ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বুড়ি তিস্তার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে নীলফামারী-১ আসনে সংসদ সদস্য

বুড়ি তিস্তার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে নীলফামারী-১ আসনে সংসদ সদস্য

দেবনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য স্বল্প খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ডাবলু

দেবনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য স্বল্প খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ডাবলু

২২ বছর পর এমপিওভুক্তি: অনুমোদনহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ সনদ ব্যবহারের অভিযোগে তেঁতুলিয়ার কলেজ অধ্যক্ষকে ঘিরে বিতর্ক

২২ বছর পর এমপিওভুক্তি: অনুমোদনহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ সনদ ব্যবহারের অভিযোগে তেঁতুলিয়ার কলেজ অধ্যক্ষকে ঘিরে বিতর্ক

ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন এমপি মহোদয়

ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন এমপি মহোদয়

হরিরামপুরে এডিপির অর্থায়নে এলজিইডি কর্তৃক ৫০০ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন।

হরিরামপুরে এডিপির অর্থায়নে এলজিইডি কর্তৃক ৫০০ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জেলা এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল কুড়িগ্রামে আসছেন আখতার, সার্জিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জেলা এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল কুড়িগ্রামে আসছেন আখতার, সার্জিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জেলা এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল কুড়িগ্রামে আসছেন আখতার, সার্জিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জেলা এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল কুড়িগ্রামে আসছেন আখতার, সার্জিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী  প্রতিনিধি।(২১শে জুলাই) মঙ্গলবার  সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়।

টানা ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা ভারতের পাহাড়ি ঢলে আবারও বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ইতোমধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তিস্তা নদীর পানি বাড়ার কারণে নীলফামারী জেলার দুটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

মঙ্গলবার  (২১জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী  প্রতিনিধি।(২১শে জুলাই) মঙ্গলবার  সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়।

টানা ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা ভারতের পাহাড়ি ঢলে আবারও বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ইতোমধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তিস্তা নদীর পানি বাড়ার কারণে নীলফামারী জেলার দুটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

মঙ্গলবার  (২১জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ