ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

​বেড়ায় ১৭ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস

​বেড়ায় ১৭ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস

যাবজ্জীবন সাজার পরোয়ানা গায়েব

যাবজ্জীবন সাজার পরোয়ানা গায়েব

খানসামায় ফুটবল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের গণিত ক্লাস নিলেন ইউএনও

খানসামায় ফুটবল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের গণিত ক্লাস নিলেন ইউএনও

ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত, মাদক নির্মূল ও জনদুর্ভোগ নিরসনে গুরুত্বারোপ

ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত, মাদক নির্মূল ও জনদুর্ভোগ নিরসনে গুরুত্বারোপ

টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভাংচুর ও টাকায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভাংচুর ও টাকায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

তাড়াশে ঘরজামাই স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পলাতক অভিযুক্ত

তাড়াশে ঘরজামাই স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পলাতক অভিযুক্ত

বদলগাছীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

বদলগাছীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

AI ব্যবহার করে ফরহাদ হোসেন আজাদের নামে অপপ্রচারের অভিযোগ, পঞ্চগড়ে সংবাদ সম্মেলন

AI ব্যবহার করে ফরহাদ হোসেন আজাদের নামে অপপ্রচারের অভিযোগ, পঞ্চগড়ে সংবাদ সম্মেলন

সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে মগড়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও

সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে মগড়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও

সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে মগড়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও

মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার মগড়া নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম এলাকা সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মদন ইউনিয়নের ফেকনী গ্রামে গিয়ে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, চলতি বর্ষায় মগড়া নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত কয়েক দিনের ভাঙনে ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতভিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদী থেকে মাত্র ২০ থেকে ৩০ গজ দূরত্বে অর্ধশতাধিক পরিবারের বসতঘর ও ফসলি জমি রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে এসব পরিবারের।

ভাঙনের খবর পেয়ে ইউএনও নাদির হোসেন শামীম প্রথমে মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছান। পরে প্রায় আধা কিলোমিটার কাদা ও পানি মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে ভাঙনকবলিত এলাকায় যান এবং ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও নাদির হোসেন শামীম বলেন, "নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ভাঙনরোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম. শাহাদাত হোসেন, মদন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বল, সাংবাদিক ইমরান হোসেন, সাংবাদিক সামসুল হক চ্যাম্পিয়ন, সাংবাদিক আঙ্গুর রহমান ভূঁইয়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয়দের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে মগড়া নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে ফেকনী গ্রামের অসংখ্য পরিবার ও কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে মগড়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে মগড়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও

মোঃ রাসেল আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলার মগড়া নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম এলাকা সরকারি গাড়ি ছেড়ে পায়ে হেঁটে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মদন ইউনিয়নের ফেকনী গ্রামে গিয়ে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, চলতি বর্ষায় মগড়া নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত কয়েক দিনের ভাঙনে ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতভিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদী থেকে মাত্র ২০ থেকে ৩০ গজ দূরত্বে অর্ধশতাধিক পরিবারের বসতঘর ও ফসলি জমি রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে এসব পরিবারের।

ভাঙনের খবর পেয়ে ইউএনও নাদির হোসেন শামীম প্রথমে মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছান। পরে প্রায় আধা কিলোমিটার কাদা ও পানি মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে ভাঙনকবলিত এলাকায় যান এবং ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও নাদির হোসেন শামীম বলেন, "নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ভাঙনরোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম. শাহাদাত হোসেন, মদন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বল, সাংবাদিক ইমরান হোসেন, সাংবাদিক সামসুল হক চ্যাম্পিয়ন, সাংবাদিক আঙ্গুর রহমান ভূঁইয়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয়দের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে মগড়া নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে ফেকনী গ্রামের অসংখ্য পরিবার ও কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ