ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

স্বেচ্ছায় রক্তদাতারা মানবতার নীরব যোদ্ধা ; মো: ছালিম আহমদ খান

স্বেচ্ছায় রক্তদাতারা মানবতার নীরব যোদ্ধা ; মো: ছালিম আহমদ খান

বিসকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহীদ)

বিসকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহীদ)

অপহরণের ৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি কলেজছাত্র রিদয়ানের, উদ্ধারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন

অপহরণের ৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি কলেজছাত্র রিদয়ানের, উদ্ধারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৪ নং কেশবপুর  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রত্যাশায় এগিয়ে

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৪ নং কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রত্যাশায় এগিয়ে

খাড়গাছড়িতে  বন ও প্রাণের উৎসব- ২০২৬ এ  সম্মাননা পেল ‘হরিরামপুর শ্যামল নিসর্গ’।

খাড়গাছড়িতে বন ও প্রাণের উৎসব- ২০২৬ এ সম্মাননা পেল ‘হরিরামপুর শ্যামল নিসর্গ’।

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

সরিষাবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

সরিষাবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

‎তেতুলিয়া  নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশায় বাউফলে  জেলেরা  ‎

‎তেতুলিয়া নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশায় বাউফলে জেলেরা ‎

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কার্যক্রম ও অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা

ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাত : বর্তমান বাজেট প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাত : বর্তমান বাজেট প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাত : বর্তমান বাজেট প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কার্যক্রম ও অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা

নিজস্ব  প্রতিবেদক:- জাতীয় বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নির্ধারণের দলিল। এবারের বাজেটে ধর্ম বিষয়ক খাতে বরাদ্দ অব্যাহত থাকলেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত চাহিদা, বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর দুর্দশা এখনও পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি বলে মনে করেন আলোচক এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব, ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কমিটি।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাস্তব চাহিদা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা : চার দশকের অবহেলা দেশে হাজারো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে পূর্ণাঙ্গ সরকারি স্বীকৃতি, এমপিওভুক্তি এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অতি সামান্য সম্মানী কিংবা অনেক ক্ষেত্রে বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষাদান করে আসছেন। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষক সমাজ চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।

আলোচকের মতে, প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক বরাদ্দ, শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন কাঠামো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার মাধ্যমে ইমাম প্রশিক্ষণ, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, ইসলামি সাহিত্য প্রকাশনা এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 

বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কার্যালয়, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি এবং ইসলামিক মিশন কেন্দ্র পরিচালিত হলেও জনসংখ্যা ও চাহিদার তুলনায় এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে— ইমাম ও খতিবদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি; মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ; যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষায় ধর্মীয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি; ইসলামিক গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রসারণ; নারী ও শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ গ্রহণ।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা প্রয়োজন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকগুলোই অবকাঠামোগত সংকট ও অর্থাভাবের মুখোমুখি। তাই শুধু আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ নয়, বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

উপজাতি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের স্বার্থে তাদের জন্য বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচকের অভিমত-আলোচক এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব বলেন"ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যয় খাত হিসেবে নয়, নৈতিক সমাজ গঠন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। বিশেষ করে চার দশক ধরে অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এখন রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও জনমুখী করতে পর্যাপ্ত বাজেট ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিক শিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গঠনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতের বাজেটে ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাতকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হলে তা একটি কল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আলোচক: এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক বাংলাদেশ কংগ্রেস, কেন্দ্রীয় কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাত : বর্তমান বাজেট প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাত : বর্তমান বাজেট প্রেক্ষিতে পর্যালোচনা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কার্যক্রম ও অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা

নিজস্ব  প্রতিবেদক:- জাতীয় বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নির্ধারণের দলিল। এবারের বাজেটে ধর্ম বিষয়ক খাতে বরাদ্দ অব্যাহত থাকলেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত চাহিদা, বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর দুর্দশা এখনও পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি বলে মনে করেন আলোচক এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব, ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কমিটি।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাস্তব চাহিদা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা : চার দশকের অবহেলা দেশে হাজারো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে পূর্ণাঙ্গ সরকারি স্বীকৃতি, এমপিওভুক্তি এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অতি সামান্য সম্মানী কিংবা অনেক ক্ষেত্রে বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষাদান করে আসছেন। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষক সমাজ চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।

আলোচকের মতে, প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক বরাদ্দ, শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন কাঠামো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার মাধ্যমে ইমাম প্রশিক্ষণ, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, ইসলামি সাহিত্য প্রকাশনা এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 

বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কার্যালয়, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি এবং ইসলামিক মিশন কেন্দ্র পরিচালিত হলেও জনসংখ্যা ও চাহিদার তুলনায় এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে— ইমাম ও খতিবদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি; মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ; যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষায় ধর্মীয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি; ইসলামিক গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রসারণ; নারী ও শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ গ্রহণ।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা প্রয়োজন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকগুলোই অবকাঠামোগত সংকট ও অর্থাভাবের মুখোমুখি। তাই শুধু আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ নয়, বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

উপজাতি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের স্বার্থে তাদের জন্য বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচকের অভিমত-আলোচক এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব বলেন"ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যয় খাত হিসেবে নয়, নৈতিক সমাজ গঠন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। বিশেষ করে চার দশক ধরে অবহেলিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এখন রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও জনমুখী করতে পর্যাপ্ত বাজেট ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিক শিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গঠনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতের বাজেটে ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক খাতকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হলে তা একটি কল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আলোচক: এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব ধর্ম ও উপজাতি বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক বাংলাদেশ কংগ্রেস, কেন্দ্রীয় কমিটি।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ