পীরগাছায় নোবেল স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী। টানা তিনদিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে তারা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাকে স্বপদে বহাল রাখার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টা তারা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তাকে স্বপদে বহাল রাখার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বিদ্যালয়কে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্ত করতে পীরগাছা বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গাসহ বিদ্যালয়ের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা সার্বক্ষণিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, উপজেলার অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলকে ঘিরে কোনো ধরনের বিরোধ বা সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে নিয়ে সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের বিভিন্ন মন্তব্য দেখা গেছে।
সাবেক শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান স্বরণ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘নোবেল স্কুল বলতেই বুঝি আতাউর স্যারের স্কুল।’ তার দাবি, শূন্য থেকে বিদ্যালয়টিকে পীরগাছা উপজেলার অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে তুলতে আতাউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আতাউর রহমানকে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অপসারণের তীব্র নিন্দা জানান।
অপরদিকে সবুজ মিয়া নামে একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘নোবেলে আতাউর স্যারের বিকল্প নেই।’ তিনি আতাউর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও আচরণের প্রশংসা করে তাকে বিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তবে প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা এর পেছনের কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
পীরগাছায় নোবেল স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী। টানা তিনদিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে তারা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাকে স্বপদে বহাল রাখার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের চেষ্টা তারা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তাকে স্বপদে বহাল রাখার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বিদ্যালয়কে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্ত করতে পীরগাছা বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গাসহ বিদ্যালয়ের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা সার্বক্ষণিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, উপজেলার অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নোবেল রেসিডেন্সিয়াল হাইস্কুলকে ঘিরে কোনো ধরনের বিরোধ বা সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে নিয়ে সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের বিভিন্ন মন্তব্য দেখা গেছে।
সাবেক শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান স্বরণ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘নোবেল স্কুল বলতেই বুঝি আতাউর স্যারের স্কুল।’ তার দাবি, শূন্য থেকে বিদ্যালয়টিকে পীরগাছা উপজেলার অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে তুলতে আতাউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আতাউর রহমানকে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অপসারণের তীব্র নিন্দা জানান।
অপরদিকে সবুজ মিয়া নামে একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘নোবেলে আতাউর স্যারের বিকল্প নেই।’ তিনি আতাউর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও আচরণের প্রশংসা করে তাকে বিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তবে প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে অপসারণের বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা এর পেছনের কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন