চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আত্মপ্রকাশ করল ‘টিম আরাধ্যা’
মিলন বৈদ্য শুভ,(চট্টগ্রাম): সনাতনী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আদর্শকে ধারণ করে সংগীতের মাধ্যমে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল নতুন মিউজিক্যাল গ্রুপ ‘টিম আরাধ্যা’।
গত শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লাস্থ গুরুধাম মন্দির প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই সংগীত দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ‘টিম আরাধ্যা’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, যা পুরো মন্দির প্রাঙ্গণকে এক আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় আবহে রূপ দেয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী জলদি শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের উপাধ্যক্ষ শ্রী শ্রীমৎ স্বামী রামানন্দ পুরী মহারাজ। তাঁর আশীর্বাণী ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে পুরো আয়োজন ধর্মীয় মর্যাদায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজীব চৌধুরী। সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আশুতোষ সরকার, বাংলাদেশ মানবকল্যাণ ফোরামের উপদেষ্টা কঞ্চন তালুকদার, বাগীশিক চট্টগ্রাম জেলাু সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি নাথ (রনি), চট্টগ্রাম জন্মাষ্টমী পরিষদের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক প্রবাস কুমার দে, বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবকল্যাণ ফোরামের সভাপতি লায়ন শিমুল নন্দী, সনাতন সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ দাশ গুপ্ত, বিপ্লব খাস্তগীর, সুধীর দে, নন্দ গোপাল চৌধুরী, সুজল চক্রবর্ত্তীসহ আরও অনেকে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সনাতন সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম লিডার প্রভাত চৌধুরী (আপন), উজ্জ্বল দে, রুপন সরকার, রুপন দাশ, অভি চৌধুরীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
টিম আরাধ্যা'র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সনাতন ধর্মীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে সংগীতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ‘টিম আরাধ্যা’র প্রধান লক্ষ্য।
তারা আরও বলেন, “সংগীতের মূর্ছনায় সনাতনী আদর্শকে তুলে ধরা এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের অঙ্গীকার। এই যাত্রায় আমরা সকলের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করি।”
বর্ণাঢ্য এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ধর্মীয় আবহ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ভক্তিমূলক আবেগে পরিপূর্ণ ছিল। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয়ে এটি গভীর ছাপ ফেলে এবং ‘টিম আরাধ্যা’র নতুন যাত্রাকে স্মরণীয় করে তোলে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আত্মপ্রকাশ করল ‘টিম আরাধ্যা’
মিলন বৈদ্য শুভ,(চট্টগ্রাম): সনাতনী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আদর্শকে ধারণ করে সংগীতের মাধ্যমে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল নতুন মিউজিক্যাল গ্রুপ ‘টিম আরাধ্যা’।
গত শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লাস্থ গুরুধাম মন্দির প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই সংগীত দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ‘টিম আরাধ্যা’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, যা পুরো মন্দির প্রাঙ্গণকে এক আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় আবহে রূপ দেয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী জলদি শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের উপাধ্যক্ষ শ্রী শ্রীমৎ স্বামী রামানন্দ পুরী মহারাজ। তাঁর আশীর্বাণী ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে পুরো আয়োজন ধর্মীয় মর্যাদায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজীব চৌধুরী। সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আশুতোষ সরকার, বাংলাদেশ মানবকল্যাণ ফোরামের উপদেষ্টা কঞ্চন তালুকদার, বাগীশিক চট্টগ্রাম জেলাু সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি নাথ (রনি), চট্টগ্রাম জন্মাষ্টমী পরিষদের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক প্রবাস কুমার দে, বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবকল্যাণ ফোরামের সভাপতি লায়ন শিমুল নন্দী, সনাতন সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ দাশ গুপ্ত, বিপ্লব খাস্তগীর, সুধীর দে, নন্দ গোপাল চৌধুরী, সুজল চক্রবর্ত্তীসহ আরও অনেকে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সনাতন সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম লিডার প্রভাত চৌধুরী (আপন), উজ্জ্বল দে, রুপন সরকার, রুপন দাশ, অভি চৌধুরীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
টিম আরাধ্যা'র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সনাতন ধর্মীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে সংগীতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ‘টিম আরাধ্যা’র প্রধান লক্ষ্য।
তারা আরও বলেন, “সংগীতের মূর্ছনায় সনাতনী আদর্শকে তুলে ধরা এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের অঙ্গীকার। এই যাত্রায় আমরা সকলের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করি।”
বর্ণাঢ্য এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ধর্মীয় আবহ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ভক্তিমূলক আবেগে পরিপূর্ণ ছিল। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয়ে এটি গভীর ছাপ ফেলে এবং ‘টিম আরাধ্যা’র নতুন যাত্রাকে স্মরণীয় করে তোলে।

আপনার মতামত লিখুন