ধবলসূতি সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা ঘিরে উত্তেজনা,বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ,বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
মোঃ আনিছুল ইসলাম রাজিব, লালমনিরহাট প্রতিনিধি।লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসূতি সীমান্তে তিন নারীকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দাবি করেছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ভোররাতে কাঁটাতারের ফটক ব্যবহার করে ওই নারীদের বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক অবস্থান ও কড়া নজরদারির কারণে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।
শনিবার সকালে লালমনিরহাট ৬১ বিজিবি (তিস্তা ব্যাটালিয়ন) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে ধবলসূতি সীমান্তের একটি পিলারসংলগ্ন এলাকায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের খরখড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তিন নারীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। পরে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ওই তিন নারী সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। তবে তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব কিংবা কী কারণে সীমান্তে আনা হয়েছিল—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এ ঘটনায় লালমনিরহাট ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বিএসএফের ৯৮ ব্যাটালিয়নের কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানানো হয়েছে। তিনি সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ‘পুশ-ইন’ অভিযোগ নতুন নয়। তবে প্রতিটি ঘটনায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। বিশেষ করে পরিচয়বিহীন ব্যক্তিদের সীমান্তে এনে প্রবেশ করানোর অভিযোগ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
ঘটনার পর ধবলসূতি সীমান্তসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঠেকাতে সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ধবলসূতি সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা ঘিরে উত্তেজনা,বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ,বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
মোঃ আনিছুল ইসলাম রাজিব, লালমনিরহাট প্রতিনিধি।লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসূতি সীমান্তে তিন নারীকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দাবি করেছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ভোররাতে কাঁটাতারের ফটক ব্যবহার করে ওই নারীদের বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক অবস্থান ও কড়া নজরদারির কারণে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।
শনিবার সকালে লালমনিরহাট ৬১ বিজিবি (তিস্তা ব্যাটালিয়ন) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে ধবলসূতি সীমান্তের একটি পিলারসংলগ্ন এলাকায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের খরখড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তিন নারীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। পরে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ওই তিন নারী সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। তবে তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব কিংবা কী কারণে সীমান্তে আনা হয়েছিল—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এ ঘটনায় লালমনিরহাট ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বিএসএফের ৯৮ ব্যাটালিয়নের কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানানো হয়েছে। তিনি সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ‘পুশ-ইন’ অভিযোগ নতুন নয়। তবে প্রতিটি ঘটনায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। বিশেষ করে পরিচয়বিহীন ব্যক্তিদের সীমান্তে এনে প্রবেশ করানোর অভিযোগ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
ঘটনার পর ধবলসূতি সীমান্তসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঠেকাতে সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

আপনার মতামত লিখুন