গাজীপুরের শ্রীপুরে রাসূল (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
মুহা. সাইদুল ইসলাম সানাউল্লাহ - স্টাফ রিপোর্টার :- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার এলাকায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটুক্তির অভিযোগে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) সন্ধ্যায় স্থানীয় তৌহিদী জনতার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সাগর সাহা নামের এক ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন মন্তব্য করেন—যা ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে বরমী বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তৌহিদী জনতা। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একটি প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বরমী ইউনিয়ন ইমাম-উলামা পরিষদের সভাপতি শায়খুল হাদীস মুফতী মঈন উদ্দীন সিরাজী। সঞ্চালনা করেন মুফতী মোজাম্মেল হক নূর।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন: বক্তারা মহানবী (সা.)-এর সম্মান রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “প্রিয় নবী (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি মুসলমানদের হৃদয়ে গভীর আঘাত হানে। এ ধরনের কাজ কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না।”
হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। তবে প্রশাসনের কাছে দাবি—অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
হাফেজ মাওলানা আফতাব উদ্দিন বলেন, “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা একটি গুরুতর অপরাধ। সমাজে শান্তি বজায় রাখতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
মুফতি মাহাদী হাসান তার বক্তব্যে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যেন ধর্মীয় উসকানি ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”
মাওলানা মাযহারুল ইসলাম বলেন, “আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাই না, কিন্তু ন্যায়বিচার চাই। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে।”
এছাড়াও আলহাজ্ব ফয়েজ আল মামুন ফকির, খোকন মিলিটারি, আল আমিন আকন্দ, মুফতি সাব্বির আহমেদ নাঈম, ইব্রাহিম খলিলসহ অন্যান্য বক্তারা একই ধরনের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে রাসূল (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
মুহা. সাইদুল ইসলাম সানাউল্লাহ - স্টাফ রিপোর্টার :- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার এলাকায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটুক্তির অভিযোগে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) সন্ধ্যায় স্থানীয় তৌহিদী জনতার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সাগর সাহা নামের এক ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন মন্তব্য করেন—যা ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে বরমী বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তৌহিদী জনতা। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একটি প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বরমী ইউনিয়ন ইমাম-উলামা পরিষদের সভাপতি শায়খুল হাদীস মুফতী মঈন উদ্দীন সিরাজী। সঞ্চালনা করেন মুফতী মোজাম্মেল হক নূর।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন: বক্তারা মহানবী (সা.)-এর সম্মান রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “প্রিয় নবী (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি মুসলমানদের হৃদয়ে গভীর আঘাত হানে। এ ধরনের কাজ কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না।”
হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। তবে প্রশাসনের কাছে দাবি—অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
হাফেজ মাওলানা আফতাব উদ্দিন বলেন, “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা একটি গুরুতর অপরাধ। সমাজে শান্তি বজায় রাখতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
মুফতি মাহাদী হাসান তার বক্তব্যে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যেন ধর্মীয় উসকানি ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”
মাওলানা মাযহারুল ইসলাম বলেন, “আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাই না, কিন্তু ন্যায়বিচার চাই। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে।”
এছাড়াও আলহাজ্ব ফয়েজ আল মামুন ফকির, খোকন মিলিটারি, আল আমিন আকন্দ, মুফতি সাব্বির আহমেদ নাঈম, ইব্রাহিম খলিলসহ অন্যান্য বক্তারা একই ধরনের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন