সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের বুকে তা মুছে দিতে গভীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে ছুটে গেলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান
মোঃ খাইরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীপুর:- শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর মা দুর্গার আগমনী আলোয় ঝলমল করছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢালজোড়া ইউনিয়নের প্রতিটি পূজামণ্ডপ। কিন্তু সেই আলোর আড়ালেও যে শঙ্কা, যে কষ্ট, যে না বলা দুঃখ লুকিয়ে ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের বুকে তা মুছে দিতে গভীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে ছুটে গেলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে ঢালজোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেন তিনি।
মণ্ডপে দাঁড়িয়ে এক হিন্দু ভাইয়ের কাঁধে হাত রেখে আবেগঘন কণ্ঠে এমপি মজিবুর রহমান বলেন-নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম, যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, আমরা এমপি হই, তাহলে কি হয় - অতীতের যেকোনো সময়ের চাইতে হিন্দু ভাই বোনেরা ভালো থাকবেন। কি ভালো আছেন তো? এইটা জানার জন্য এসেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সমস্ত নেতাদের, এমপিকে এলাকায় থাকতে হবে। এ সময় তিনি বলেন, আমরা আপনাদেরকে গত বুধবার শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। আজকে রাত বারোটা পর্যন্ত আমরা আপনাদের সাথে থাকবো। কালকে সকাল থেকে থাকবো। মঙ্গলবার থাকবো। বুধবার বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত থাকবো। তারেক রহমানের সরকার আমাদের যে আপন, সেটা বোঝানোর জন্যই আমরা এসেছি।
এই বক্তব্যের পর মণ্ডপে উপস্থিত বয়োবৃদ্ধ সনাতনী নারী-পুরুষের চোখে জল চলে আসে। দীর্ঘদিনের ভয়, মন্দির ভাঙচুরের আতঙ্ক, রাত জেগে প্রতিমা পাহারা দেওয়ার কষ্টের কথা স্মরণ করে এক ভক্ত বলেন, বাবা, আমরা চাই শুধু একটু নিরাপত্তা, একটু শান্তিতে মায়ের পূজা করতে।
এমপি মজিবুর রহমানের এই উপস্থিতি তাদের কাছে শুধু রাজনীতি ছিল না, ছিল ভরসার হাত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা মিলেমিশে আমাদের এই দুর্গোৎসব সম্পন্ন করবো। মা দুর্গাকে আগামী বুধবার বিসর্জন দিবো। সবাই ভালো থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবলু, প্রমাণ, খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ। তারা প্রতিটি মণ্ডপে গিয়ে খোঁজ নেন, কোথাও কোনো সমস্যা আছে কিনা।
একজন পূজারী বলেন, অতীতে অনেক সরকার দেখেছি, ভোটের সময় আসে, পরে আর খবর নেয় না। কিন্তু এইবার তারেক রহমানের নির্দেশে বিসর্জন পর্যন্ত পাহারা এটা আমাদের অন্তরে আঘাত করেছে, ভালোবাসার আঘাত।
এই দুর্গাপূজা শুধু উৎসব নয়, সনাতনীদের অস্তিত্বের লড়াই। প্রতিমার চোখে যেমন মায়া, তেমনি ভক্তের চোখে থাকে হারানোর ভয়। সেই ভয়কে জয় করতেই এমপি মজিবুর রহমানের এই রাত জাগা। তার এই বার্তা - "বিএনপি আপনাদের বন্ধু, তারেক রহমান আপনাদের আপন- আজ ঢালজোড়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে ধ্বনিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের বুকে তা মুছে দিতে গভীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে ছুটে গেলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান
মোঃ খাইরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীপুর:- শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর মা দুর্গার আগমনী আলোয় ঝলমল করছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢালজোড়া ইউনিয়নের প্রতিটি পূজামণ্ডপ। কিন্তু সেই আলোর আড়ালেও যে শঙ্কা, যে কষ্ট, যে না বলা দুঃখ লুকিয়ে ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের বুকে তা মুছে দিতে গভীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে ছুটে গেলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে ঢালজোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেন তিনি।
মণ্ডপে দাঁড়িয়ে এক হিন্দু ভাইয়ের কাঁধে হাত রেখে আবেগঘন কণ্ঠে এমপি মজিবুর রহমান বলেন-নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম, যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, আমরা এমপি হই, তাহলে কি হয় - অতীতের যেকোনো সময়ের চাইতে হিন্দু ভাই বোনেরা ভালো থাকবেন। কি ভালো আছেন তো? এইটা জানার জন্য এসেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সমস্ত নেতাদের, এমপিকে এলাকায় থাকতে হবে। এ সময় তিনি বলেন, আমরা আপনাদেরকে গত বুধবার শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। আজকে রাত বারোটা পর্যন্ত আমরা আপনাদের সাথে থাকবো। কালকে সকাল থেকে থাকবো। মঙ্গলবার থাকবো। বুধবার বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত থাকবো। তারেক রহমানের সরকার আমাদের যে আপন, সেটা বোঝানোর জন্যই আমরা এসেছি।
এই বক্তব্যের পর মণ্ডপে উপস্থিত বয়োবৃদ্ধ সনাতনী নারী-পুরুষের চোখে জল চলে আসে। দীর্ঘদিনের ভয়, মন্দির ভাঙচুরের আতঙ্ক, রাত জেগে প্রতিমা পাহারা দেওয়ার কষ্টের কথা স্মরণ করে এক ভক্ত বলেন, বাবা, আমরা চাই শুধু একটু নিরাপত্তা, একটু শান্তিতে মায়ের পূজা করতে।
এমপি মজিবুর রহমানের এই উপস্থিতি তাদের কাছে শুধু রাজনীতি ছিল না, ছিল ভরসার হাত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা মিলেমিশে আমাদের এই দুর্গোৎসব সম্পন্ন করবো। মা দুর্গাকে আগামী বুধবার বিসর্জন দিবো। সবাই ভালো থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবলু, প্রমাণ, খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ। তারা প্রতিটি মণ্ডপে গিয়ে খোঁজ নেন, কোথাও কোনো সমস্যা আছে কিনা।
একজন পূজারী বলেন, অতীতে অনেক সরকার দেখেছি, ভোটের সময় আসে, পরে আর খবর নেয় না। কিন্তু এইবার তারেক রহমানের নির্দেশে বিসর্জন পর্যন্ত পাহারা এটা আমাদের অন্তরে আঘাত করেছে, ভালোবাসার আঘাত।
এই দুর্গাপূজা শুধু উৎসব নয়, সনাতনীদের অস্তিত্বের লড়াই। প্রতিমার চোখে যেমন মায়া, তেমনি ভক্তের চোখে থাকে হারানোর ভয়। সেই ভয়কে জয় করতেই এমপি মজিবুর রহমানের এই রাত জাগা। তার এই বার্তা - "বিএনপি আপনাদের বন্ধু, তারেক রহমান আপনাদের আপন- আজ ঢালজোড়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে ধ্বনিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন