ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোকে কেন্দ্র করে প্রতারণা, জিম্মি করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী যুবক।

শনিবার কেশবপুর নিউজ ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতাপপুর গ্রামের মোঃ আবুল কাশেম সানার ছেলে মোঃ মিলন হোসেন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেশবপুর উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের মোঃ জিহাদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামকে ঢাকার এবি ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে পাঠাতে তিনি সহায়তা করেন। সেখানে তারা একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি পেলেও কাজটি পছন্দ না হওয়ায় তা ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে নতুন চাকরি ও আকামার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য তারা মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে আত্মীয়ের মাধ্যমে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে চলে যান।

সংবাদ সম্মেলনে মিলন হোসেন আরও বলেন, একই এলাকার মাহাফুজুর রহমানকে সৌদি আরবে ওয়্যারহাউজ কর্মী হিসেবে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও বিমান টিকিট প্রস্তুত করা হলেও শেষ মুহূর্তে তিনি বিদেশে যেতে অস্বীকৃতি জানান।

এ বিষয়ে কথা বলতে গত ৮ এপ্রিল মাহাফুজুর রহমানের বাড়িতে গেলে সেখানে উপস্থিত জিহাদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক আটক করে রাখেন বলে অভিযোগ করেন মিলন। পরে তার পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরদিন ৯ এপ্রিল কেশবপুর থানায় বসেই তাকে ও তার শাশুড়িকে জিম্মি করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ওই স্ট্যাম্পে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে তাকে জিহাদুল ও শহিদুলকে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মাহাফুজুর রহমানকে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না বলেও শর্ত আরোপ করা হয়।

এ ঘটনায় মিলন হোসেন যশোর জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার এবং কেশবপুর থানা প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তিনি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোকে কেন্দ্র করে প্রতারণা, জিম্মি করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী যুবক।

শনিবার কেশবপুর নিউজ ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতাপপুর গ্রামের মোঃ আবুল কাশেম সানার ছেলে মোঃ মিলন হোসেন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেশবপুর উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের মোঃ জিহাদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামকে ঢাকার এবি ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে পাঠাতে তিনি সহায়তা করেন। সেখানে তারা একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি পেলেও কাজটি পছন্দ না হওয়ায় তা ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে নতুন চাকরি ও আকামার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য তারা মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে আত্মীয়ের মাধ্যমে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে চলে যান।

সংবাদ সম্মেলনে মিলন হোসেন আরও বলেন, একই এলাকার মাহাফুজুর রহমানকে সৌদি আরবে ওয়্যারহাউজ কর্মী হিসেবে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও বিমান টিকিট প্রস্তুত করা হলেও শেষ মুহূর্তে তিনি বিদেশে যেতে অস্বীকৃতি জানান।

এ বিষয়ে কথা বলতে গত ৮ এপ্রিল মাহাফুজুর রহমানের বাড়িতে গেলে সেখানে উপস্থিত জিহাদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক আটক করে রাখেন বলে অভিযোগ করেন মিলন। পরে তার পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরদিন ৯ এপ্রিল কেশবপুর থানায় বসেই তাকে ও তার শাশুড়িকে জিম্মি করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ওই স্ট্যাম্পে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে তাকে জিহাদুল ও শহিদুলকে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মাহাফুজুর রহমানকে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না বলেও শর্ত আরোপ করা হয়।

এ ঘটনায় মিলন হোসেন যশোর জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার এবং কেশবপুর থানা প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তিনি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ