সরিষাবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বসত বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভাটারা পশ্চিমপাড়া গ্রামে চারটি স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটেছে প্রতিপক্ষের সর্মথকরা।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীরা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ হোসেন জামান জুয়েল। সম্প্রতি তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবার রাতে তিনি স্থানীয় কিছু লোকজনের মধ্যে বিরিয়ানি প্যাকেট বিতরণ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে হারুন অর রশীদ খানের সমর্থকরা রোববার গভীর রাতে ভাটারা পশ্চিমপাড়া গ্রামে কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা খলিলুর রহমানের বাড়ির টিনের বাউন্ডারি কুপিয়ে-পিটিয়ে ক্ষতি সাধন করে। এ ছাড়াও জুয়েলের পোল্ট্রি ফার্মের প্রবেশ পথের গেট ভাংচুর, লুৎফর রহমান লালুর বসত বাড়ির ঘরের বেড়া ভাঙচুর, মজিবর রহমানের বসত ঘরের থাই জানালা ভাঙচুর এবং স্টিলের দরজা পিটিয়ে ক্ষতিগ্রস্থের চেষ্টা করা হয় বলে ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান সহ অনান্যরা অভিযোগ করেন। তারা প্রতিপক্ষের ভয়ে আইনগত ব্যাবস্থা নিতেও ভয় পাচ্ছেন বলে জানান তারা।
ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান লালু বলেন, “শেখ হোসেন জামান জুয়েল একজন ভালো মানুষ। আমরা তাঁর সমর্থক হওয়ায় এবং তাঁর দেওয়া বিরিয়ানি খাওয়ার কারণে হারুন অর রশীদ খানের লোকজন আমাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ হোসেন জামান জুয়েল বলেন, “আমার ক্রমবর্ধমান জনসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ খান আধিপত্য বিস্তার করতে তার লোকজন আমার সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
সরিষাবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বসত বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভাটারা পশ্চিমপাড়া গ্রামে চারটি স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটেছে প্রতিপক্ষের সর্মথকরা।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীরা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ হোসেন জামান জুয়েল। সম্প্রতি তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবার রাতে তিনি স্থানীয় কিছু লোকজনের মধ্যে বিরিয়ানি প্যাকেট বিতরণ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে হারুন অর রশীদ খানের সমর্থকরা রোববার গভীর রাতে ভাটারা পশ্চিমপাড়া গ্রামে কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা খলিলুর রহমানের বাড়ির টিনের বাউন্ডারি কুপিয়ে-পিটিয়ে ক্ষতি সাধন করে। এ ছাড়াও জুয়েলের পোল্ট্রি ফার্মের প্রবেশ পথের গেট ভাংচুর, লুৎফর রহমান লালুর বসত বাড়ির ঘরের বেড়া ভাঙচুর, মজিবর রহমানের বসত ঘরের থাই জানালা ভাঙচুর এবং স্টিলের দরজা পিটিয়ে ক্ষতিগ্রস্থের চেষ্টা করা হয় বলে ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান সহ অনান্যরা অভিযোগ করেন। তারা প্রতিপক্ষের ভয়ে আইনগত ব্যাবস্থা নিতেও ভয় পাচ্ছেন বলে জানান তারা।
ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান লালু বলেন, “শেখ হোসেন জামান জুয়েল একজন ভালো মানুষ। আমরা তাঁর সমর্থক হওয়ায় এবং তাঁর দেওয়া বিরিয়ানি খাওয়ার কারণে হারুন অর রশীদ খানের লোকজন আমাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ হোসেন জামান জুয়েল বলেন, “আমার ক্রমবর্ধমান জনসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ খান আধিপত্য বিস্তার করতে তার লোকজন আমার সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন