ফেসবুক পোস্টের জেরে মদনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত ২
মোঃ রাসেল আহমেদ নেত্রকোণা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদনে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহ নামে দুই পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে আব্দুল্লাহর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে আহত আব্দুল্লাহর বাবা শফিকুর রহমান বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে বুধবার (২০ মে) মদন পৌরসদরের মদন আদর্শ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহ জাহাঙ্গীরপুর তাহুরা আমিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং চানগাঁও চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত সিয়াম একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও মদন ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ ও সিয়ামের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে বুধবার পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে সিয়াম তার সহযোগীদের নিয়ে আব্দুল্লাহর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহকে বেধড়ক মারধর করা হলে তারা গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও সহপাঠীরা আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহর অবস্থার অবনতি দেখে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
আব্দুল্লাহর বাবা শফিকুর রহমান বলেন “আমার ছেলে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছে। এখন দুই চোখে ঝাপসা দেখছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল থেকে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
অভিযুক্ত সিয়ামের বাবা বাবুল মাস্টার বলেন“কিছুদিন আগে নাকি আমার ছেলেকে ওরা মারধর করেছিল। বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। বুধবার তাদের মধ্যে কিছুটা ঝামেলা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আব্দুল্লাহর বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।”
এ বিষয়ে মদন থানার ওসি (তদন্ত) অসীম কুমার দাস বলেন“ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ফেসবুক পোস্টের জেরে মদনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত ২
মোঃ রাসেল আহমেদ নেত্রকোণা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদনে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহ নামে দুই পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে আব্দুল্লাহর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে আহত আব্দুল্লাহর বাবা শফিকুর রহমান বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে বুধবার (২০ মে) মদন পৌরসদরের মদন আদর্শ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহ জাহাঙ্গীরপুর তাহুরা আমিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং চানগাঁও চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত সিয়াম একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও মদন ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ ও সিয়ামের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে বুধবার পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে সিয়াম তার সহযোগীদের নিয়ে আব্দুল্লাহর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় আব্দুল্লাহ ও আইনুল্লাহকে বেধড়ক মারধর করা হলে তারা গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও সহপাঠীরা আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহর অবস্থার অবনতি দেখে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
আব্দুল্লাহর বাবা শফিকুর রহমান বলেন “আমার ছেলে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছে। এখন দুই চোখে ঝাপসা দেখছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল থেকে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
অভিযুক্ত সিয়ামের বাবা বাবুল মাস্টার বলেন“কিছুদিন আগে নাকি আমার ছেলেকে ওরা মারধর করেছিল। বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। বুধবার তাদের মধ্যে কিছুটা ঝামেলা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আব্দুল্লাহর বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।”
এ বিষয়ে মদন থানার ওসি (তদন্ত) অসীম কুমার দাস বলেন“ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন