়া, গনি মিয়া, ইকবাল মিয়া ও হোসাইন মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, বাদী মজনু মিয়া একজন সহজ-সরল ও শান্তিপ্রিয় ব্যক্তি। আসামিরা নিজেদের ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং কাগজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে অল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুনাফা পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস দেন।
একপর্যায়ে তাদের কথায় বিশ্বাস করে বাদী ব্যবসার মূলধন হিসেবে ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে আরও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। এভাবে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আসামিদের হাতে তুলে দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা গ্রহণের পর আসামিরা ব্যবসার লাভ তো দূরের কথা, মূলধনও ফেরত দেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর বাদী টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা টালবাহানা করেন এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।
পরে নিজেকে প্রতারণার শিকার মনে করে বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন। বাদী মজনু মিয়া বলেন, “আসামিরা নিজেদের ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে কাগজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে ভালো লাভ হবে বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে ধাপে ধাপে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিই। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর তারা ব্যবসার কোনো হিসাব দেয়নি, লাভও দেয়নি এবং আমার মূলধনও ফেরত দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত চাইলেও নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করায় আমি প্রতারিত বোধ করি। নিরুপায় হয়ে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে মামলা করেছি।”
বিবাদী পক্ষের একজন বলেন, বিষয়টি সমাধান করার জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে ফয়সালা করার কথা বলেছি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দীন বলেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন