মনপুরায় দখলকৃত পৈতৃক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
মুহাঃ আশরাফুল ইসলামমনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি:- ভোলার মনপুরায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে জমি উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নোমান চৌকিদার (৩৭)। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে তাঁর পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখায় তিনি ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মনপুরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নোমান চৌকিদার। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মৃত আজমিরুল হক (মানিছ ছুকানি)-এর ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁদের পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের ভোগদখলে থাকলেও প্রায় চার বছর আগে একই এলাকার নুরনবী (৩৫), মো. এলাহি (৪৬) ও হোসেন (২৫) জোরপূর্বক জমিটি দখল করে নেন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্নভাবে জমি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেন।
নোমান চৌকিদার আরও বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইন অনুযায়ী জমিটি দখলমুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হলে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটবে এবং তিনি ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি জানান, প্রশাসনের কাছে তাঁর একমাত্র প্রত্যাশা হলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরনবী, মো. এলাহি ও হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, জমির মালিকানা ও দখল-সংক্রান্ত এ অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত এবং আদালতের আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই বিষয়টি বর্তমানে অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হলো এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের ওপর পরবর্তী আইনগত অবস্থান নির্ভর করবে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
মনপুরায় দখলকৃত পৈতৃক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
মুহাঃ আশরাফুল ইসলামমনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি:- ভোলার মনপুরায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে জমি উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নোমান চৌকিদার (৩৭)। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে তাঁর পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখায় তিনি ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মনপুরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নোমান চৌকিদার। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মৃত আজমিরুল হক (মানিছ ছুকানি)-এর ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁদের পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের ভোগদখলে থাকলেও প্রায় চার বছর আগে একই এলাকার নুরনবী (৩৫), মো. এলাহি (৪৬) ও হোসেন (২৫) জোরপূর্বক জমিটি দখল করে নেন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্নভাবে জমি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেন।
নোমান চৌকিদার আরও বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইন অনুযায়ী জমিটি দখলমুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হলে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটবে এবং তিনি ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি জানান, প্রশাসনের কাছে তাঁর একমাত্র প্রত্যাশা হলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরনবী, মো. এলাহি ও হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, জমির মালিকানা ও দখল-সংক্রান্ত এ অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত এবং আদালতের আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই বিষয়টি বর্তমানে অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হলো এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের ওপর পরবর্তী আইনগত অবস্থান নির্ভর করবে।

আপনার মতামত লিখুন