ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৮নং রূপসী ইউনিয়নের বাশাটি মৌজার রূপসী বাজারে ৬ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ পরিচালনা করে আসছেন পার্শ্ববর্তী ঘোমগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হারুন অর রশিদ। কিন্তু স্থানীয় একটি প্রভাবশালী পক্ষের পূর্বশত্রুতা ও জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনায় হারুন অর রশিদের পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী গ্রামের আছির উদ্দিন মণ্ডল ও তোফাজ্জল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত ১৪ অক্টোবর (বুধবার) জোসনা বেগম নামের এক নারী খুন হন।
উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় তোফাজ্জল হোসেনগংদের আসামি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বশত্রুতার জেরে ওই মামলার মূল আসামিদের সাথে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও হারুন অর রশিদের দুই পুত্র— ওয়ার্কশপের শ্রমিক রহমত উল্লাহ ও জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে তাহাজ্জুদকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন দোকানে কর্মরত অবস্থায় পুলিশ রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় এবং অপর পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন বর্তমানে গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
পরিবারের অভিযোগ, ছেলেরা মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হওয়ার পর ক্ষান্ত হয়নি প্রতিপক্ষ আছির উদ্দিন গংরা। গত ১৬ অক্টোবর দলবল নিয়ে তারা হারুন অর রশিদের ওয়ার্কশপের দোকানে হামলা চালায়। এ সময় দোকান ভাঙচুর করে বিভিন্ন প্রকার মূল্যবান মেশিন, যন্ত্রপাতি এবং গ্রাহকদের মেরামতের জন্য রেখে যাওয়া মালামাল জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ।
বর্তমানে এক ছেলে কারাগারে, অপর ছেলে ঘরছাড়া এবং পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে আছির উদ্দিন গংরা হারুন অর রশিদ ও তার পরিবারকে আরও বড় ধরনের মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ ও তার পরিবার তাদের নিরপরাধ সন্তানদের মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি, ওয়ার্কশপের লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৮নং রূপসী ইউনিয়নের বাশাটি মৌজার রূপসী বাজারে ৬ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ পরিচালনা করে আসছেন পার্শ্ববর্তী ঘোমগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হারুন অর রশিদ। কিন্তু স্থানীয় একটি প্রভাবশালী পক্ষের পূর্বশত্রুতা ও জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনায় হারুন অর রশিদের পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী গ্রামের আছির উদ্দিন মণ্ডল ও তোফাজ্জল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত ১৪ অক্টোবর (বুধবার) জোসনা বেগম নামের এক নারী খুন হন।
উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় তোফাজ্জল হোসেনগংদের আসামি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বশত্রুতার জেরে ওই মামলার মূল আসামিদের সাথে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও হারুন অর রশিদের দুই পুত্র— ওয়ার্কশপের শ্রমিক রহমত উল্লাহ ও জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে তাহাজ্জুদকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন দোকানে কর্মরত অবস্থায় পুলিশ রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় এবং অপর পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন বর্তমানে গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
পরিবারের অভিযোগ, ছেলেরা মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হওয়ার পর ক্ষান্ত হয়নি প্রতিপক্ষ আছির উদ্দিন গংরা। গত ১৬ অক্টোবর দলবল নিয়ে তারা হারুন অর রশিদের ওয়ার্কশপের দোকানে হামলা চালায়। এ সময় দোকান ভাঙচুর করে বিভিন্ন প্রকার মূল্যবান মেশিন, যন্ত্রপাতি এবং গ্রাহকদের মেরামতের জন্য রেখে যাওয়া মালামাল জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ।
বর্তমানে এক ছেলে কারাগারে, অপর ছেলে ঘরছাড়া এবং পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে আছির উদ্দিন গংরা হারুন অর রশিদ ও তার পরিবারকে আরও বড় ধরনের মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ ও তার পরিবার তাদের নিরপরাধ সন্তানদের মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি, ওয়ার্কশপের লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন