"বিতর্কিত এন,জি,ও সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের মানবতার পাতানো ফাঁদে উখিয়ার দুইশত পরিবার"
সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া কক্সবাজার:- দেশির মুগীর বদলে সোনালি মুরগি বিতরণ করে ২০০ পরিবার'কে ঠকিয়ে নিজেদের কারসাজি গোছাতে দায়সারা ভাবে শাস্তি দিয়ে তড়িঘড়ি করে এনজিও কর্মকর্তা সাসপেন্ড করলো তথাকথিত বিতর্কিত এন,জি,ও সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার।
দেশি মুরগির বদলে (পোল্ট্রি ফার্মের)সোনালি মুরগি দেওয়ায় মুক্তি কক্সবাজারের টেকনিক্যাল অফিসার-লাইভস্টক ইমাম মোহাম্মদ আবু হেনাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।(২০ সেপ্টেম্বর) রোজ রবিবার সকালে মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুপালং পূর্বপাড়া ও পশ্চিম পাড়ার দুই শতাধিক পরিবারকে প্রশিক্ষণ শেষে ৫টি করে মুরগি ও ভার্মি কম্পোস্ট সার বিতরণ করা হয়।
সেখানে দেশি মুরগির পরিবর্তে সোনালি মুরগি বিতরণের বিষয়টি ধরা পড়ে।একদল সংবাদর্মী ও এলাকাবাসীর নিকট তাদের অনিয়ম ধরা পড়লেও তড়িঘড়ি করে প্রতি পরিবারে ৫টি করে সোনালী মুরগী বিতরন কার্যক্রম দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করেছে।এদিকে অনিয়মে জড়িত মুক্তির কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেও ২০০ পরিবারকে ঠকিয়ে গেছে।এসব অনিয়মে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে রামু প্রজেক্ট অফিসে সংযুক্ত রাখা হচ্ছে বলে সুত্র জানিয়েছে। এ ব্যপারে মুক্তির প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকারকে বেশকয়বার ফোনে যোগাযোগে চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। উল্লেখ্য যে এর পূর্বেও শরণার্থী শিবির ৩ ও ৪ এ একই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে উপকার ভোগীদের ঠকানো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
"বিতর্কিত এন,জি,ও সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের মানবতার পাতানো ফাঁদে উখিয়ার দুইশত পরিবার"
সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া কক্সবাজার:- দেশির মুগীর বদলে সোনালি মুরগি বিতরণ করে ২০০ পরিবার'কে ঠকিয়ে নিজেদের কারসাজি গোছাতে দায়সারা ভাবে শাস্তি দিয়ে তড়িঘড়ি করে এনজিও কর্মকর্তা সাসপেন্ড করলো তথাকথিত বিতর্কিত এন,জি,ও সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার।
দেশি মুরগির বদলে (পোল্ট্রি ফার্মের)সোনালি মুরগি দেওয়ায় মুক্তি কক্সবাজারের টেকনিক্যাল অফিসার-লাইভস্টক ইমাম মোহাম্মদ আবু হেনাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।(২০ সেপ্টেম্বর) রোজ রবিবার সকালে মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুপালং পূর্বপাড়া ও পশ্চিম পাড়ার দুই শতাধিক পরিবারকে প্রশিক্ষণ শেষে ৫টি করে মুরগি ও ভার্মি কম্পোস্ট সার বিতরণ করা হয়।
সেখানে দেশি মুরগির পরিবর্তে সোনালি মুরগি বিতরণের বিষয়টি ধরা পড়ে।একদল সংবাদর্মী ও এলাকাবাসীর নিকট তাদের অনিয়ম ধরা পড়লেও তড়িঘড়ি করে প্রতি পরিবারে ৫টি করে সোনালী মুরগী বিতরন কার্যক্রম দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করেছে।এদিকে অনিয়মে জড়িত মুক্তির কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেও ২০০ পরিবারকে ঠকিয়ে গেছে।এসব অনিয়মে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে রামু প্রজেক্ট অফিসে সংযুক্ত রাখা হচ্ছে বলে সুত্র জানিয়েছে। এ ব্যপারে মুক্তির প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকারকে বেশকয়বার ফোনে যোগাযোগে চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। উল্লেখ্য যে এর পূর্বেও শরণার্থী শিবির ৩ ও ৪ এ একই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে উপকার ভোগীদের ঠকানো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন