পঞ্চগড়ে গৃহবধূ শাহানাজের রহস্যজনক মৃত্যু: সিআইডির তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
পঞ্চগড়, ২৮ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গাড়াতিপাড়া গ্রামে গৃহবধূ শাহানাজ পারভীনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নিহতের বাবার বাড়ির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নিহতের বাবা আব্দুল খালেক, চাচা আব্দুল বারেক, ছোট বোন শাজেদা বেগম ও ছোট বোনের স্বামী আব্দুল মতালেব। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের আতিকুর রহমানের সঙ্গে শাহানাজ পারভীনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারের দাবি, জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে আতিকুর রহমান সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর শাহানাজ সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। এ সময় তাকে বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৬ জুলাই ভোরে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, শাহানাজ আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তাদের দাবি, সে সময় মরদেহের দুই পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বাবা, চাচা ও ছোট বোন অভিযোগ করেন, শাহানাজ আত্মহত্যা করেননি; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তারা এ ঘটনায় শ্বশুর, শাশুড়ি ও জাকে দায়ী করে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হলেও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাদের দাবি, শরীরে থাকা আঘাতের চিহ্নগুলোও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শাহানাজ পারভীনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলন শেষে শাহানাজ পারভীনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড়ে গৃহবধূ শাহানাজের রহস্যজনক মৃত্যু: সিআইডির তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
পঞ্চগড়, ২৮ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গাড়াতিপাড়া গ্রামে গৃহবধূ শাহানাজ পারভীনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নিহতের বাবার বাড়ির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নিহতের বাবা আব্দুল খালেক, চাচা আব্দুল বারেক, ছোট বোন শাজেদা বেগম ও ছোট বোনের স্বামী আব্দুল মতালেব। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের আতিকুর রহমানের সঙ্গে শাহানাজ পারভীনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারের দাবি, জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে আতিকুর রহমান সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর শাহানাজ সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। এ সময় তাকে বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৬ জুলাই ভোরে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, শাহানাজ আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তাদের দাবি, সে সময় মরদেহের দুই পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বাবা, চাচা ও ছোট বোন অভিযোগ করেন, শাহানাজ আত্মহত্যা করেননি; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তারা এ ঘটনায় শ্বশুর, শাশুড়ি ও জাকে দায়ী করে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হলেও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাদের দাবি, শরীরে থাকা আঘাতের চিহ্নগুলোও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শাহানাজ পারভীনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলন শেষে শাহানাজ পারভীনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন