ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

নারায়ণগঞ্জে তরুণ সাংবাদিকদের মেধা বিকাশে জমকালো কর্মশালা ও সনদ বিতরণ

নারায়ণগঞ্জে তরুণ সাংবাদিকদের মেধা বিকাশে জমকালো কর্মশালা ও সনদ বিতরণ

হরিরামপুরে আন্ধারমানিক মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন  উৎসব মুখর পরিবেশ সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত।

হরিরামপুরে আন্ধারমানিক মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশ সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত।

বিশ্বনাথের পল্লীতে বালু ও পাথর দিয়েসরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

বিশ্বনাথের পল্লীতে বালু ও পাথর দিয়েসরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে চট্টগ্রামে জেলেদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে চট্টগ্রামে জেলেদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

জরুরি অবস্থার ৫১তম‌ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলকাতার পুরসভা অভিযান করলেন।

জরুরি অবস্থার ৫১তম‌ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলকাতার পুরসভা অভিযান করলেন।

পীরগঞ্জ পৌরসভায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস এডভোকেসী

পীরগঞ্জ পৌরসভায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস এডভোকেসী

১১ দলের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে কটিয়াদীতে জামায়াতের মিছিল ও লিফলেট বিতরণ

১১ দলের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে কটিয়াদীতে জামায়াতের মিছিল ও লিফলেট বিতরণ

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

আজ ২৫ শে জুন বৃহস্পতিবার,   কলকাতা তারাতলা ব্রেসব্রীজ সংলগ্ন পি-টোয়েন্টি ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট রোডের , পোর্ট টাষ্ট্রের জমি লিজ নিয়ে যে আন্ডার কনস্ট্রাকশন তৈরি হচ্ছিল, আগামীকাল যেটি বিধ্বংসী ভাবে ভেঙে পড়েছিল এবং মানুষ চাপা পড়ে গিয়েছিল আজ তার দ্বিতীয় দিন, 

সকাল থেকে কোনো ভাবে উদ্ধারকার্য চললেও, চারজনকে নিচে চাপা পড়া অবস্থা থেকে উদ্ধার করার পর, ঠিক দুপুর দেড়টা নাগাদ প্রচন্ড পরিমানে বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টি হওয়ায় উদ্ধারকার্য সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক আত্মীয়-স্বজন এবং কাহারো বাবা, কাহারো মা বা কাহারো আত্মীয়-স্বজন হাহাকার করতে থাকেন ঘটনাস্থলে এবং অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন হসপিটাল থেকে শুরু করে এই বিধ্বংসী স্থানে। 

সবাই অপেক্ষা করতে থাকেন কখন কারো ছেলে, কারো বাবা, কারো আত্মীয়কে চোখের সামনে দেখতে পাবে। তাহার প্রতীক্ষায় । দুপুর বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুনরায় বিধায়ক ও ডক্টর ইন্দ্রনীল খান,  তিনি সম্পূর্ণ এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। 

সাংবাদিকরা জানতে চান, এখন পরিস্থিতি কেমন, কতজন চাপা পড়ে আছে, কতটা উদ্ধার কার্যের কাজ এগিয়েছে, তাহার উত্তরে বলেন, সরকারের তরফ থেকে সমস্ত রকম ব্যবস্থা কাল থেকে নেওয়া হয়েছে, আজকেও একইভাবে কাজ চলছে, যতক্ষণ না সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে এবং উদ্ধার কার্য শেষ হবে সঠিক কিছু বলা সম্ভব নয়। 

তবে যাহারা কাজ করছেন, তাহারা সুন্দর ভাবে কাজ করছেন, অনেক অভিজ্ঞ, এবং আপ্রাণ চেষ্টা করছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উদ্ধারকার্য সম্পন্ন করার। অন্যদিকে সরাসরি লালবাজারের সাথে একটি হেল্প লাইন খোলা রয়েছে যেখানে সমস্ত কিছু জানতে পারবেন, 

আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী না ঘটার সাথে সাথে সমস্ত রকম ভাবে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন, এবং সমস্ত রকম উদ্ধারকার্যে মোকাবেলা টিম ঘটনাস্থলে তৈরি রেখেছেন, 

বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে, পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ, দমকল, কেএম সি, দুর্যোগ মোকাবিলা টিম, স্বাস্থ্য দপ্তর, সেনাবাহিনী, ও অন্যান্য। বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার ফলে তখনো উদ্ধারকার্য চালাতে পারেননি তবে আজও সারারাত ধরে উদ্ধারকার্য চলবে। 

পর্যন্ত প্রায় 25 জনের মতো উদ্ধার হয়েছে তার মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, বাকিরা   জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অল্প বেশি। মুখ্যমন্ত্রী বারবার স্বাস্থ্য দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছেন হসপিটালে, এদের যাতে কোনরকম অসুবিধে না হয় ঠিকমতো চিকিৎসা হয় তাহার দিকে নজর রাখার চেষ্টা করছেন। তবে জানা যায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন। বাকিদেরও খোঁজ চলছে। 

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য এক লক্ষ টাকা স্বল্প আঘাতকারীদের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় রাজ্য সরকারের ডবল ইঞ্জিন সরকার। 

দূর দুরান্ত থেকে আশা খেটে খাওয়া শ্রমিক ভাইদের এইরকম একটি ঘটনা ঘটায় এলাকা থমথমে। তবে অনেকেই এসএসকে হসপিটালে অপেক্ষা করছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনের জন্য। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতদের সামনে। সাধারণ মানুষ চাই দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক, বেআইনি নির্মাণ বন্ধ হোক। 



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

দ্বিতীয় দিনে,বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টির ফলে,ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ আটকে গেলো।

আজ ২৫ শে জুন বৃহস্পতিবার,   কলকাতা তারাতলা ব্রেসব্রীজ সংলগ্ন পি-টোয়েন্টি ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট রোডের , পোর্ট টাষ্ট্রের জমি লিজ নিয়ে যে আন্ডার কনস্ট্রাকশন তৈরি হচ্ছিল, আগামীকাল যেটি বিধ্বংসী ভাবে ভেঙে পড়েছিল এবং মানুষ চাপা পড়ে গিয়েছিল আজ তার দ্বিতীয় দিন, 

সকাল থেকে কোনো ভাবে উদ্ধারকার্য চললেও, চারজনকে নিচে চাপা পড়া অবস্থা থেকে উদ্ধার করার পর, ঠিক দুপুর দেড়টা নাগাদ প্রচন্ড পরিমানে বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে বৃষ্টি হওয়ায় উদ্ধারকার্য সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক আত্মীয়-স্বজন এবং কাহারো বাবা, কাহারো মা বা কাহারো আত্মীয়-স্বজন হাহাকার করতে থাকেন ঘটনাস্থলে এবং অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন হসপিটাল থেকে শুরু করে এই বিধ্বংসী স্থানে। 

সবাই অপেক্ষা করতে থাকেন কখন কারো ছেলে, কারো বাবা, কারো আত্মীয়কে চোখের সামনে দেখতে পাবে। তাহার প্রতীক্ষায় । দুপুর বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুনরায় বিধায়ক ও ডক্টর ইন্দ্রনীল খান,  তিনি সম্পূর্ণ এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। 

সাংবাদিকরা জানতে চান, এখন পরিস্থিতি কেমন, কতজন চাপা পড়ে আছে, কতটা উদ্ধার কার্যের কাজ এগিয়েছে, তাহার উত্তরে বলেন, সরকারের তরফ থেকে সমস্ত রকম ব্যবস্থা কাল থেকে নেওয়া হয়েছে, আজকেও একইভাবে কাজ চলছে, যতক্ষণ না সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে এবং উদ্ধার কার্য শেষ হবে সঠিক কিছু বলা সম্ভব নয়। 

তবে যাহারা কাজ করছেন, তাহারা সুন্দর ভাবে কাজ করছেন, অনেক অভিজ্ঞ, এবং আপ্রাণ চেষ্টা করছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উদ্ধারকার্য সম্পন্ন করার। অন্যদিকে সরাসরি লালবাজারের সাথে একটি হেল্প লাইন খোলা রয়েছে যেখানে সমস্ত কিছু জানতে পারবেন, 

আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী না ঘটার সাথে সাথে সমস্ত রকম ভাবে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন, এবং সমস্ত রকম উদ্ধারকার্যে মোকাবেলা টিম ঘটনাস্থলে তৈরি রেখেছেন, 

বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে, পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ, দমকল, কেএম সি, দুর্যোগ মোকাবিলা টিম, স্বাস্থ্য দপ্তর, সেনাবাহিনী, ও অন্যান্য। বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার ফলে তখনো উদ্ধারকার্য চালাতে পারেননি তবে আজও সারারাত ধরে উদ্ধারকার্য চলবে। 

পর্যন্ত প্রায় 25 জনের মতো উদ্ধার হয়েছে তার মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, বাকিরা   জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অল্প বেশি। মুখ্যমন্ত্রী বারবার স্বাস্থ্য দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছেন হসপিটালে, এদের যাতে কোনরকম অসুবিধে না হয় ঠিকমতো চিকিৎসা হয় তাহার দিকে নজর রাখার চেষ্টা করছেন। তবে জানা যায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন। বাকিদেরও খোঁজ চলছে। 

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য এক লক্ষ টাকা স্বল্প আঘাতকারীদের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় রাজ্য সরকারের ডবল ইঞ্জিন সরকার। 

দূর দুরান্ত থেকে আশা খেটে খাওয়া শ্রমিক ভাইদের এইরকম একটি ঘটনা ঘটায় এলাকা থমথমে। তবে অনেকেই এসএসকে হসপিটালে অপেক্ষা করছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনের জন্য। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতদের সামনে। সাধারণ মানুষ চাই দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক, বেআইনি নির্মাণ বন্ধ হোক। 




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ