মদনে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে ইউএনও
মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি হারিয়ে সর্বস্বান্ত এক কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর (তোলাপাড়া) গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোঃ নজর মিয়ার গোয়ালঘরে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে তিনটি গরু, দুটি ছাগল, ১০টি রাজহাঁস ও ৫০টি পাতিহাঁস পুড়ে মারা যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারের জন্য দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণে ডেউ টিন দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং সরকারি সহায়তা হিসেবে আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কবির, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে কৃষক পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত ডেউ টিন ও সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
মদনে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে ইউএনও
মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি হারিয়ে সর্বস্বান্ত এক কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর (তোলাপাড়া) গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোঃ নজর মিয়ার গোয়ালঘরে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে তিনটি গরু, দুটি ছাগল, ১০টি রাজহাঁস ও ৫০টি পাতিহাঁস পুড়ে মারা যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারের জন্য দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণে ডেউ টিন দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং সরকারি সহায়তা হিসেবে আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কবির, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে কৃষক পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত ডেউ টিন ও সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন