পীরগাছায় পরকীয়ার জেরে সংঘর্ষ, হাতাহাতির ঘটনারয় শ্রমিকের মৃত্যু,আটক প্রতিবেশী
হাবিবুর রহমান হাবিব, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি- রংপুরের পীরগাছায় কান্দি ইউনিয়নের দিগটারী গ্রামে পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনায় চান মিয়া (৫০) নামে এক তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী মিথুন মিয়া (৩২)কে আটক করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার দিগটারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত চান মিয়া ওই গ্রামের আজগার আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর পরিবারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চান মিয়া ঢাকায় চাকরি করার সময় তাঁর স্ত্রী মুক্তি বেগম প্রতিবেশী দুলু মিয়ার ছেলে মিথুন মিয়ার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে কৌশলে চান মিয়ার প্রায় আড়াই বিঘা জমি স্ত্রী নিজের নামে লিখে নেন।
স্বজনরা জানান, গত ঈদুল আজহার কয়েক দিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চান মিয়া ঢাকায় চিকিৎসা নেওয়ার পর গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে তিনি আর ঢাকায় না গিয়ে বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এর কিছুদিন পর তাঁর স্ত্রী পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। যাওয়ার সময় বাড়ির আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামালও সঙ্গে নিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন চান মিয়া জানতে পারেন, তাঁকে তালাক না দিয়েই তাঁর স্ত্রী প্রতিবেশী মিথুন মিয়াকে বিয়ে করে সুন্দরগঞ্জে বসবাস করছেন। বিষয়টি জানতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি ইটভাটার কাছে মিথুন মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে চান মিয়া মাটিতে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর মিথুন মিয়া দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে একটি ঘরে রাখেন।
খবর পেয়ে পীরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং স্থানীয়দের হাতে আটক মিথুন মিয়াকেও হেফাজতে নেয়।এ ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে আলম মিয়া বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান,খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয়দের হাতে আটক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক ও পরকীয়া সম্পর্কজনিত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
পীরগাছায় পরকীয়ার জেরে সংঘর্ষ, হাতাহাতির ঘটনারয় শ্রমিকের মৃত্যু,আটক প্রতিবেশী
হাবিবুর রহমান হাবিব, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি- রংপুরের পীরগাছায় কান্দি ইউনিয়নের দিগটারী গ্রামে পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনায় চান মিয়া (৫০) নামে এক তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী মিথুন মিয়া (৩২)কে আটক করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার দিগটারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত চান মিয়া ওই গ্রামের আজগার আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর পরিবারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চান মিয়া ঢাকায় চাকরি করার সময় তাঁর স্ত্রী মুক্তি বেগম প্রতিবেশী দুলু মিয়ার ছেলে মিথুন মিয়ার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে কৌশলে চান মিয়ার প্রায় আড়াই বিঘা জমি স্ত্রী নিজের নামে লিখে নেন।
স্বজনরা জানান, গত ঈদুল আজহার কয়েক দিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চান মিয়া ঢাকায় চিকিৎসা নেওয়ার পর গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে তিনি আর ঢাকায় না গিয়ে বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এর কিছুদিন পর তাঁর স্ত্রী পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। যাওয়ার সময় বাড়ির আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামালও সঙ্গে নিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন চান মিয়া জানতে পারেন, তাঁকে তালাক না দিয়েই তাঁর স্ত্রী প্রতিবেশী মিথুন মিয়াকে বিয়ে করে সুন্দরগঞ্জে বসবাস করছেন। বিষয়টি জানতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি ইটভাটার কাছে মিথুন মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে চান মিয়া মাটিতে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর মিথুন মিয়া দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে একটি ঘরে রাখেন।
খবর পেয়ে পীরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং স্থানীয়দের হাতে আটক মিথুন মিয়াকেও হেফাজতে নেয়।এ ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে আলম মিয়া বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান,খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয়দের হাতে আটক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক ও পরকীয়া সম্পর্কজনিত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন