ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও আখাউড়ায় লিচু, আম ও কাঁঠালের বাম্পার ফলন: কৃষক ও ক্রেতাদের মুখে হাসি।
জাহাঙ্গীর আলমজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ১৩ জুন ২০২৬:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে লিচু, আম ও কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার মুকুন্দপুর, সেজামুর, কালাছড়া, বিষ্ণুপুর, আজমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ফলের বাগানগুলোতে এ বছর প্রচুর ফলন হওয়ায় কৃষক ও বাগান মালিকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো পরিচর্যা এবং রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় এ বছর প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হয়েছে। ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন।
অন্যদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সাধারণ ক্রেতারাও তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে মৌসুমি ফল কিনতে পারছেন। এতে লিচু, আম ও কাঁঠালপ্রেমীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন বাম্পার ফলন বজায় রাখতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়মিত পরিচর্যা এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি। স্থানীয় অর্থনীতিতেও এই ফলন ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশা করছেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও আখাউড়ায় লিচু, আম ও কাঁঠালের বাম্পার ফলন: কৃষক ও ক্রেতাদের মুখে হাসি।
জাহাঙ্গীর আলমজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ১৩ জুন ২০২৬:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে লিচু, আম ও কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার মুকুন্দপুর, সেজামুর, কালাছড়া, বিষ্ণুপুর, আজমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ফলের বাগানগুলোতে এ বছর প্রচুর ফলন হওয়ায় কৃষক ও বাগান মালিকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো পরিচর্যা এবং রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় এ বছর প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হয়েছে। ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন।
অন্যদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সাধারণ ক্রেতারাও তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে মৌসুমি ফল কিনতে পারছেন। এতে লিচু, আম ও কাঁঠালপ্রেমীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন বাম্পার ফলন বজায় রাখতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়মিত পরিচর্যা এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি। স্থানীয় অর্থনীতিতেও এই ফলন ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন