নিকলীতে (এলজিইডির)৩য় শ্রেণীর কর্মচারী সাফায়েত উল্লাহর অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
শফিকুল ইসলাম নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সাফায়েত উল্লাহ,একজন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)কার্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী।কিন্তু দাপটে চলে যেন ওই কার্যালয়ের বড় কর্তা। কর্মস্থলে সেচ্ছাচারিতা,নিজের প্রভাব বিস্তারের নানা অভিযোগ উঠেছে। গত ১০ মাস ধরে উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে ১০জন মহিলা দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর আওতায় সড়কে মাটি ভরাট,রাস্তা সংস্কারের কাজ করতে অস্থায়ী নিয়োগ দিয়েছে।সেখান থেকে তিন জন উপজেলা পরিষদের বিভিন্নস্থরে কাজ করছে প্রতি নিয়ত। অন্য সাতজন জারইতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা ভরাটের কাজে নিয়োজিত করলেও ফাতেমা নামের এক মহিলা গত ১০মাস ধরে তাদের সাথে কাজ করছেনা রাস্তায়। অভিযোগ রয়েছে সাফায়েত উল্লাহ সেই মহিলাদের তদারকির দায়িত্বে থাকার সুবাধে ফাতেমাকে টিমের সাথে রাস্তায় কাজ না করিয়ে গত ১০ মাস ধরে সাফায়েতর নিজের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজ করতে বাধ্য করান।সরকারী নিয়ম অনুয়ায়ী রাস্তার কাজে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নিয়োজিত থাকার কথা।কিন্ত সকাল ৮টা থেকে রাত ৯,টা পর্যন্ত ফাতেমা সাফায়েত উল্লাহর ঘরে ব্যক্তিগত গৃহচারিকার কাজে নিয়োজিত রাখে।একদিকে সরকারের বেতন খাচ্ছে অপরদিকে সরকারী কাজ না করিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে প্রতারণা করছে সাফায়েত উল্লাহ এমনটায় অভিযোগ করেন মহিলা টিমের সভানেত্রী.
গত চারদিন ধরে রাস্তার সংস্কারের কাজ বন্ধ করে সাফায়েত উল্লাহ নিজের বাড়িতে ধান শুকনোর কাজ করাচ্ছে জোর পূর্বক।না করলে বেতন আটকে দেয়ার হুমকিও দেন এই প্রতারক..
জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাফায়েত উল্লাহ সত্যতা স্বীকার করে ভুল হয়েছে বলে ক্ষমা চান।তবে ক্যামেরার সামনে ভিডিও ধারন না করতে অনুরোধ করেন।পাশাপাশি বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আর্তিক লেনদেনের অফার দেন সাফায়েত উল্লাহ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসহাক রানা জনান,বিষয়টি আমি অবগত নয়,খোজ নিয়ে দেখছি।উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকারী কাজের লোক দিয়ে ব্যক্তিগত কাজের কোন সুযোগ নেই,এটা মারাত্মক অপরাধ,বিষয়টি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন,বিষয়টি জেনেছি,তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একদিকে সরকারী কাজে ফাঁকি দিয়ে নিজের আখের গোচাচ্ছ,অপরদিকে প্রভাব বিস্তার করে ওই মহিলাদের নানা হুমকিও দিচ্ছে যেন কোন কিছু স্বীকার না করে।এবিষয়টি নিয়ে নিকলীতে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতনমহল।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
নিকলীতে (এলজিইডির)৩য় শ্রেণীর কর্মচারী সাফায়েত উল্লাহর অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
শফিকুল ইসলাম নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সাফায়েত উল্লাহ,একজন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)কার্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী।কিন্তু দাপটে চলে যেন ওই কার্যালয়ের বড় কর্তা। কর্মস্থলে সেচ্ছাচারিতা,নিজের প্রভাব বিস্তারের নানা অভিযোগ উঠেছে। গত ১০ মাস ধরে উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে ১০জন মহিলা দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর আওতায় সড়কে মাটি ভরাট,রাস্তা সংস্কারের কাজ করতে অস্থায়ী নিয়োগ দিয়েছে।সেখান থেকে তিন জন উপজেলা পরিষদের বিভিন্নস্থরে কাজ করছে প্রতি নিয়ত। অন্য সাতজন জারইতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা ভরাটের কাজে নিয়োজিত করলেও ফাতেমা নামের এক মহিলা গত ১০মাস ধরে তাদের সাথে কাজ করছেনা রাস্তায়। অভিযোগ রয়েছে সাফায়েত উল্লাহ সেই মহিলাদের তদারকির দায়িত্বে থাকার সুবাধে ফাতেমাকে টিমের সাথে রাস্তায় কাজ না করিয়ে গত ১০ মাস ধরে সাফায়েতর নিজের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজ করতে বাধ্য করান।সরকারী নিয়ম অনুয়ায়ী রাস্তার কাজে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নিয়োজিত থাকার কথা।কিন্ত সকাল ৮টা থেকে রাত ৯,টা পর্যন্ত ফাতেমা সাফায়েত উল্লাহর ঘরে ব্যক্তিগত গৃহচারিকার কাজে নিয়োজিত রাখে।একদিকে সরকারের বেতন খাচ্ছে অপরদিকে সরকারী কাজ না করিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে প্রতারণা করছে সাফায়েত উল্লাহ এমনটায় অভিযোগ করেন মহিলা টিমের সভানেত্রী.
গত চারদিন ধরে রাস্তার সংস্কারের কাজ বন্ধ করে সাফায়েত উল্লাহ নিজের বাড়িতে ধান শুকনোর কাজ করাচ্ছে জোর পূর্বক।না করলে বেতন আটকে দেয়ার হুমকিও দেন এই প্রতারক..
জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাফায়েত উল্লাহ সত্যতা স্বীকার করে ভুল হয়েছে বলে ক্ষমা চান।তবে ক্যামেরার সামনে ভিডিও ধারন না করতে অনুরোধ করেন।পাশাপাশি বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আর্তিক লেনদেনের অফার দেন সাফায়েত উল্লাহ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসহাক রানা জনান,বিষয়টি আমি অবগত নয়,খোজ নিয়ে দেখছি।উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকারী কাজের লোক দিয়ে ব্যক্তিগত কাজের কোন সুযোগ নেই,এটা মারাত্মক অপরাধ,বিষয়টি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন,বিষয়টি জেনেছি,তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একদিকে সরকারী কাজে ফাঁকি দিয়ে নিজের আখের গোচাচ্ছ,অপরদিকে প্রভাব বিস্তার করে ওই মহিলাদের নানা হুমকিও দিচ্ছে যেন কোন কিছু স্বীকার না করে।এবিষয়টি নিয়ে নিকলীতে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতনমহল।

আপনার মতামত লিখুন