ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

শ্রীপুরে অনিবন্ধিত সমবায় সমিতি নিয়ে অভিযোগ: গ্রেপ্তারি পরোয়ানার দাবির পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।

শ্রীপুরে অনিবন্ধিত সমবায় সমিতি নিয়ে অভিযোগ: গ্রেপ্তারি পরোয়ানার দাবির পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।

হারিয়ে যাবো কলমে : জান্নাতুল ফেরদৌস

হারিয়ে যাবো কলমে : জান্নাতুল ফেরদৌস

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী মামলায় হরিরামপুরে আব্দুল বাতেন প্রামাণিক নামক ওয়ারেন্টভুক্ত ১ জন আসামি গ্রেপ্তার।

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী মামলায় হরিরামপুরে আব্দুল বাতেন প্রামাণিক নামক ওয়ারেন্টভুক্ত ১ জন আসামি গ্রেপ্তার।

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় ভিআইপি বলতে কোনো শব্দ থাকবে না -মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ মাসুদ পারভেজ।

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় ভিআইপি বলতে কোনো শব্দ থাকবে না -মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ মাসুদ পারভেজ।

ফতেপুরে লিগ্যাল এইড কমিটির সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা

ফতেপুরে লিগ্যাল এইড কমিটির সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা

মোল্লাহাটে আমান উল্লাহ স্টোর অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই, ক্ষতি চার লাখ টাকা

মোল্লাহাটে আমান উল্লাহ স্টোর অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই, ক্ষতি চার লাখ টাকা

ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থার প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মনজুর ইসলাম

মানবাধিকার সংস্থার প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মনজুর ইসলাম

নড়াইলে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নড়াইলে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নড়াইলে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

 মো তুহিন মোল্লা নড়াইল প্রতিনিধি:- নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির আতাউর রহমান বাচ্চুর ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বরাদ্দের মাস্টাররোল (তালিকা) নিয়ে ফেসবুকে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা৷ নড়াইলের বেশকিছু ফেসবুক আইডি থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একই মাস্টাররোলে দুইবার ফাইজা নামে একটি মেয়ের নামে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অনুদান বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এক জায়গায় ফাইজার পিতার নাম 'মোঃ বাচ্চু' ও অন্যত্র 'মোঃ আতাউর' লেখা হয়েছে। সমালোচকদের দাবি ফাইজা এমপির মেয়ের নাম এবং পিতার নাম ঘুরিয়ে দুইবার অনুদানের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তবে ঘটনার অনুসন্ধানে জানা গেছে, একজন এমপি জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য প্রতি অর্থবছরে ৫ লক্ষ টাকা ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল পেয়ে থাকেন। যেদিন তিনি শপথ নিয়েছেন, সেদিন থেকে এই অর্থ বছরে হিসাব করলে নড়াইল-২ আসনে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়ার কথা। সেই টাকা নেয়ার জন্য সংসদ সচিবালয়ে নামের তালিকা আগে জমা দেয়া লাগে। সেজন্য এটি এমপির পিএস তৈরি করে দিয়েছেন। এখনও অনুদানের অর্থ তিনি হাতে পাননি। ফলে, আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়।

ঘটনাটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাখ্যা করে এমপি আতাউর রহমান বাচ্চু একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, আমি এলাকায় ব্যস্ত থাকায় পিএস ফোন দিল, আজকের মধ্যে নামের তালিকাসহ ডিও জমা দিতে হবে। আমি তাকে বললাম তুমি সব ইউনিয়ন থেকে তালিকা সংগ্রহ করে জমা দাও। 

সে বলল, অফিস থেকে বলেছে এখন কিছু পরিচিত নাম দিয়ে এটা তুলে নিতে হবে। পরে বিভিন্ন সময়ে বিতরণ করে প্রকৃত তালিকা আপনারা সংরক্ষণ করতে পারবেন। তখন পিএস এর কাছে থাকা স্বাক্ষর করা প্যাডে এই তালিকাটা অফিসে জমা দিয়েছে। তালিকায় কাদের নাম দিয়েছে আমি দেখারও সুযোগ পায়নি। এমনকি কি সেই টাকাটা এখনও আমি হাতে পায়নি। কিন্তু এখন দেখছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক কিছু লেখা।

 টাকা হাতে পাওয়ার পর এই অর্থ বছর শেষ হলে অন্যান্য অনুদানের মতো প্রকৃত তালিকা নড়াইল-২ আসনের জনগণ জানতে পারবে ইনশাআল্লাহ। যারা হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা করছেন তাদের জন্য আমার অফুরন্ত দোয়া। নির্বাচনের পূর্বেও আপনাদের অনেকের অপপ্রচারের কারণে মহান আল্লাহ আমার পরিচিত অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জনগণের হকের একটি পয়সাও আমি বা আমার পরিবারের কেউ আগামী ৫ বছরে ছুঁয়ে দেখবে না ইনশাআল্লাহ।

নিজ মেয়ের নাম তালিকায় এসেছে কিনা আসলে কীভাবে আসলো এমন প্রশ্নের উত্তরে আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, এখানে কে আমার মেয়ের নাম দিয়েছে আমি নিজেই জানিনা। আমার ব্যক্তিগত সহকারীকে তালিকাটি তৈরি করতে বলা হয়েছিল৷ আমি তালিকা তৈরিও করিনি, এমনকি অনুদানের টাকাটা এখনও পাইনি। সেখানে আত্মসাতের তো প্রশ্নই আসে না। অনুদানের টাকা বিতরণের আগেই আত্মসাতের কথা বলাই প্রমাণ করে এগুলো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার। বিষয়টি আগামীতে আরও ভালোভাবে স্পষ্ট করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


নড়াইলে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

নড়াইলে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার

 মো তুহিন মোল্লা নড়াইল প্রতিনিধি:- নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির আতাউর রহমান বাচ্চুর ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বরাদ্দের মাস্টাররোল (তালিকা) নিয়ে ফেসবুকে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা৷ নড়াইলের বেশকিছু ফেসবুক আইডি থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একই মাস্টাররোলে দুইবার ফাইজা নামে একটি মেয়ের নামে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অনুদান বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এক জায়গায় ফাইজার পিতার নাম 'মোঃ বাচ্চু' ও অন্যত্র 'মোঃ আতাউর' লেখা হয়েছে। সমালোচকদের দাবি ফাইজা এমপির মেয়ের নাম এবং পিতার নাম ঘুরিয়ে দুইবার অনুদানের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তবে ঘটনার অনুসন্ধানে জানা গেছে, একজন এমপি জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য প্রতি অর্থবছরে ৫ লক্ষ টাকা ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল পেয়ে থাকেন। যেদিন তিনি শপথ নিয়েছেন, সেদিন থেকে এই অর্থ বছরে হিসাব করলে নড়াইল-২ আসনে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়ার কথা। সেই টাকা নেয়ার জন্য সংসদ সচিবালয়ে নামের তালিকা আগে জমা দেয়া লাগে। সেজন্য এটি এমপির পিএস তৈরি করে দিয়েছেন। এখনও অনুদানের অর্থ তিনি হাতে পাননি। ফলে, আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়।

ঘটনাটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাখ্যা করে এমপি আতাউর রহমান বাচ্চু একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, আমি এলাকায় ব্যস্ত থাকায় পিএস ফোন দিল, আজকের মধ্যে নামের তালিকাসহ ডিও জমা দিতে হবে। আমি তাকে বললাম তুমি সব ইউনিয়ন থেকে তালিকা সংগ্রহ করে জমা দাও। 

সে বলল, অফিস থেকে বলেছে এখন কিছু পরিচিত নাম দিয়ে এটা তুলে নিতে হবে। পরে বিভিন্ন সময়ে বিতরণ করে প্রকৃত তালিকা আপনারা সংরক্ষণ করতে পারবেন। তখন পিএস এর কাছে থাকা স্বাক্ষর করা প্যাডে এই তালিকাটা অফিসে জমা দিয়েছে। তালিকায় কাদের নাম দিয়েছে আমি দেখারও সুযোগ পায়নি। এমনকি কি সেই টাকাটা এখনও আমি হাতে পায়নি। কিন্তু এখন দেখছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক কিছু লেখা।

 টাকা হাতে পাওয়ার পর এই অর্থ বছর শেষ হলে অন্যান্য অনুদানের মতো প্রকৃত তালিকা নড়াইল-২ আসনের জনগণ জানতে পারবে ইনশাআল্লাহ। যারা হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা করছেন তাদের জন্য আমার অফুরন্ত দোয়া। নির্বাচনের পূর্বেও আপনাদের অনেকের অপপ্রচারের কারণে মহান আল্লাহ আমার পরিচিত অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জনগণের হকের একটি পয়সাও আমি বা আমার পরিবারের কেউ আগামী ৫ বছরে ছুঁয়ে দেখবে না ইনশাআল্লাহ।

নিজ মেয়ের নাম তালিকায় এসেছে কিনা আসলে কীভাবে আসলো এমন প্রশ্নের উত্তরে আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, এখানে কে আমার মেয়ের নাম দিয়েছে আমি নিজেই জানিনা। আমার ব্যক্তিগত সহকারীকে তালিকাটি তৈরি করতে বলা হয়েছিল৷ আমি তালিকা তৈরিও করিনি, এমনকি অনুদানের টাকাটা এখনও পাইনি। সেখানে আত্মসাতের তো প্রশ্নই আসে না। অনুদানের টাকা বিতরণের আগেই আত্মসাতের কথা বলাই প্রমাণ করে এগুলো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার। বিষয়টি আগামীতে আরও ভালোভাবে স্পষ্ট করা হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ