কলাপাড়ায় ঘরের সিধ কেটে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা: মূল আসামিসহ গ্রেফতার ৩
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘরে সিধ কেটে ঢুকে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার বনানী এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ রাব্বি খানকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার (২৩ মে) পুলিশ সুপারের কার্যালয় পটুয়াখালী থেকে প্রদানকৃত প্রেস রিলিজে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতরা হলেন কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা মোঃ রাব্বি খান (৩২), মোঃ রুবেল মৃধা (৪০) ও মোঃ ইমন হাওলাদার (৩৫)। গত ২২ মে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বনানী থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী রাব্বি খান তাকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ১৬ মে গভীর রাতে ভিকটিমের মা ও ভাই মাছ ধরতে নদীতে গেলে মেয়েটি ঘরে একা ছিল। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে অভিযুক্তরা ঘরের টিনের চালার নিচে সিধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘুমন্ত ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় ভিকটিম চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তখন আলোতে মূল আসামি রাব্বিকে শনাক্ত করেন ভিকটিম। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনজন দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন ১৬ মে কলাপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়, যার মামলা নং-১৫। মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশের একাধিক টিম তদন্তে নামে।
পুলিশ জানায়, আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছিল। পরে কলাপাড়া থানা পুলিশ স্থানীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেল মৃধা ও ইমন হাওলাদারকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার বনানী থানা এলাকা থেকে মূল আসামি রাব্বি খানকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারের পর রাব্বি খান আদালতে জবানবন্দিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, বটি, লাঠি ও মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
কলাপাড়ায় ঘরের সিধ কেটে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা: মূল আসামিসহ গ্রেফতার ৩
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘরে সিধ কেটে ঢুকে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার বনানী এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ রাব্বি খানকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার (২৩ মে) পুলিশ সুপারের কার্যালয় পটুয়াখালী থেকে প্রদানকৃত প্রেস রিলিজে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতরা হলেন কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা মোঃ রাব্বি খান (৩২), মোঃ রুবেল মৃধা (৪০) ও মোঃ ইমন হাওলাদার (৩৫)। গত ২২ মে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বনানী থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী রাব্বি খান তাকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ১৬ মে গভীর রাতে ভিকটিমের মা ও ভাই মাছ ধরতে নদীতে গেলে মেয়েটি ঘরে একা ছিল। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে অভিযুক্তরা ঘরের টিনের চালার নিচে সিধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘুমন্ত ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় ভিকটিম চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তখন আলোতে মূল আসামি রাব্বিকে শনাক্ত করেন ভিকটিম। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনজন দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন ১৬ মে কলাপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়, যার মামলা নং-১৫। মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশের একাধিক টিম তদন্তে নামে।
পুলিশ জানায়, আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছিল। পরে কলাপাড়া থানা পুলিশ স্থানীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেল মৃধা ও ইমন হাওলাদারকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার বনানী থানা এলাকা থেকে মূল আসামি রাব্বি খানকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারের পর রাব্বি খান আদালতে জবানবন্দিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, বটি, লাঠি ও মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন