মদনে এইচএসসি (কারিগরি) পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ
মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার আলহাজ্ব মোজাফফর আহাম্মেদ কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের এইচএসসি (কারিগরি) পরীক্ষায় অবাধে নকলের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, চলমান ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ কেন্দ্রে দুই শিফটে মদন আদর্শ কারিগরি বাণিজ্য কলেজ ও জনতা কারিগরি বাণিজ্য কলেজের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও, অভিযোগ রয়েছে যে বাস্তবে পরীক্ষার্থীদের অবাধে নকল করে লেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্রে লিখে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসারকে অধিকাংশ সময় কেন্দ্রে দেখা যায় না। তিনি মাঝে মধ্যে কেন্দ্রে এলেও পরীক্ষার হল পরিদর্শন না করে অফিস কক্ষে অবস্থান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, পরীক্ষা চলাকালে নকলের অভিযোগসংবলিত কয়েকটি স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্র সচিব ও আদর্শ কারিগরি বাণিজ্য কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, "আমার কেন্দ্রে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এখানে ইউএনও মহোদয়ের মনোনীত ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সবকিছু তদারকি করেন।
ট্যাগ অফিসার হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাদির হোসেন শামীম বলেন, "আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে সম্পন্ন করতে সার্বক্ষণিক একজন তদারকি কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
মদনে এইচএসসি (কারিগরি) পরীক্ষা কেন্দ্রে অবাধে নকলের অভিযোগ
মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার আলহাজ্ব মোজাফফর আহাম্মেদ কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের এইচএসসি (কারিগরি) পরীক্ষায় অবাধে নকলের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, চলমান ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ কেন্দ্রে দুই শিফটে মদন আদর্শ কারিগরি বাণিজ্য কলেজ ও জনতা কারিগরি বাণিজ্য কলেজের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও, অভিযোগ রয়েছে যে বাস্তবে পরীক্ষার্থীদের অবাধে নকল করে লেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্রে লিখে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসারকে অধিকাংশ সময় কেন্দ্রে দেখা যায় না। তিনি মাঝে মধ্যে কেন্দ্রে এলেও পরীক্ষার হল পরিদর্শন না করে অফিস কক্ষে অবস্থান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, পরীক্ষা চলাকালে নকলের অভিযোগসংবলিত কয়েকটি স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্র সচিব ও আদর্শ কারিগরি বাণিজ্য কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, "আমার কেন্দ্রে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এখানে ইউএনও মহোদয়ের মনোনীত ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সবকিছু তদারকি করেন।
ট্যাগ অফিসার হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাদির হোসেন শামীম বলেন, "আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে সম্পন্ন করতে সার্বক্ষণিক একজন তদারকি কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন