ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

মোল্লাহাটে মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ির রেণু ব্যবসার অভিযোগ, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ

মোল্লাহাটে মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ির রেণু ব্যবসার অভিযোগ, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ

মোল্লাহাটে মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ির রেণু ব্যবসার অভিযোগ, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ

আল হাফিজ মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:- বাগেরহাটের মোল্লাহাটে উপজেলা মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ি মাছের রেণু ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ নাঈম মোল্লা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। যদিও উপজেলা মৎস্য অফিস জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে ওই দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাঈম মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে মোল্লাহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারী পরিচয় দিয়ে চিংড়ি মাছের রেণু সরবরাহ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ রাত প্রায় ১০টার দিকে তার চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তার বহন করা রেণু ও রেণুবাহী গাড়ি আটক করে। এ সময় তিনি নিজেকে মোল্লাহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মরত ব্যক্তি দাবি করেন এবং তার ব্যবসার বিষয়ে অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন বলেও উপস্থিত লোকজনকে জানান বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

পরবর্তীতে উপজেলা মৎস্য অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাঈম মোল্লা বর্তমানে ওই অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন। তিনি প্রায় তিন বছর আগে একটি প্রকল্পে অস্থায়ীভাবে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাজীব রায় বলেন, “নাঈম নামের ব্যক্তি আমাদের অফিসের কোনো স্টাফ নয়। তিনি প্রায় তিন বছর আগে একটি প্রকল্পে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন। বর্তমানে তার সঙ্গে আমাদের অফিসের কোনো সম্পর্ক নেই। যদি তিনি আমাদের অফিস বা আমার নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে তাকে অফিসিয়ালভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। এরপরও যদি তিনি এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যান, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বাধ্য হব।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনা করা হলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


মোল্লাহাটে মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ির রেণু ব্যবসার অভিযোগ, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

মোল্লাহাটে মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ির রেণু ব্যবসার অভিযোগ, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ

আল হাফিজ মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:- বাগেরহাটের মোল্লাহাটে উপজেলা মৎস্য অফিসের পরিচয় ব্যবহার করে চিংড়ি মাছের রেণু ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ নাঈম মোল্লা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। যদিও উপজেলা মৎস্য অফিস জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে ওই দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাঈম মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে মোল্লাহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারী পরিচয় দিয়ে চিংড়ি মাছের রেণু সরবরাহ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ রাত প্রায় ১০টার দিকে তার চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তার বহন করা রেণু ও রেণুবাহী গাড়ি আটক করে। এ সময় তিনি নিজেকে মোল্লাহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মরত ব্যক্তি দাবি করেন এবং তার ব্যবসার বিষয়ে অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন বলেও উপস্থিত লোকজনকে জানান বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

পরবর্তীতে উপজেলা মৎস্য অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নাঈম মোল্লা বর্তমানে ওই অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন। তিনি প্রায় তিন বছর আগে একটি প্রকল্পে অস্থায়ীভাবে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাজীব রায় বলেন, “নাঈম নামের ব্যক্তি আমাদের অফিসের কোনো স্টাফ নয়। তিনি প্রায় তিন বছর আগে একটি প্রকল্পে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন। বর্তমানে তার সঙ্গে আমাদের অফিসের কোনো সম্পর্ক নেই। যদি তিনি আমাদের অফিস বা আমার নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে তাকে অফিসিয়ালভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। এরপরও যদি তিনি এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যান, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বাধ্য হব।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনা করা হলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ