ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

চার দিনের সফরে পঞ্চগড়ে আসছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

চার দিনের সফরে পঞ্চগড়ে আসছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

নেত্রকোণা ডিএনসি'র বড় সাফল্য: ৪৯২ বোতল ফেনসিডিল সহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আল-আমিন আটক

নেত্রকোণা ডিএনসি'র বড় সাফল্য: ৪৯২ বোতল ফেনসিডিল সহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আল-আমিন আটক

বারহাট্টা থানায় দুই পুলিশ সদস্যের বিদায় সংবর্ধনা

বারহাট্টা থানায় দুই পুলিশ সদস্যের বিদায় সংবর্ধনা

ময়মনসিংহ  স্বাস্থ্য বিভাগীয় জেলার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য বিভাগীয় জেলার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সরিষাবাড়ীতে প্রতিবন্ধী বাচ্চুর পাশে মানবতার হাত বাড়ালেন পলাশ

সরিষাবাড়ীতে প্রতিবন্ধী বাচ্চুর পাশে মানবতার হাত বাড়ালেন পলাশ

ব্রজগোপালকে আহবায়ক ও রতীশকে সদস্য সচিব করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুনামগঞ্জ পৌর শাখার ১১ সদস্য বিশিষ্ঠ নতুন এ্যাডহক কমিটি গঠন

ব্রজগোপালকে আহবায়ক ও রতীশকে সদস্য সচিব করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুনামগঞ্জ পৌর শাখার ১১ সদস্য বিশিষ্ঠ নতুন এ্যাডহক কমিটি গঠন

কেশবপুরে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কেশবপুরে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কেশবপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল

কেশবপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল

রিকশা চালক নকির চরম অসহায়

রিকশা চালক নকির চরম অসহায়

রিকশা চালক নকির চরম অসহায় 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এক পা ও এক হাত প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় শুয়ে দিনযাপন করছেন ৭৫ বছর বয়সী রিকশাচালক নকির। জীবনের প্রায় ৫০ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। মানুষ করেছেন দুই সন্তানকে। অথচ বার্ধক্য ও অসুস্থতার এই সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়েছেন তিনি। আর প্রশ্ন করছেন রাজশাহীতে কি কেউ  নেই যে তাকে একটা হুইল চেয়ার কিনে দিবে? 

স্থানীয়রা বলেন, নকির ও তার স্ত্রী হাসনা বানু প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘরে বসবাস করছেন। বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে নকির এখন পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে সংসারের একমাত্র ভরসা তার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে স্বামীর ওষুধের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন স্ত্রী। স্থানীয়দের দাবি, একটি হুইলচেয়ার পেলে অন্তত বিছানাবন্দি জীবন থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেন নকির। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা পেলে পরিবারটি বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো খুঁজে পাবে।

হাসনা বানু জানান, দুই সন্তান আলাদা সংসার নিয়ে বসবাস করেন। স্বল্প আয়ের কারণে তারা নিয়মিতভাবে বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। একটি হুইলচেয়ারের জন্য অনেকের কাছে গেছেন। অনেককে বলেছেন। কিন্তু কেউ সহযোগিতার হাত বাড়াননি।

তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে প্রায় চার হাজার টাকা আয় করেন। সেই টাকার বেশির ভাগই স্বামীর ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়ে যায়। বাকি টাকায় কোনোমতে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার দাবি স্বামীর জন্য কেউ একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবেন। সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে, নকির কিছুটা বেচে থাকার জন্য আশার আলো দেখতে পারেন ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


রিকশা চালক নকির চরম অসহায়

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

রিকশা চালক নকির চরম অসহায় 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এক পা ও এক হাত প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় শুয়ে দিনযাপন করছেন ৭৫ বছর বয়সী রিকশাচালক নকির। জীবনের প্রায় ৫০ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। মানুষ করেছেন দুই সন্তানকে। অথচ বার্ধক্য ও অসুস্থতার এই সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়েছেন তিনি। আর প্রশ্ন করছেন রাজশাহীতে কি কেউ  নেই যে তাকে একটা হুইল চেয়ার কিনে দিবে? 

স্থানীয়রা বলেন, নকির ও তার স্ত্রী হাসনা বানু প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘরে বসবাস করছেন। বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে নকির এখন পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে সংসারের একমাত্র ভরসা তার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে স্বামীর ওষুধের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন স্ত্রী। স্থানীয়দের দাবি, একটি হুইলচেয়ার পেলে অন্তত বিছানাবন্দি জীবন থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেন নকির। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা পেলে পরিবারটি বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো খুঁজে পাবে।

হাসনা বানু জানান, দুই সন্তান আলাদা সংসার নিয়ে বসবাস করেন। স্বল্প আয়ের কারণে তারা নিয়মিতভাবে বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। একটি হুইলচেয়ারের জন্য অনেকের কাছে গেছেন। অনেককে বলেছেন। কিন্তু কেউ সহযোগিতার হাত বাড়াননি।

তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে প্রায় চার হাজার টাকা আয় করেন। সেই টাকার বেশির ভাগই স্বামীর ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়ে যায়। বাকি টাকায় কোনোমতে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার দাবি স্বামীর জন্য কেউ একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবেন। সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে, নকির কিছুটা বেচে থাকার জন্য আশার আলো দেখতে পারেন ।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ