জীবন যুদ্ধে হার মানেনি সালমা
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- সালমা বেগম । দুটি ছোট শিশু সন্তান আছে তার। বাড়ি ভাড়া করে থাকেন রাজশাহীর কোর্ট মোল্লাপাড়া এলাকায়। মা*দকাসক্ত স্বামী কোনো খোঁজ-খবর নেন না। তাই সংসার চালাতে পরের বাড়িতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাজ করেন। একে একে তিনটি বাড়িতে কাজ করেন৷
এরপর বাসায় গিয়ে নিজের এবং সন্তানদের জন্য রান্না শেষে খেয়ে-দেয়ে দুই-তিন কেজি বাদাম, কিছু ছোলা আর কিছু মোটরদানা ভেজে সেগুলো বিক্রির জন্য বের হোন।
পায়ে হেঁটে হেঁটে পাড়ায় পাড়ায় বিক্রি করেন। তবে পাড়ার লোকজন বাঁকিও নেন। তাই নগদ বিক্রির জন্য এসেছিলেন নগরীর মুক্তমঞ্চে। কিন্তু সেখানকার স্থানীয় বাদাম বিক্রেতারা মুক্তমঞ্চের জনসমাগমস্থলে তাঁকে বসতে দেননি। অগত্য ওপরে রাস্তায় উঠে একটি কোণে বসেছিলেন বাদাম, ছোলা আর মোটরদানা বিক্রির জন্য।
সেখানে বসে থাকা অবস্থায় রাত নয়টার দিকে কথা হচ্ছিলো এ নারীর সাথে। তিনি ততক্ষণে দেড়শ টাকার বাদাম-ছোলা বিক্রি করতে পেরেছিলেন।
শেষে বললেন, "আগে জানতাম না এরা এখানে বসতে দিবে না। তাহলে গাড়িভাড়া করে ওতদূর থেকে আসতাম না। এখন দেখছি এসে লস হবে।
মানুষের জীবন কি অদ্ভুত তাই না? সংসার, সন্তান, নিজের পেট এসবের জন্য মানুষ কতই না কষ্ট করে। স্যালুট এ পরিশ্রমী নারীকে। তিনি জীবনের লড়াইয়ে হার মানেননি। টিকে আছেন জীবন যুদ্ধে কঠিন পরীক্ষায় ।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
জীবন যুদ্ধে হার মানেনি সালমা
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- সালমা বেগম । দুটি ছোট শিশু সন্তান আছে তার। বাড়ি ভাড়া করে থাকেন রাজশাহীর কোর্ট মোল্লাপাড়া এলাকায়। মা*দকাসক্ত স্বামী কোনো খোঁজ-খবর নেন না। তাই সংসার চালাতে পরের বাড়িতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাজ করেন। একে একে তিনটি বাড়িতে কাজ করেন৷
এরপর বাসায় গিয়ে নিজের এবং সন্তানদের জন্য রান্না শেষে খেয়ে-দেয়ে দুই-তিন কেজি বাদাম, কিছু ছোলা আর কিছু মোটরদানা ভেজে সেগুলো বিক্রির জন্য বের হোন।
পায়ে হেঁটে হেঁটে পাড়ায় পাড়ায় বিক্রি করেন। তবে পাড়ার লোকজন বাঁকিও নেন। তাই নগদ বিক্রির জন্য এসেছিলেন নগরীর মুক্তমঞ্চে। কিন্তু সেখানকার স্থানীয় বাদাম বিক্রেতারা মুক্তমঞ্চের জনসমাগমস্থলে তাঁকে বসতে দেননি। অগত্য ওপরে রাস্তায় উঠে একটি কোণে বসেছিলেন বাদাম, ছোলা আর মোটরদানা বিক্রির জন্য।
সেখানে বসে থাকা অবস্থায় রাত নয়টার দিকে কথা হচ্ছিলো এ নারীর সাথে। তিনি ততক্ষণে দেড়শ টাকার বাদাম-ছোলা বিক্রি করতে পেরেছিলেন।
শেষে বললেন, "আগে জানতাম না এরা এখানে বসতে দিবে না। তাহলে গাড়িভাড়া করে ওতদূর থেকে আসতাম না। এখন দেখছি এসে লস হবে।
মানুষের জীবন কি অদ্ভুত তাই না? সংসার, সন্তান, নিজের পেট এসবের জন্য মানুষ কতই না কষ্ট করে। স্যালুট এ পরিশ্রমী নারীকে। তিনি জীবনের লড়াইয়ে হার মানেননি। টিকে আছেন জীবন যুদ্ধে কঠিন পরীক্ষায় ।

আপনার মতামত লিখুন