জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজের চেষ্টা: ডিমলায় ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার ১
উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা (নীলফামারী) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় কথিত জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজ (নামজারি) করার চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে আজ (১০ জুন ২০২৬ রোজ বুধবার । এই জালিয়াতির ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও মামলা দায়ের থানা পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলার কুঠিপাড়া গ্রামের সন্তোষ কুমারের ছেলে রনী কান্ত (২৮) বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৫(১)(গ) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-১২, তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ খ্রি.)।
অভিযুক্ত ও আটককৃতরা হলেন: মোঃ লিয়াকত আলী হিরো (৪৭): ডিমলা উপজেলার ছাতনাই বালাপাড়া (ডাঙ্গারহাট) এলাকার মৃত গোলজার হোসেনের ছেলে (জমির মালিক)। মোঃ সুমন ইসলাম (৪২): মধ্য ছাতনাই ময়দানের ভাঙ্গা এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে (দলিল লেখক)।
জানা যায়, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে জাল ও ভুয়া দলিল ব্যবহার করে ভূমি অফিসে খারিজের আবেদন করা হয়েছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু হয় এবং সত্যতা পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে দুজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়।
পৃথক মামলায় আরও একজন গ্রেপ্তারএদিকে, ডিমলা থানা পুলিশ পৃথক আরেকটি অভিযানে জিআর নং-৮৩/২৫ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিজানুর রহমান (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
প্রশাসন ও সচেতন মহলের বক্তব্যসহকারী কমিশনার (ভূমি), ডিমলা: "দলিল জালিয়াতি করে নামজারি করার চেষ্টা করায় অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।"
দিবাকর অধিকারী (ওসি তদন্ত, ডিমলা থানা):"ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আইন অমান্যকারী ও জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে, সাধারণ মানুষকে ভূমি সংক্রান্ত লেনদেন ও দলিলপত্র যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজের চেষ্টা: ডিমলায় ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার ১
উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা (নীলফামারী) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় কথিত জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজ (নামজারি) করার চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে আজ (১০ জুন ২০২৬ রোজ বুধবার । এই জালিয়াতির ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও মামলা দায়ের থানা পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলার কুঠিপাড়া গ্রামের সন্তোষ কুমারের ছেলে রনী কান্ত (২৮) বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৫(১)(গ) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-১২, তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ খ্রি.)।
অভিযুক্ত ও আটককৃতরা হলেন: মোঃ লিয়াকত আলী হিরো (৪৭): ডিমলা উপজেলার ছাতনাই বালাপাড়া (ডাঙ্গারহাট) এলাকার মৃত গোলজার হোসেনের ছেলে (জমির মালিক)। মোঃ সুমন ইসলাম (৪২): মধ্য ছাতনাই ময়দানের ভাঙ্গা এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে (দলিল লেখক)।
জানা যায়, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে জাল ও ভুয়া দলিল ব্যবহার করে ভূমি অফিসে খারিজের আবেদন করা হয়েছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু হয় এবং সত্যতা পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে দুজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়।
পৃথক মামলায় আরও একজন গ্রেপ্তারএদিকে, ডিমলা থানা পুলিশ পৃথক আরেকটি অভিযানে জিআর নং-৮৩/২৫ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিজানুর রহমান (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
প্রশাসন ও সচেতন মহলের বক্তব্যসহকারী কমিশনার (ভূমি), ডিমলা: "দলিল জালিয়াতি করে নামজারি করার চেষ্টা করায় অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।"
দিবাকর অধিকারী (ওসি তদন্ত, ডিমলা থানা):"ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আইন অমান্যকারী ও জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি ও প্রতারণা রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে, সাধারণ মানুষকে ভূমি সংক্রান্ত লেনদেন ও দলিলপত্র যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন