ডেইলি বাংল সংবাদ
আপডেট : শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ধর্ষণের শিকার রমিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।

ধর্ষণের শিকার রমিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।

ধর্ষণের শিকার রমিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । 

পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৭ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন!

অন্যদিকে রামিসার বাবা তারেক রহমানের পায়ে পড়ে যান, পাশে রামিসার মা হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা কোনো টাকা চাননি, কোনো সরকারি চাকরিও চাননি। তারা শুধু চেয়েছেন যাদের কারণে তাদের সন্তান পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে, তাদের সঠিক বিচার। আর চেয়েছেন তাদের বড় মেয়ের নিরাপত্তা।

তারেক রহমান তাদের আশ্বস্ত করেছেন দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বড় বোন রাইসা আক্তারের পড়ালেখা ও নিরাপত্তাসহ সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আসলে এমন পরিবারগুলো খুব বেশি কিছু চায় না। তারা সম্পদ চায় না, সুবিধা চায় না তারা শুধু ইনসাফ চায়।তারেক রহমানকে ধন্যবাদ, তিনি আজ তাদের পাশে এসেছেন। তবে মানুষের প্রত্যাশা একটাই এটা যেন শুধু মুহূর্তের সহানুভূতি হয়ে না থাকে, বরং কথাগুলো বাস্তব পদক্ষেপেও দেখা যায়!

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।সাধারণ মানুষ আশাবাদী এবার ধর্ষণের শিকার রামিসা আক্তারের হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে হবে  ।



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


ধর্ষণের শিকার রমিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

ধর্ষণের শিকার রমিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । 

পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৭ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন!

অন্যদিকে রামিসার বাবা তারেক রহমানের পায়ে পড়ে যান, পাশে রামিসার মা হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা কোনো টাকা চাননি, কোনো সরকারি চাকরিও চাননি। তারা শুধু চেয়েছেন যাদের কারণে তাদের সন্তান পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে, তাদের সঠিক বিচার। আর চেয়েছেন তাদের বড় মেয়ের নিরাপত্তা।

তারেক রহমান তাদের আশ্বস্ত করেছেন দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বড় বোন রাইসা আক্তারের পড়ালেখা ও নিরাপত্তাসহ সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আসলে এমন পরিবারগুলো খুব বেশি কিছু চায় না। তারা সম্পদ চায় না, সুবিধা চায় না তারা শুধু ইনসাফ চায়।তারেক রহমানকে ধন্যবাদ, তিনি আজ তাদের পাশে এসেছেন। তবে মানুষের প্রত্যাশা একটাই এটা যেন শুধু মুহূর্তের সহানুভূতি হয়ে না থাকে, বরং কথাগুলো বাস্তব পদক্ষেপেও দেখা যায়!

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।সাধারণ মানুষ আশাবাদী এবার ধর্ষণের শিকার রামিসা আক্তারের হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে হবে  ।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ