ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

স্বেচ্ছায় রক্তদাতারা মানবতার নীরব যোদ্ধা ; মো: ছালিম আহমদ খান

স্বেচ্ছায় রক্তদাতারা মানবতার নীরব যোদ্ধা ; মো: ছালিম আহমদ খান

বিসকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহীদ)

বিসকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম (শহীদ)

অপহরণের ৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি কলেজছাত্র রিদয়ানের, উদ্ধারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন

অপহরণের ৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি কলেজছাত্র রিদয়ানের, উদ্ধারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৪ নং কেশবপুর  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রত্যাশায় এগিয়ে

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৪ নং কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রত্যাশায় এগিয়ে

খাড়গাছড়িতে  বন ও প্রাণের উৎসব- ২০২৬ এ  সম্মাননা পেল ‘হরিরামপুর শ্যামল নিসর্গ’।

খাড়গাছড়িতে বন ও প্রাণের উৎসব- ২০২৬ এ সম্মাননা পেল ‘হরিরামপুর শ্যামল নিসর্গ’।

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

সরিষাবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

সরিষাবাড়ীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

‎তেতুলিয়া  নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশায় বাউফলে  জেলেরা  ‎

‎তেতুলিয়া নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশায় বাউফলে জেলেরা ‎

গভীর রাতে নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, জিডি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি

গভীর রাতে নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, জিডি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি

গভীর রাতে নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, জিডি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করা এক নবদম্পতিকে গভীর রাতে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের প্রায় এক মাস পর কোনো মামলা বা অভিযোগের বিষয়ে না জানিয়ে রাত ৩টার দিকে তাঁদের থানায় নেওয়া হয়। পরে তরুণীর মায়ের করা মামলায় তরুণের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও অসংগতি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরাইল উপজেলার চানমনিপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে নুসরাত জাহান ও বিজয়নগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের দুধ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শ্রাবন গত ২৮ জুন আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সালিশে নুসরাতকে বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হলেও তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত ১৪ জুলাই নুসরাতের মা, নানী ও খালা তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। এর সাত দিন পর, ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিজয়নগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এসআই শামীমের নেতৃত্বে পুলিশ নবদম্পতিকে আটক করে সরাইল থানায় নিয়ে যায়।

নবদম্পতির পরিবারের দাবি, তাঁরা পরস্পরের সম্মতিতে বিয়ে করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে নুসরাতের মা বাদী হয়ে সরাইল থানায় শ্রাবনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার আগে তাঁদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল এবং কী আইনগত ভিত্তিতে তাঁদের আটক করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবার। বিশেষ করে, তাঁদের থানায় নেওয়ার আগে কোনো জিডি বা অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, “সরাইল থানা আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিল। আমরা সেই সহযোগিতা করেছি।”

অন্যদিকে, সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নবদম্পতিকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে মামলায় কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা সরাইল থানার এসআই শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার কাছে জিডি কিংবা অভিযোগের কোনো কপি নেই এবং এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

এদিকে, সরাইল থানার মুন্সি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শাহাদাৎ ও জিয়া জানান, ২১ জুলাইয়ের রেকর্ড খাতায় কোনো জিডি বা অভিযোগ লিপিবদ্ধ নেই। তাঁদের দাবি, সরাসরি মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, “অভিযোগ বা কোনো কারণ ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই। গ্রেপ্তারের অবশ্যই আইনগত কারণ থাকতে হবে।




আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


গভীর রাতে নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, জিডি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গভীর রাতে নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ, জিডি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করা এক নবদম্পতিকে গভীর রাতে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের প্রায় এক মাস পর কোনো মামলা বা অভিযোগের বিষয়ে না জানিয়ে রাত ৩টার দিকে তাঁদের থানায় নেওয়া হয়। পরে তরুণীর মায়ের করা মামলায় তরুণের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও অসংগতি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরাইল উপজেলার চানমনিপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে নুসরাত জাহান ও বিজয়নগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের দুধ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শ্রাবন গত ২৮ জুন আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সালিশে নুসরাতকে বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হলেও তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত ১৪ জুলাই নুসরাতের মা, নানী ও খালা তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যান। এর সাত দিন পর, ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিজয়নগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এসআই শামীমের নেতৃত্বে পুলিশ নবদম্পতিকে আটক করে সরাইল থানায় নিয়ে যায়।

নবদম্পতির পরিবারের দাবি, তাঁরা পরস্পরের সম্মতিতে বিয়ে করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে নুসরাতের মা বাদী হয়ে সরাইল থানায় শ্রাবনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার আগে তাঁদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল এবং কী আইনগত ভিত্তিতে তাঁদের আটক করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবার। বিশেষ করে, তাঁদের থানায় নেওয়ার আগে কোনো জিডি বা অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, “সরাইল থানা আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিল। আমরা সেই সহযোগিতা করেছি।”

অন্যদিকে, সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নবদম্পতিকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে মামলায় কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা সরাইল থানার এসআই শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার কাছে জিডি কিংবা অভিযোগের কোনো কপি নেই এবং এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

এদিকে, সরাইল থানার মুন্সি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শাহাদাৎ ও জিয়া জানান, ২১ জুলাইয়ের রেকর্ড খাতায় কোনো জিডি বা অভিযোগ লিপিবদ্ধ নেই। তাঁদের দাবি, সরাসরি মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, “অভিযোগ বা কোনো কারণ ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই। গ্রেপ্তারের অবশ্যই আইনগত কারণ থাকতে হবে।





ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ