চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার জালমাছমারী মিয়াপাড়া গ্রামে মৃত ইয়াসিন হাজির বাগানে বালুর ভেতর লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক শিশুকে ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রাস্তার পাশে দুই শিশু খেলাধুলা করছিল। এ সময় তারা বালুর মধ্যে কিছু একটা দেখতে পায়। শিশু দুটির নাম মো. হামিদুল ইসলাম (৫), পিতা নাজিমুদ্দিন এবং মো. নাফিউল (৩), পিতা নয়ন।
পরে সকালে হাঁটতে বের হওয়া মো. ইব্রাহিম আলী ওই দুই শিশুর কাছ থেকে রাস্তার পাশে কিছু একটা পড়ে থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু সরিয়ে লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি নবজাতক শিশুকে দেখতে পান।
বিষয়টি জানার পর তিনি রাস্তার পাশের বাড়ির বাসিন্দা মো. গোলাপ হোসেন (পিতা: মৃত সাহেবজান)-কে খবর দেন। পরে গোলাপ হোসেনসহ স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
কে বা কারা নবজাতক শিশুটিকে সেখানে ফেলে রেখে গেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পরে শিশুটিকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে এবং গোলাপ হোসেনের আশ্রয়ে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার জালমাছমারী মিয়াপাড়া গ্রামে মৃত ইয়াসিন হাজির বাগানে বালুর ভেতর লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক শিশুকে ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রাস্তার পাশে দুই শিশু খেলাধুলা করছিল। এ সময় তারা বালুর মধ্যে কিছু একটা দেখতে পায়। শিশু দুটির নাম মো. হামিদুল ইসলাম (৫), পিতা নাজিমুদ্দিন এবং মো. নাফিউল (৩), পিতা নয়ন।
পরে সকালে হাঁটতে বের হওয়া মো. ইব্রাহিম আলী ওই দুই শিশুর কাছ থেকে রাস্তার পাশে কিছু একটা পড়ে থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু সরিয়ে লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি নবজাতক শিশুকে দেখতে পান।
বিষয়টি জানার পর তিনি রাস্তার পাশের বাড়ির বাসিন্দা মো. গোলাপ হোসেন (পিতা: মৃত সাহেবজান)-কে খবর দেন। পরে গোলাপ হোসেনসহ স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
কে বা কারা নবজাতক শিশুটিকে সেখানে ফেলে রেখে গেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পরে শিশুটিকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে এবং গোলাপ হোসেনের আশ্রয়ে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন